advertisement

Money Making Tips: ঘরে বসে মোটা টাকা রোজগার করতে চান ? দেখে নিন কী করতে হবে

Last Updated:
Money Making Tips: ঘরে বসে বিপুল টাকা আয় করার সহজ উপায় জেনে নিন এখানে ৷
1/6
বাড়িতে কেঁচো সার তৈরি করে ঘরে বসে মোটা টাকা রোজগার করুন। রাসায়নিক সার নয় দিন দিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে কেঁচো সারের। সরকার থেকে বরংবার জৈব পদ্ধতিতে চাষবাস করার পরামর্শ দিচ্ছে।
বাড়িতে কেঁচো সার তৈরি করে ঘরে বসে মোটা টাকা রোজগার করুন। রাসায়নিক সার নয় দিন দিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে কেঁচো সারের। সরকার থেকে বরংবার জৈব পদ্ধতিতে চাষবাস করার পরামর্শ দিচ্ছে।
advertisement
2/6
জৈব পদ্ধতিতে কেঁচো সার তৈরি করে স্বনির্ভরতা দিশা দেখাচ্ছেন কালিয়াগঞ্জ ব্লকের মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা অবেন দেবশর্মা। তার উৎপাদিত এই কেঁচো সার একদিকে যেমন মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করছে, জমিতে ভাল ফসল উৎপাদনে সহায়তা করছে তেমনি রোজগারের ও পথ খুলে দিচ্ছে।
জৈব পদ্ধতিতে কেঁচো সার তৈরি করে স্বনির্ভরতা দিশা দেখাচ্ছেন কালিয়াগঞ্জ ব্লকের মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা অবেন দেবশর্মা। তার উৎপাদিত এই কেঁচো সার একদিকে যেমন মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করছে, জমিতে ভাল ফসল উৎপাদনে সহায়তা করছে তেমনি রোজগারের ও পথ খুলে দিচ্ছে।
advertisement
3/6
কীভাবে এই কেঁচো সার তৈরি করা হয় ?এবং কোথায় কোথায় এই সার বিক্রি করা হয়? এ ব্যাপারে অবেন দেবশর্মা জানান,কেঁচো কম্পোষ্ট তৈরি করতে হলে প্রথমে গর্ত তৈরি করতে হয়। এরপর সেই গর্তে কলা গাছ,ঘাস, লতা পাতা, শাক সবজি,কচুরিপানা সমস্ত কিছু ছোট ছোট করে কেটে ফেলতে হয়।তবে আবর্জনা গর্তে ফেলার আগে গর্তের তলদেশসহ চারপাশে পলিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে। এতে গর্তের কেঁচো পিট থেকে বাইরে যেতে পারবে না।
কীভাবে এই কেঁচো সার তৈরি করা হয় ?এবং কোথায় কোথায় এই সার বিক্রি করা হয়? এ ব্যাপারে অবেন দেবশর্মা জানান,কেঁচো কম্পোষ্ট তৈরি করতে হলে প্রথমে গর্ত তৈরি করতে হয়। এরপর সেই গর্তে কলা গাছ,ঘাস, লতা পাতা, শাক সবজি,কচুরিপানা সমস্ত কিছু ছোট ছোট করে কেটে ফেলতে হয়।তবে আবর্জনা গর্তে ফেলার আগে গর্তের তলদেশসহ চারপাশে পলিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে। এতে গর্তের কেঁচো পিট থেকে বাইরে যেতে পারবে না।
advertisement
4/6
কেচোঁ কম্পোস্ট তৈরির জন্য প্রথমেই পলিথিন বিছানোর পরে গর্তের নিচে মাটি ও গোবর সমপরিমাণে মিশিয়ে তারপর সমস্ত লতা পাতা মিশিয়ে দিতে হবে। এপিজিক ও এন্ডোজিক এই দুই জাতের কেঁচো হয়ে থাকে।এর মধ্যে এপিজিক জাতের কেঁচো গুলো সংগ্রহ করবেন।এপিজিক জাতের কেঁচো দেখতে লাল রঙের। এরা মাটির উপরের স্তরেই বিচরণ করে থাকে।
কেচোঁ কম্পোস্ট তৈরির জন্য প্রথমেই পলিথিন বিছানোর পরে গর্তের নিচে মাটি ও গোবর সমপরিমাণে মিশিয়ে তারপর সমস্ত লতা পাতা মিশিয়ে দিতে হবে। এপিজিক ও এন্ডোজিক এই দুই জাতের কেঁচো হয়ে থাকে।এর মধ্যে এপিজিক জাতের কেঁচো গুলো সংগ্রহ করবেন।এপিজিক জাতের কেঁচো দেখতে লাল রঙের। এরা মাটির উপরের স্তরেই বিচরণ করে থাকে।
advertisement
5/6
অপরদিকে এন্ডোজিক জাতগুলো প্রধানত ছাই রঙের হয়ে থাকে। এরা সাধারণত সার উৎপাদন করতে পারে না তবে এরা মাটির ভৌত ও জৈব গুণাবলির উন্নতি করতে পারে।এরপর গর্তে গোবর ও মাটি ভর্তি করার পর ৫০০ টি কেঁচো প্রয়োগ করতে হয়। কেঁচো প্রয়োগের পর জৈব সার এবং তার উপর কাঁচা পাতা দিতে হবে। গর্তের উপরিভাগ ঢেকে দিতে হবে এবং প্রতিদিন ২ বার জল ছিটিয়ে দিতে হবে।
অপরদিকে এন্ডোজিক জাতগুলো প্রধানত ছাই রঙের হয়ে থাকে। এরা সাধারণত সার উৎপাদন করতে পারে না তবে এরা মাটির ভৌত ও জৈব গুণাবলির উন্নতি করতে পারে।এরপর গর্তে গোবর ও মাটি ভর্তি করার পর ৫০০ টি কেঁচো প্রয়োগ করতে হয়। কেঁচো প্রয়োগের পর জৈব সার এবং তার উপর কাঁচা পাতা দিতে হবে। গর্তের উপরিভাগ ঢেকে দিতে হবে এবং প্রতিদিন ২ বার জল ছিটিয়ে দিতে হবে।
advertisement
6/6
কাঁচা পাতা কালো বর্ণ ধারণ করলে জল দেওয়া বন্ধ করতে হবে। ৪ সপ্তাহ পরে পুণরায় কাঁচা পাতা দিতে হবে ।এরপর সার তৈরি হওয়ার পর চৌবাচ্চায় সতর্কতার সঙ্গে কেঁচো তুলে চালুনি দিয়ে চালতে হবে। সার থেকে কেঁচো গুলো আলাদা করে পুনরায় কম্পোস্ট তৈরির কাজে ব্যবহার করতে হবে। এই কিছু সারগুলো বিভিন্ন নার্সারি সহ হাটে বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি দরে এই কেঁচো সার বিক্রি করা হয়।
কাঁচা পাতা কালো বর্ণ ধারণ করলে জল দেওয়া বন্ধ করতে হবে। ৪ সপ্তাহ পরে পুণরায় কাঁচা পাতা দিতে হবে ।এরপর সার তৈরি হওয়ার পর চৌবাচ্চায় সতর্কতার সঙ্গে কেঁচো তুলে চালুনি দিয়ে চালতে হবে। সার থেকে কেঁচো গুলো আলাদা করে পুনরায় কম্পোস্ট তৈরির কাজে ব্যবহার করতে হবে। এই কিছু সারগুলো বিভিন্ন নার্সারি সহ হাটে বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি দরে এই কেঁচো সার বিক্রি করা হয়।
advertisement
advertisement
advertisement