advertisement

Gold Bull Run: সোনার বুলিশ পর্যায়ের কি অবসান ঘটল? না কি নতুন কোনও ট্রিগারের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে মার্কেট?

Last Updated:
Gold Bull Run: সোনার দাম পতনের ইঙ্গিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বুলিশ পর্যায় কি শেষ হয়ে গেল? না কি বাজার অপেক্ষা করছে নতুন কোনও ট্রিগারের?
1/10
আজকাল সোনার দাম কিছুটা প্রতিরোধ বা রেজিস্ট্যান্সের দিকে রয়েছে। আসলে হামেশাই সমস্ত সম্পদ (যেমন - স্টক, রিয়েল এস্টেট)-এর ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে ওঠার পর এই প্রবণতাই দেখা যায়। এপ্রিল মাসে সোনার দাম আউন্স প্রতি ৩,৫০০ মার্কিন ডলারের অল-টাইম হাই স্পর্শ করার পর থেকে এর দাম একটি লিমিটেড রেঞ্জে ঘোরাফেরা করছে। বর্তমানে এটি ৩,২০০ থেকে ৩,৩৫০ ডলারের মধ্যে ট্রেড করছে।এই দিন ভারতে প্রতি ১০ গ্রামে সোনার দাম প্রায় ৯৮২২০ টাকা, এবং গত দুই মাস ধরে এটি একই সীমার মধ্যে রয়েছে। যদিও বিগত তিন মাসে সোনার দাম ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে এই বছরের শুরু থেকে (YTD) এটি ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু যদি আমরা বিগত ১২ মাসের কথা বলি, তাহলে এটি ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আজকাল সোনার দাম কিছুটা প্রতিরোধ বা রেজিস্ট্যান্সের দিকে রয়েছে। আসলে হামেশাই সমস্ত সম্পদ (যেমন - স্টক, রিয়েল এস্টেট)-এর ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে ওঠার পর এই প্রবণতাই দেখা যায়। এপ্রিল মাসে সোনার দাম আউন্স প্রতি ৩,৫০০ মার্কিন ডলারের অল-টাইম হাই স্পর্শ করার পর থেকে এর দাম একটি লিমিটেড রেঞ্জে ঘোরাফেরা করছে। বর্তমানে এটি ৩,২০০ থেকে ৩,৩৫০ ডলারের মধ্যে ট্রেড করছে।এই দিন ভারতে প্রতি ১০ গ্রামে সোনার দাম প্রায় ৯৮২২০ টাকা, এবং গত দুই মাস ধরে এটি একই সীমার মধ্যে রয়েছে। যদিও বিগত তিন মাসে সোনার দাম ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে এই বছরের শুরু থেকে (YTD) এটি ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু যদি আমরা বিগত ১২ মাসের কথা বলি, তাহলে এটি ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
advertisement
2/10
তাহলে সোনার দামের বৃদ্ধি কেন বন্ধ হয়ে গেল? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল - সোনার দামের বৃদ্ধির কি এখনই অবসান হয়েছে? না কি এটি কোনও নতুন বড় কারণের (ট্রিগার) জন্য অপেক্ষা করছে? এই উত্তর অবশ্য কারও জানা নেই। আর এই বিষয়ে অনুমানের উপর একেবারেই নির্ভর করা উচিত নয় কোনও বিনিয়োগকারীর।
তাহলে সোনার দামের বৃদ্ধি কেন বন্ধ হয়ে গেল? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল - সোনার দামের বৃদ্ধির কি এখনই অবসান হয়েছে? না কি এটি কোনও নতুন বড় কারণের (ট্রিগার) জন্য অপেক্ষা করছে? এই উত্তর অবশ্য কারও জানা নেই। আর এই বিষয়ে অনুমানের উপর একেবারেই নির্ভর করা উচিত নয় কোনও বিনিয়োগকারীর।
advertisement
3/10
এই বৃদ্ধির কারণ কী ছিল?২০২২ সালের অক্টোবর মাসে সোনার দাম ১,৫০০ ডলার থেকে বেড়ে এখন ৩৩৫০ ডলারে গিয়ে পৌঁছেছে। কিন্তু এর পিছনে থাকা কারণটা কী? এবং এগুলি কি এখনও প্রযোজ্য?
এই বৃদ্ধির কারণ কী ছিল?২০২২ সালের অক্টোবর মাসে সোনার দাম ১,৫০০ ডলার থেকে বেড়ে এখন ৩৩৫০ ডলারে গিয়ে পৌঁছেছে। কিন্তু এর পিছনে থাকা কারণটা কী? এবং এগুলি কি এখনও প্রযোজ্য?
advertisement
4/10
প্রাথমিক ভাবে যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিই ছিল এর প্রধান কারণ। রাশিয়া, ইউক্রেন, ইজরায়েল এবং ইরানের মতো দেশগুলির মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সোনার চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে সেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত বলে মনে হচ্ছে। এরপর আসে ট্রাম্পের শুল্ক সিদ্ধান্ত বা ট্যারিফ সিদ্ধান্ত। যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। কিন্তু সময়সীমা পরিবর্তন করে এবং কিছু দেশের প্রতি নরম অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, এর প্রভাব আগের মতো তীব্র হবে না।
প্রাথমিক ভাবে যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিই ছিল এর প্রধান কারণ। রাশিয়া, ইউক্রেন, ইজরায়েল এবং ইরানের মতো দেশগুলির মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সোনার চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে সেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত বলে মনে হচ্ছে। এরপর আসে ট্রাম্পের শুল্ক সিদ্ধান্ত বা ট্যারিফ সিদ্ধান্ত। যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। কিন্তু সময়সীমা পরিবর্তন করে এবং কিছু দেশের প্রতি নরম অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, এর প্রভাব আগের মতো তীব্র হবে না।
advertisement
5/10
কোন কোন বিষয় এখন প্রভাব বিস্তার করছে?এই দিন মার্কিন অর্থনীতি বেশ স্থিতিশীল হিসেবে দেখা যাচ্ছে। যা চাকরির পরিসংখ্যানের শক্তিশালী পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল - নিজেদের ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণের উপর অনেক সুদ দিতে হচ্ছে আমেরিকাকে। গত ১৭ জুলাই, ২০২৫ তারিখের হিসাব অনুযায়ী, আমেরিকার মোট ফেডারেল ঋণের পরিমাণ ৩৬.৬২ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত এর উপর ৯০০ বিলিয়ন ডলার সুদ দেওয়া  হয়েছে। তবে সেই দিন খুব বেশি দূরে নেই, যখন বার্ষিক সুদের অঙ্ক ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আর যেদিন তা ঘটবে, সেদিন সোনার দামে তীব্র উর্ধ্বগতি সম্ভব।
কোন কোন বিষয় এখন প্রভাব বিস্তার করছে?এই দিন মার্কিন অর্থনীতি বেশ স্থিতিশীল হিসেবে দেখা যাচ্ছে। যা চাকরির পরিসংখ্যানের শক্তিশালী পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল - নিজেদের ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণের উপর অনেক সুদ দিতে হচ্ছে আমেরিকাকে। গত ১৭ জুলাই, ২০২৫ তারিখের হিসাব অনুযায়ী, আমেরিকার মোট ফেডারেল ঋণের পরিমাণ ৩৬.৬২ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত এর উপর ৯০০ বিলিয়ন ডলার সুদ দেওয়া  হয়েছে। তবে সেই দিন খুব বেশি দূরে নেই, যখন বার্ষিক সুদের অঙ্ক ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আর যেদিন তা ঘটবে, সেদিন সোনার দামে তীব্র উর্ধ্বগতি সম্ভব।
advertisement
6/10
এই সুদের হাত থেকে আমেরিকাকে বাঁচানোর একটাই উপায় আছে - ফেডারেল তহবিলের ফান্ড রেটের হ্রাস। যদি মার্কিন ফেড (US Fed) হার হ্রাস করে, তাহলে ঋণের উপর সুদের বোঝাও হ্রাস পাবে। কিন্তু সমস্যা হল যে, মার্কিন ফেডের নজরে ট্রাম্পের শুল্ক মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে।
এই সুদের হাত থেকে আমেরিকাকে বাঁচানোর একটাই উপায় আছে - ফেডারেল তহবিলের ফান্ড রেটের হ্রাস। যদি মার্কিন ফেড (US Fed) হার হ্রাস করে, তাহলে ঋণের উপর সুদের বোঝাও হ্রাস পাবে। কিন্তু সমস্যা হল যে, মার্কিন ফেডের নজরে ট্রাম্পের শুল্ক মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে।
advertisement
7/10
তবে শুল্ক আরোপের পরেও যদি আমেরিকায় জিনিসপত্রের দাম খুব বেশি না বাড়ে, তাহলে ফেড হার কমাতে শুরু করবে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়েছে, কিন্তু মুদ্রাস্ফীতির উপর এর কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি। এহেন পরিস্থিতিতে সুদের হার কমানোর অনেক সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে এই হার রয়েছে ৪.২৫ শতাংশ - ৪.৫ শতাংশ। এরপর সেপ্টেম্বর মাস থেকে ৩০০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত এই হার হ্রাস হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে শুল্ক আরোপের পরেও যদি আমেরিকায় জিনিসপত্রের দাম খুব বেশি না বাড়ে, তাহলে ফেড হার কমাতে শুরু করবে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়েছে, কিন্তু মুদ্রাস্ফীতির উপর এর কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি। এহেন পরিস্থিতিতে সুদের হার কমানোর অনেক সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে এই হার রয়েছে ৪.২৫ শতাংশ - ৪.৫ শতাংশ। এরপর সেপ্টেম্বর মাস থেকে ৩০০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত এই হার হ্রাস হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
advertisement
8/10
দুর্বল ডলার এবং ট্রাম্পের চাপ:কিন্তু এই কাহিনিতে ছোট্ট একটি ট্যুইস্ট রয়েছে। যদি সুদের হার কমে যায় এবং বিশ্বে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকে, তাহলে সোনার ঔজ্জ্বল্য আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি সোনার জন্য একটি নতুন ট্রিগার হতে পারে। এদিকে সোনার দাম এবং সুদের হারের মধ্যে এক বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। আসলে যখন কোনও সঙ্কট দেখা দেয়, তখন বিনিয়োগকারীরা ডলারের পরিবর্তে সোনাকে একটি নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। আর ডলারের কথা বলতে গেলে, যদি ডলার সূচক বা ডলার ইনডেক্স আরও দুর্বল হয়, তাহলে সোনার দামও বৃদ্ধি পাবে। এই বছর ডলার সূচক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং তা ১০০-এর তলায় ট্রেডিং করছে। এদিকে দুর্বল ডলার নিজেই মার্কিন অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতির ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। আর এটিও কিন্তু সোনার দাম বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
দুর্বল ডলার এবং ট্রাম্পের চাপ:কিন্তু এই কাহিনিতে ছোট্ট একটি ট্যুইস্ট রয়েছে। যদি সুদের হার কমে যায় এবং বিশ্বে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকে, তাহলে সোনার ঔজ্জ্বল্য আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি সোনার জন্য একটি নতুন ট্রিগার হতে পারে। এদিকে সোনার দাম এবং সুদের হারের মধ্যে এক বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। আসলে যখন কোনও সঙ্কট দেখা দেয়, তখন বিনিয়োগকারীরা ডলারের পরিবর্তে সোনাকে একটি নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। আর ডলারের কথা বলতে গেলে, যদি ডলার সূচক বা ডলার ইনডেক্স আরও দুর্বল হয়, তাহলে সোনার দামও বৃদ্ধি পাবে। এই বছর ডলার সূচক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং তা ১০০-এর তলায় ট্রেডিং করছে। এদিকে দুর্বল ডলার নিজেই মার্কিন অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতির ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। আর এটিও কিন্তু সোনার দাম বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
advertisement
9/10
ইতিমধ্যেই একটি নতুন ট্রাম্প ফ্যাক্টর আবির্ভূত হয়েছে। ট্রাম্প চান যে, ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল দ্রুত সুদের হার কমাবেন। ট্রাম্প বলছেন যে, পাওয়েল ইতিমধ্যেই বিলম্ব করেছেন এবং এখন অবিলম্বে তাঁর ৩ শতাংশ হার কমিয়ে দেওয়া উচিত। এদিকে বর্তমানে শুল্কের প্রভাবের কারণে পাওয়েল এবং তার টিম বর্তমানে হার স্থিতিশীল রাখছেন; ডিসেম্বর মাসের পর থেকে আর কোনও পরিবর্তন হয়নি।
যদিও পাওয়েলকে অপসারণ করতে অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প। ২০২৬ সালের আগে তাঁকে পদত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে হোয়াইট হাউজের তরফে। আর মার্কিন ফেডের মতো একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে হোয়াইট হাউজের এই হস্তক্ষেপ। যদি ফেডের বিশ্বাসযোগ্যতা আরও দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে এটিও সোনার জন্য একটি বড়সড় ট্রিগার হয়ে উঠতে পারে। কারণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে সোনাকেই সর্বদা একটি নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইতিমধ্যেই একটি নতুন ট্রাম্প ফ্যাক্টর আবির্ভূত হয়েছে। ট্রাম্প চান যে, ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল দ্রুত সুদের হার কমাবেন। ট্রাম্প বলছেন যে, পাওয়েল ইতিমধ্যেই বিলম্ব করেছেন এবং এখন অবিলম্বে তাঁর ৩ শতাংশ হার কমিয়ে দেওয়া উচিত। এদিকে বর্তমানে শুল্কের প্রভাবের কারণে পাওয়েল এবং তার টিম বর্তমানে হার স্থিতিশীল রাখছেন; ডিসেম্বর মাসের পর থেকে আর কোনও পরিবর্তন হয়নি।যদিও পাওয়েলকে অপসারণ করতে অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প। ২০২৬ সালের আগে তাঁকে পদত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে হোয়াইট হাউজের তরফে। আর মার্কিন ফেডের মতো একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে হোয়াইট হাউজের এই হস্তক্ষেপ। যদি ফেডের বিশ্বাসযোগ্যতা আরও দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে এটিও সোনার জন্য একটি বড়সড় ট্রিগার হয়ে উঠতে পারে। কারণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে সোনাকেই সর্বদা একটি নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
advertisement
10/10
এখন কী হবে?বর্তমানে সোনাকে সহায়তা প্রদানের বেশ কিছু বড় কারণ উঠে আসছে। এর মধ্যে অন্যতম হল - মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্য, ডলার সূচকের গতিবিধি, মার্কিন ফেডের সুদের হার হ্রাস এবং ট্রাম্পের শুল্কের মধ্যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি ক্রমাগত ক্রয় করে চলেছে। অন্য দিকে বিনিয়োগকারীরাও গোল্ড-ব্যাকড ফান্ডে বিনিয়োগ করছেন।
আর যাঁরা সোনায় বিনিয়োগ করছেন, তাঁদের মার্কিন ডলারের উপর নজর রাখা উচিত। এটিই একমাত্র সূচক, যা আগামী সপ্তাহ বা সামনের মাসগুলিতে সোনার দিক নির্ধারণ করতে পারে। নতুন কোনও ট্রিগার আবির্ভূত না হলে সোনা কখন বড়সড় উত্থানের মুখ দেখবে, তা বলা বেশ কঠিন। 
এখন কী হবে?বর্তমানে সোনাকে সহায়তা প্রদানের বেশ কিছু বড় কারণ উঠে আসছে। এর মধ্যে অন্যতম হল - মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্য, ডলার সূচকের গতিবিধি, মার্কিন ফেডের সুদের হার হ্রাস এবং ট্রাম্পের শুল্কের মধ্যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি ক্রমাগত ক্রয় করে চলেছে। অন্য দিকে বিনিয়োগকারীরাও গোল্ড-ব্যাকড ফান্ডে বিনিয়োগ করছেন।আর যাঁরা সোনায় বিনিয়োগ করছেন, তাঁদের মার্কিন ডলারের উপর নজর রাখা উচিত। এটিই একমাত্র সূচক, যা আগামী সপ্তাহ বা সামনের মাসগুলিতে সোনার দিক নির্ধারণ করতে পারে। নতুন কোনও ট্রিগার আবির্ভূত না হলে সোনা কখন বড়সড় উত্থানের মুখ দেখবে, তা বলা বেশ কঠিন।
advertisement
advertisement
advertisement