advertisement

Need 1 Lakh Rupees Per Month After Retirement: অবসরের পর প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকা প্রয়োজন? কত টাকার কর্পাস তৈরি করতে হবে জেনে নিন

Last Updated:
Need 1 Lakh Rupees Per Month After Retirement: অবসরের পর আর্থিক চিন্তা ছাড়াই মাসে ১ লক্ষ টাকা পেতে চান? তাহলে এখন থেকেই সঠিক কর্পাস গড়ে তোলা জরুরি। কত টাকার ফান্ড তৈরি করতে হবে এবং কীভাবে পরিকল্পনা করবেন—সহজ হিসাব জেনে নিন।
1/5
একটি আরামদায়ক অবসর জীবন যাপন করা কেবল একটি স্বপ্ন নয়, আদতে এটি একটি দৃঢ় আর্থিক পরিকল্পনা। অবসর গ্রহণের পর যদি কেউ প্রতি মাসে ১ লক্ষ করে টাকা চান, তাহলে প্রয়োজনীয় তহবিলের পরিমাণ বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি একজন ব্যক্তি ৬০ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন এবং ৮৫ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকেন, তাহলে আনুমানিক ২৫ বছরের চাহিদা মেটানোর পক্ষে পর্যাপ্ত তহবিলের প্রয়োজন হবে। অনুমান অনুসারে, ৬% রিটার্ন এবং ৫% মুদ্রাস্ফীতির হার ধরে নিলে আনুমানিক ২.৫ কোটি টাকার একটা তহবিল থেকে মাসিক আয় ১ লক্ষ টাকা হতে পারে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি অনুসারে বৃদ্ধি পাবে।
একটি আরামদায়ক অবসর জীবন যাপন করা কেবল একটি স্বপ্ন নয়, আদতে এটি একটি দৃঢ় আর্থিক পরিকল্পনা। অবসর গ্রহণের পর যদি কেউ প্রতি মাসে ১ লক্ষ করে টাকা চান, তাহলে প্রয়োজনীয় তহবিলের পরিমাণ বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি একজন ব্যক্তি ৬০ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন এবং ৮৫ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকেন, তাহলে আনুমানিক ২৫ বছরের চাহিদা মেটানোর পক্ষে পর্যাপ্ত তহবিলের প্রয়োজন হবে। অনুমান অনুসারে, ৬% রিটার্ন এবং ৫% মুদ্রাস্ফীতির হার ধরে নিলে আনুমানিক ২.৫ কোটি টাকার একটা তহবিল থেকে মাসিক আয় ১ লক্ষ টাকা হতে পারে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি অনুসারে বৃদ্ধি পাবে।
advertisement
2/5
মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বোঝা গুরুত্বপূর্ণআজকের ১ লক্ষ টাকার মূল্য ২০-২৫ বছরে আর আগের মতো থাকবে না। অতএব যদি বর্তমানে মাসিক চাহিদা ১ লক্ষ টাকা হয় এবং ২০ বছরের মধ্যে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে ৬% বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ধরে নিলে একই জীবনধারা বজায় রাখার জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৩.২ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হতে পারে। একইভাবে, যদি আজকের খরচ ৩০,০০০ টাকা হয়, তাহলে সেই খরচ ২০ বছরে প্রায় ১ লক্ষ টাকায় পৌঁছাতে পারে। অতএব, অবসরের পরিকল্পনা করার সময় মুদ্রাস্ফীতি উপেক্ষা করা কখনই উচিত নয়, অন্যথায় তা স্পষ্টতই একটি বড় ভুল প্রমাণিত হবে।
মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বোঝা গুরুত্বপূর্ণআজকের ১ লক্ষ টাকার মূল্য ২০-২৫ বছরে আর আগের মতো থাকবে না। অতএব যদি বর্তমানে মাসিক চাহিদা ১ লক্ষ টাকা হয় এবং ২০ বছরের মধ্যে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে ৬% বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ধরে নিলে একই জীবনধারা বজায় রাখার জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৩.২ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হতে পারে। একইভাবে, যদি আজকের খরচ ৩০,০০০ টাকা হয়, তাহলে সেই খরচ ২০ বছরে প্রায় ১ লক্ষ টাকায় পৌঁছাতে পারে। অতএব, অবসরের পরিকল্পনা করার সময় মুদ্রাস্ফীতি উপেক্ষা করা কখনই উচিত নয়, অন্যথায় তা স্পষ্টতই একটি বড় ভুল প্রমাণিত হবে।
advertisement
3/5
২.৫ কোটি টাকার তহবিল কীভাবে তৈরি করা যায়?একটি বৃহৎ অবসর তহবিল রাতারাতি তৈরি করা যায় না; এর জন্য আগে থেকেই উদ্যোগ এবং শৃঙ্খলা প্রয়োজন। নিয়মিত বিনিয়োগ চক্রবৃদ্ধি থেকে উপকৃত হয়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পদকে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে। ইক্যুইটি, ডেবট এবং অ্যানুইটি বিকল্পগুলিতে সুষম বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা উভয়ই প্রদান করতে পারে।
২.৫ কোটি টাকার তহবিল কীভাবে তৈরি করা যায়?একটি বৃহৎ অবসর তহবিল রাতারাতি তৈরি করা যায় না; এর জন্য আগে থেকেই উদ্যোগ এবং শৃঙ্খলা প্রয়োজন। নিয়মিত বিনিয়োগ চক্রবৃদ্ধি থেকে উপকৃত হয়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পদকে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে। ইক্যুইটি, ডেবট এবং অ্যানুইটি বিকল্পগুলিতে সুষম বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা উভয়ই প্রদান করতে পারে।
advertisement
4/5
SIP-এর মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করাও একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতি হিসাবে বিবেচিত হয়। জাতীয় পেনশন ব্যবস্থা (NPS) এবং পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডের (PPF) মতো কর-সুবিধাপ্রাপ্ত স্কিমগুলিও অবসর তহবিল গঠনে সহায়তা করতে পারে।
SIP-এর মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করাও একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতি হিসাবে বিবেচিত হয়। জাতীয় পেনশন ব্যবস্থা (NPS) এবং পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডের (PPF) মতো কর-সুবিধাপ্রাপ্ত স্কিমগুলিও অবসর তহবিল গঠনে সহায়তা করতে পারে।
advertisement
5/5
তবে হ্যাঁ, কেবল একটি অবসর পরিকল্পনা কিন্তু যথেষ্ট নয়। পোর্টফোলিও পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাতে ভারসাম্য আনাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল, দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং নিয়মিত বিনিয়োগই কেবল অবসর গ্রহণের পরে আর্থিকভাবে স্বাধীন হতে সাহায্য করতে পারে।
তবে হ্যাঁ, কেবল একটি অবসর পরিকল্পনা কিন্তু যথেষ্ট নয়। পোর্টফোলিও পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাতে ভারসাম্য আনাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল, দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং নিয়মিত বিনিয়োগই কেবল অবসর গ্রহণের পরে আর্থিকভাবে স্বাধীন হতে সাহায্য করতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement