Money Making Tips: পান শুকিয়ে লাখ টাকা আয়ের নতুন ফর্মুলা, ছো্ট্ট বুদ্ধিতে বদলে যাচ্ছে চাষিদের ভাগ্য! দেশি টেকনিকে মালামাল হওয়ার দারুণ সুযোগ
- Reported by:Saikat Shee
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Money Making Tips: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের এক ব্যক্তি কৃষিজাত ফসল পানকে ভিন্নভাবে বাজারে এনে সফল হয়েছেন। পথ দেখাচ্ছেন গ্রামের অন্যান্য ব্যক্তিদের। যে পাতা কয়েকদিনের মধ্যে নষ্ট হয়ে যেত, তা এখন কয়েক মাস পর্যন্ত টিকে থাকছে। পান থেকে তৈরি হচ্ছে নানা সামগ্রী।
advertisement
এই দ্রব্য আর কিছুই না। তৈরি হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্যতম কৃষিজ ফসল পান থেকে। পান থেকেই তৈরি হচ্ছে নানান ধরনের খাদ্যবস্তু। এই মানুষটি নিজের উদ্ভাবন শক্তি থেকেই খুঁজে পেয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল ব্লকের বাড় অমৃতবেড়িয়া গ্রামের হরিপদ দোলই পান থেকে নানান খাদ্যবস্তু তৈরি করে বদলে দিয়েছেন জীবন। শুধু নিজের নয় সেই সঙ্গে গ্রামের মানুষকে দেখিয়েছেন পথ।
advertisement
জেলার অন্যতম অর্থকারী ফসল পান। মূলত পান কাঁচা ফসল হিসেবেই বাজারে বিক্রি হয়। কারণ পানের বরজ থেকে পান তুলে নেওয়ার পর দু'তিন দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এবার পান প্রক্রিয়াকরণের সংরক্ষণ করা সম্ভব প্রায় তিন মাস পর্যন্ত। আর এই প্রক্রিয়াকরণ পর পান থেকে পাওয়া যাচ্ছে গুঁড়োপান থেকে শুরু করে পানের জুস। পান চাষের নতুন আর্থিক কর্মসংস্থানের দিশা দেখাচ্ছেন।
advertisement
advertisement
পান প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি হল, প্রথমে পান সংগ্রহ করে পানপাতা থেকে ডাঁটা বাদ দেওয়া হয়। তারপর পরিষ্কার জলে ফেলে চলে পানপাতার শুদ্ধিকরণ। এরপরে পানপাতা যায় হিট চেম্বারে। হিট চেম্বারের ট্রেতে পানপাতাকে বিছিয়ে দেওয়া হয়। ট্রে হিট চেম্বারে দশ থেকে পনের মিনিট রাখা হয়। তারপর বের করে পানকে গুঁড়ো করা হয়। এই ভাবেই চলে পানপাতার প্রক্রিয়াকরণ।
advertisement
এ বিষয়ে হরিপদ দোলাই বলেন, '' চা পাতার মতই পানকে হিট চেম্বারে ফেলে প্রক্রিয়াকরণ করা শুরু করেন। প্রথম প্রথম ঠিকঠাক না হওয়ায় হাল ছেড়ে দেননি। কিন্তু পরবর্তীকালে তিনি সফল হন। বর্তমানে তার এই কাজকে স্বীকৃতি দিয়েছে যাদবপুর ইউনিভার্সিটি এবং ফুড সেফটি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া।'' বর্তমানে সারা বছর ধরেই তিনি পান প্রক্রিয়াকরণ করে নানান ধরনের খাদ্যবস্তু তৈরি করছে। এর ফলে এলাকার পানচাষিরা হরিপদ দোলাইকে দেখে নতুন পথের দিশা পেয়েছেন। (ছবি ও তথ্য -সৈকত শী)






