Budget With News18: বাজেট ২০২৬ শুরুর আগে নির্মলাকে ‘দই-চিনি’ খাওয়ালেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু! কেন এই রীতি? নেপথ্যে কোন বিজ্ঞান?
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের দিন শুরু হল এক পরিচিত ভারতীয় রীতিতে। সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে রাষ্ট্রপতি ভবনে অর্থমন্ত্রীকে দই-চিনি খাওয়ানোর মাধ্যমে শুভকামনা জানানো হয়। বহু বছর ধরে চলে আসা এই প্রথা বাজেট দিবসে এক বিশেষ সাংস্কৃতিক তাৎপর্য বহন করে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে শুভ সূচনা ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির প্রতীক হিসেবেই এই রীতি পালন করা হয়, যা বাজেট পেশের দিনের আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে।
advertisement
advertisement
এই রীতি নতুন নয়। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি বাজেট পেশের আগেও একইভাবে অর্থমন্ত্রীকে দই-চিনি খাওয়ানো হয়েছিল। সেবার রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে এই প্রতীকী আহার গ্রহণের সময় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত হলেও বাজেট দিবসে এর একটি আলাদা সাংস্কৃতিক গুরুত্ব থাকে। বাজেট ২০২৬-২৭ পেশের আগেও এ দিন সকালেই একই রীতি পালিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
দই-চিনি খাওয়ার প্রথা ভারতের বহু অঞ্চলে প্রচলিত। ভারতীয় সংস্কৃতিতে দইকে পবিত্র ও শুদ্ধ মনে করা হয়, আর চিনি জীবনে মিষ্টতা ও সৌভাগ্যের প্রতীক। বিয়ে, পরীক্ষা কিংবা বড় কোনও কাজের আগে অনেকেই এই সামান্য খাবার গ্রহণ করেন সাফল্য কামনায়। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে মিষ্টি কিছু খাওয়াকে শুভ ফলের পূর্বাভাস হিসেবেই ধরা হয়।
advertisement
advertisement
এই প্রথার শিকড় রয়েছে ইতিহাস ও আয়ুর্বেদে। প্রায় দুই হাজার বছরের পুরনো গ্রন্থ চরক সংহিতায় দই ও চিনির সংমিশ্রণ শরীরের ভারসাম্য রক্ষা ও সজীবতা বাড়াতে সহায়ক বলে উল্লেখ রয়েছে। গ্রামীণ ভারতে দীর্ঘ যাত্রার আগে যাত্রীদের শক্তি জোগাতে দই-চিনি দেওয়ার চল ছিল। এমনকি বাল্মীকি রামায়ণেও অতিথি আপ্যায়নে দই ও চিনি দেওয়ার উল্লেখ পাওয়া যায়।
advertisement
advertisement
advertisement
জ্যোতিষশাস্ত্রেও দই-চিনির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বৈদিক জ্যোতিষে একে গজকেশরী যোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়, যা চন্দ্র ও বৃহস্পতির সমন্বয়ে গঠিত। চন্দ্র মানসিক স্থিরতা ও প্রশান্তির প্রতীক, আর বৃহস্পতি জ্ঞান ও প্রজ্ঞার নির্দেশক। বিশ্বাস করা হয়, দই-চিনি গ্রহণ করলে শুভ শক্তির আহ্বান হয় এবং সাফল্যের পথ প্রশস্ত হয়।





