জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডো কাজে লাগিয়ে দলে পরিবর্তন চান ফাওলার

জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডো কাজে লাগিয়ে দলে পরিবর্তন চান ফাওলার

জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডো কাজে লাগিয়ে দলে পরিবর্তন চান ফাওলার

হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পর্যদুস্ত হওয়ার পর আবার লাল-হলুদ কোচের নিশানায় ভারতীয় ফুটবলাররা। আইএসএলে এই সব ফুটবলারদের খেলার যোগ্যতা নেই বলে নতুন বিতর্ক বাড়িয়েছেন কোচ।

  • Share this:

    #গোয়া: পাঁচ ম্যাচ হয়ে গেল। লাল হলুদ মশাল এখনও জ্বলে উঠল না। পাঁচটার ভেতর চারটি ম্যাচেই হার। এর থেকে খারাপ শুরু সম্ভব নয়। এই অবস্থায় মাঠে ফুটবলারদের খারাপ প্রদর্শন যেমন বজায় আছে, তেমনই লাল হলুদ কোচের ভারতীয় ফুটবলারদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য বজায় রয়েছে। আগেই বলেছিলেন ভারতীয় ফুটবলারদের দেখে মনে হয় কেউ কোনওদিন কোচিং করাননি এঁদের।

    হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পর্যদুস্ত হওয়ার পর আবার লাল-হলুদ কোচের নিশানায় ভারতীয় ফুটবলাররা। আইএসএলে এই সব ফুটবলারদের খেলার যোগ্যতা নেই বলে নতুন বিতর্ক বাড়িয়েছেন কোচ। হয়তো তাঁর কথা পুরোটা ফেলে দেওয়ার নয়। কিন্তু নিজের আনা বিদেশিদের সমালোচনা সমানভাবে করা উচিত সেক্ষেত্রে। স্কট নেভিল ভারতীয় ফুটবলারদের বিপক্ষেই হামাগুড়ি দিয়েছেন। লিস্টন তাঁকে পাড়ার ফুটবলারের স্তরে নামিয়ে এনে ছিলেন। ব্রিসবেনে খেলে আসা এই ফুটবলারটির পারফরম্যান্স নিয়ে কোচের সঙ্গে কথাও বলেছেন ম্যানেজমেন্টের লোকজন। রবি জানিয়েছেন স্কট সম্পূর্ণ ফিট নন। তবে খুব তাড়াতাড়ি ফিটনেস ফিরে পাবেন। অ্যারন গত ম্যাচে নেমেছিলেন, কিন্তু কিছুই করতে পারেননি। শোনা যাচ্ছে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে এই বিদেশিকে।

    ব্রাইট পৌঁছে গিয়েছেন গোয়ায়। আইসোলেশন পর্ব কাটিয়ে তাঁর মাঠে নামতে দেরি রয়েছে। ক্যালাম উডকে সই করানো হয়েছে। তাঁকে রেজিস্ট্রেশন করানো হতে পারে কয়েক দিনের মধ্যে। এছাড়াও ভারতীয় ফুটবলারদের কয়েকজনকে রিলিজ করে দেওয়া হতে পারে। কিন্তু তার বদলে নতুন ফুটবলার নেওয়ার খোঁজ চললেও বাজারে এই মুহূর্তে ভালো ভারতীয় ফুটবলার প্রায় নেই বললেই চলে। দলে সামাদ আলি এবং গুরতেজ সিং থাকলেও এখন পর্যন্ত তাদের নামাননি কোচ। দুজনেই কিন্তু যথেষ্ট ভালো ফুটবলার। রফিক স্ট্রাইকারে খেলা ফুটবলার। তাঁকে রাইট ব্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নারায়ন দাস অভিজ্ঞতায় ভরপুর হলেও কোন উন্নতি নেই। শাহনাজ মোটেই ধারাবাহিক নন।

    সুর চন্দ্র একদিন ভালো খেলেন, অন্যদিন ফ্লপ। টিম ম্যানেজমেন্টের লোকেরা বলছেন তারা অল্প সময়ের মধ্যে যতটা সম্ভব ভালো দল তৈরি চেষ্টা করেছেন। বিদেশি ফুটবলারদের বায়ো ডাটা উঁচু মানের। কিন্তু মাঠে নেমে নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারলে ম্যানেজমেন্টের কি দোষ। তবে দায় এড়াতে পারেন না লাল হলুদ কোচ। তার হাতে থাকা ফুটবলার দেখেই তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। তাদের উন্নত করা কোচের দায়িত্ব। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন সেট পিস কোচ। অনুশীলনে প্রতিটা মুহূর্ত তুলে রাখার জন্য হাই পড ব্যবহার হয়। সবই ঠিক আছে। কিন্তু দিনের শেষে জিততে না পারলে সবকিছু মূল্যহীন। মুখে বেশি কথা না বলে চুপচাপ কাজ করলেই বোধহয় ভালো করবেন ব্রিটিশ কোচ। পিল কিং টন এবং মাগো মা ছাড়া বাকি বিদেশি রা অত্যন্ত সাধারণ মানের। ব্রাইট মাঠে নামার আগে কেরল এবং চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে হবে লাল হলুদকে। ওই দুটো ম্যাচে হার এড়ানো সম্ভব? এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন লাল-হলুদ শিবিরে।

    Published by:Subhapam Saha
    First published: