advertisement

New Business Idea: কচুরিপানা থেকেই সংসার চলছে প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলাদের! জানুন

Last Updated:
কোনও কিছুই ফেলে দেওয়ার নয়। এমমনকী কচুরিপানাও হতে পারে রোজগারের উপকরণ।
1/10
বীরভূম: বর্তমানে মহিলাদের স্বনির্ভর করে তুলতে সরকারি এবং বেসরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের ক্যাম্প এর আয়োজন করা হয়।বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থান মহিলাদের স্বনির্ভর করতে কখনওছাগল, হাঁস, মুরগি চাষে উৎসাহী করেন, আবার কখনও বাড়িতে মাছ চাষ করে স্বনির্ভর হতে বার্তা দেন । প্রতীকী ছবি ৷
বীরভূম: বর্তমানে মহিলাদের স্বনির্ভর করে তুলতে সরকারি এবং বেসরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের ক্যাম্প এর আয়োজন করা হয়।বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থান মহিলাদের স্বনির্ভর করতে কখনওছাগল, হাঁস, মুরগি চাষে উৎসাহী করেন, আবার কখনও বাড়িতে মাছ চাষ করে স্বনির্ভর হতে বার্তা দেন । প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
2/10
তবে এইসবের বাইরে ও মহিলাদের স্বনির্ভর হতে সাহায্য করছে জলের মধ্যে থাকা কচুরিপানা।কচুরিপানা এই নামটি অন্তত গ্রামবাংলায় এমন কেউ যারা জানেন না। প্রতীকী ছবি ৷
তবে এইসবের বাইরে ও মহিলাদের স্বনির্ভর হতে সাহায্য করছে জলের মধ্যে থাকা কচুরিপানা।কচুরিপানা এই নামটি অন্তত গ্রামবাংলায় এমন কেউ যারা জানেন না। প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
3/10
কচুরিপানা মুক্তভাবে ভাসমান বহুবর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ।মূলত এর আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা।পুরু, চকচকে এবং ডিম্বাকৃতির পাতাবিশিষ্ট কচুরিপানা জলের উপরিপৃষ্ঠের ওপর ১ মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।আর এর কাণ্ড থেকে দীর্ঘ, তন্তুময়, বহুধাবিভক্ত মূল বের হয়, যার রং বেগুনি-কালো । প্রতীকী ছবি ৷
কচুরিপানা মুক্তভাবে ভাসমান বহুবর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ।মূলত এর আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা।পুরু, চকচকে এবং ডিম্বাকৃতির পাতাবিশিষ্ট কচুরিপানা জলের উপরিপৃষ্ঠের ওপর ১ মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।আর এর কাণ্ড থেকে দীর্ঘ, তন্তুময়, বহুধাবিভক্ত মূল বের হয়, যার রং বেগুনি-কালো । প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
4/10
তবে অনেকে ভাবেন কচুরিপানা জলাশয়ের এক এমন জিনিস যার কোনও কাজ নেই।এই কচুরিপানা থেকেই লক্ষ্মীলাভ করছে বীরভূম। কচুরিপানার তত্ত্ব দিয়ে তৈরি বাড়ির ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিস এবার সাঁইথিয়া থেকে সারা দেশে পৌঁছে যাচ্ছে । প্রতীকী ছবি ৷
তবে অনেকে ভাবেন কচুরিপানা জলাশয়ের এক এমন জিনিস যার কোনও কাজ নেই।এই কচুরিপানা থেকেই লক্ষ্মীলাভ করছে বীরভূম। কচুরিপানার তত্ত্ব দিয়ে তৈরি বাড়ির ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিস এবার সাঁইথিয়া থেকে সারা দেশে পৌঁছে যাচ্ছে । প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
5/10
সাঁইথিয়ার ভগবতীপুর গ্রামে সেই জন্য তৈরি হচ্ছে 'কমন প্রোডাকশন সেন্টার'। রাজ্য ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্তু বিভাগের উদ্যোগে ভগবতী পুরে তৈরি হচ্ছে সরকারি ভবন। প্রতীকী ছবি ৷
সাঁইথিয়ার ভগবতীপুর গ্রামে সেই জন্য তৈরি হচ্ছে 'কমন প্রোডাকশন সেন্টার'। রাজ্য ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্তু বিভাগের উদ্যোগে ভগবতী পুরে তৈরি হচ্ছে সরকারি ভবন। প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
6/10
বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার অন্তর্ভুক্ত আহমদপুর এলাকায় গেলেই আপনি পৌঁছে যাবেন এই বাড়ি। যেখানে প্রায় একাধিক মহিলারা স্বনির্ভর হচ্ছেন কচুরিপানা থেকে বিভিন্ন বাড়ির সামগ্রী তৈরি করেন। প্রতীকী ছবি ৷
বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার অন্তর্ভুক্ত আহমদপুর এলাকায় গেলেই আপনি পৌঁছে যাবেন এই বাড়ি। যেখানে প্রায় একাধিক মহিলারা স্বনির্ভর হচ্ছেন কচুরিপানা থেকে বিভিন্ন বাড়ির সামগ্রী তৈরি করেন। প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
7/10
জেলা শিল্প কেন্দ্রের সূত্রের খবর, 'জমি চিহ্নিতকরণ হয়ে গিয়েছে।দফতর এর জন্য ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।আগামী সাত দিনের মধ্যে হস্তান্তর করে কাজ শুরু হয়ে যাবে। প্রতীকী ছবি ৷
জেলা শিল্প কেন্দ্রের সূত্রের খবর, 'জমি চিহ্নিতকরণ হয়ে গিয়েছে।দফতর এর জন্য ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।আগামী সাত দিনের মধ্যে হস্তান্তর করে কাজ শুরু হয়ে যাবে। প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
8/10
২০২১ সালে কচুরিপানা থেকে তত্ত্ব বের করে নিত্য দিনের ব্যবহৃত সামগ্রী তৈরি করতে শুরু করেছেন জেলা শিল্প কেন্দ্রের অধীনে থাকা মহিলারা। যা দিয়ে ফাইল রেক, ট্রে, ডাইরি-সহ নানা জিনিস তৈরি হয়। প্রতীকী ছবি ৷
২০২১ সালে কচুরিপানা থেকে তত্ত্ব বের করে নিত্য দিনের ব্যবহৃত সামগ্রী তৈরি করতে শুরু করেছেন জেলা শিল্প কেন্দ্রের অধীনে থাকা মহিলারা। যা দিয়ে ফাইল রেক, ট্রে, ডাইরি-সহ নানা জিনিস তৈরি হয়। প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
9/10
রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন এর আগেও তন্তু দিয়ে তৈরি ক্লাস্টার পূর্বস্থলী ও কলকাতার কাছে একটি কেন্দ্রে পরিকাঠামো করে দিয়েছে সরকার। এবার আনন্দ দ্বিগুণ, কারণ নিজের জেলার প্রায় আনুমানিক ৩৫০-৪০০ মহিলা সরাসরি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হবেন। প্রতীকী ছবি ৷
রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন এর আগেও তন্তু দিয়ে তৈরি ক্লাস্টার পূর্বস্থলী ও কলকাতার কাছে একটি কেন্দ্রে পরিকাঠামো করে দিয়েছে সরকার। এবার আনন্দ দ্বিগুণ, কারণ নিজের জেলার প্রায় আনুমানিক ৩৫০-৪০০ মহিলা সরাসরি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হবেন। প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
10/10
পরোক্ষ ভাবে কাজে যোগ দেবে আরও ৪০০-৫০০ মহিলা।সব মিলিয়ে এই কাজ করে স্বনির্ভর হচ্ছেন মহিলারা। আর্থিক উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবেন তারা। আর কার্যততাতেই খুশি প্রত্যন্ত গ্রামের এই সমস্ত মহিলারা। প্রতীকী ছবি ৷
পরোক্ষ ভাবে কাজে যোগ দেবে আরও ৪০০-৫০০ মহিলা।সব মিলিয়ে এই কাজ করে স্বনির্ভর হচ্ছেন মহিলারা। আর্থিক উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবেন তারা। আর কার্যত তাতেই খুশি প্রত্যন্ত গ্রামের এই সমস্ত মহিলারা। প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
advertisement
advertisement