রাখে শঙ্কর মারে কে, গোকুলামকে ২-১ গোলে হারাল বাগান, ডার্বিতে নেই কলিনাস, গুরজিন্দর

রাখে শঙ্কর মারে কে, গোকুলামকে ২-১ গোলে হারাল বাগান, ডার্বিতে নেই কলিনাস, গুরজিন্দর

ডার্বির আগে ছন্দে মোহনবাগান

  • Share this:

Pradip Ghosh 

#কল্যাণী : কথায় বলে, এক ঢিলে দুই পাখি। সপ্তাহ শুরুর সন্ধ্যায় কল্যাণীতে সেটাই হয়ে দাঁড়াল দুই বদলে তিন। এক জয়ে বাগানে তিন লক্ষ্যপূরণ।

১) ডুরান্ড ফাইনালে হারের বদলা।

২) পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে উঠে আসা।

৩) বড় ম্যাচের আগে ড্রেসিংরুমে বাড়তি অক্সিজেন।

রাখে শঙ্কর মারে কে। ম্যাচের শেষ ৩০ মিনিট গোকুলামকে একাই সামলালেন বাগান গোলরক্ষক শঙ্কর রায়। ম্যাচে জোড়া গোল স্প্যানিয়ার্ড গনজালেজের। তবু বাগান জনতার নায়ক দমদম-নাগেরবাজারের শঙ্কর। তিন কাঠির নিচে চাইনিজ ওয়াল হয়ে ম্যাচ জেতালেন বাঙালি গোলরক্ষক। যদিও জাস্টিন জর্জের গোল বাতিল নিয়ে গোকুলাম শিবিরে ক্ষোভ রয়েছে। বাগানের আলগা ডিফেন্স ভেঙে বর্গিদের মত বক্সে ঢুকে পড়ছিলেন গার্সিয়া, মার্কাস, কিসেকারা। মোরান্তে-আশুতোষদের দিয়ে এক-আধটা ম্যাচ বেরোতে পারে, আই লিগ জেতা যায় না। সৃঞ্জয় বোস-দেবাশিস দত্তরা স্পনসরের সঙ্গে ওদেরও বদলি খুঁজলেই দশের মঙ্গল। গোকুলাম জয়ের দিনেই আবার বাগানে গুঞ্জন বিদায়ী সালভা চামোরোর পরিবর্তে সেনেগালের স্ট্রাইকার বাবার সঙ্গে কথা বলছেন বাগান কর্তারা। সেভিয়া, লেভান্তে, গেটাফের মত ক্লাব ঘোরা বাবা-র আগমনে বাগানের ধার বাড়লে ভাল। না-হলে নৌকাডুবি এবারও আসন্ন।

সোমবার শুরুটা খারাপ করেনি কিবুর ছেলেরা। টানা চার-পাঁচটা পাস খেলছিলেন সাহিল-কলিনাস-নাওরেমরা। বড় চেহারার কেরালাইটদের সঙ্গে পাল্লা দিতে জমিতে বল রেখে ওপরে উঠছিলেন গুরজিন্দর-বেইতিয়ারা। নাওরেমের দৌড় থামাতে অসহায় লাগছিল মিতাই-সেবাস্টিয়ানদের। এরইমধ্যে ২৪ মিনিটে আশুতোষকে বক্সের মধ্যে ট্রিপ করেন গোকুলাম গোলরক্ষক উবেদ। পেনাল্টি থেকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন গনজালেজ। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি থেকেই গোল শোধ মার্কাস জোসেফের।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আবার ম্যাচে জাঁকিয়ে বসেন নাওরেম, বেইতিয়ারা। ৪৮ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে গোল করেন গনজালেজ। স্কোরলাইন মোহনবাগান ২, গোকুলাম ১। পিছিয়ে পড়ে নখ-দাঁত বার করে আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ায় কেরালার ক্লাবটি। শঙ্কর রায় বনাম মার্কাস-কিসেকা-গার্সিয়া। ম্যাচের শেষ মিনিটে লালকার্ড দেখে ডার্বি থেকে ছিটকে গেলেন গুরজিন্দর কুমার। কিবুর মাথাব্যথার কারণ হতে পারেন আরেক বিদেশি কলিনাসও। হাঁটুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার সময়ে যে ভাবে কাতরাচ্ছিলেন তাতে চোট কাটিয়ে বাইশের বড় ম্যাচে নামার সম্ভাবনা কম। সংখ্যাতত্ত্বে পিছিয়ে থেকেই ডার্বিতে নামতে হবে কিবুর সবুজ-মেরুনকে। সালভা চামারোকে তড়িঘড়ি রিলিজ দেওয়ার জন্য গোকুলাম বধের দিনেও তাই হাত কামড়াতে পারেন দেবাশিস দত্তরা।

First published: 09:14:28 PM Dec 16, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर