শ্রীনিকে পিছন থেকে আসল ছুরিটা মারলেন তাঁর একসময়ের ডান হাতই !

শ্রীনিকে পিছন থেকে আসল ছুরিটা মারলেন তাঁর একসময়ের ডান হাতই !

মুম্বই যখন মিতালি-ঝুলনদের নিয়ে মেতে, তখনই নিঃশব্দে সংস্কারের পালাবদল ঘটে গেল বোর্ডে।

  • Share this:

#মুম্বই: কোহলিরা যখন গলে খেলছেন ৷ মুম্বই যখন মিতালি-ঝুলনদের নিয়ে মেতে, তখনই নিঃশব্দে সংস্কারের পালাবদল ঘটে গেল বোর্ডে। সূত্রের খবর, শেষ অঙ্কে সুপ্রিম কোর্ট নয়, শ্রীনিকে পিছন থেকে আসল ছুরিটা মারলেন তাঁর একসময়ের ডানহাত অমিতাভ চৌধুরিই।

রাজধানীর বিশেষ সাধারণ সভায় এদিন ৫টা বাদ দিয়ে লোধার বাকি সব সংস্কারই মেনে নেওয়ার পক্ষে রায় দিল রাজ্য সংস্থারা। কি এই ৫ দফা আপত্তির জায়গা ? পয়লা নম্বরে এক রাজ্য, এক ভোট। তারপর জাতীয় নির্বাচক প্যানেলের সংখ্যা। অ্যাপেক্স কাউন্সিলের কলেবর। চেয়ারে থাকার বয়সসীমা। আর অফিস বেয়ারারদের কুলিং-অফ সমেত কার্যকাল।

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে, এই স্টান্স তো আগেই ছিল। কিন্তু এখানেই দুসরার ছোবল। সুপ্রিম কোর্টের আগের সব শুনানি থেকে অমিতাভ-সি কে খান্নারা ভালই জানেন, সর্বোচ্চ আদালত বড়জোড় দু-তিনটে বিষয়ে ছাড় দিতে পারে। বাকি কোনও আপত্তিই ধোপে টিকবে না। এক রাজ্য, এক ভোট নিয়ে ফের আলোচনা লাইফলাইন দেবে মহারাষ্ট্র-গুজরাতের মত রাজ্যকে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট যে কোনও মতেই ৭০ পেরনো শ্রীনি-নিরঞ্জনদের সেকেন্ড ইনিংস দেবে না এটা জলের মত পরিস্কার। পাশাপাশি ৯ বছরের কার্যকাল আর ৩ বছর অন্তর কুলিং অফের পরিবর্তে ৪ বছরের টার্ম বা সবমিলিয়ে ১২ বছরের কার্যকালে আরামসে রাজি হওয়ার রাস্তাও খুলে রাখলেন অমিতাভরা।

বোর্ডের মাইনে করা কর্মী হলেও বুধবারের সভায় ঢুকতেই দেওয়া হয়নি সিইও রাহুল জোহরিকে। একইভাবে লোধার ফরমানে অফিস বেয়ারার নন বলে সভায় জায়গা হয়নি ওড়িশা, পঞ্জাবের প্রতিনিধির। কিন্তু কেন ? কেউ বলছেন, আদালতকে খুশি করতে। যাতে এটা বোঝানো যায় লোধার সুপারিশ কার্বন-কপি মানা হচ্ছে। কিন্তু নিন্দুকরা অন্য কথা বলছেন। বিনোদ রাইদের জমানায় জোহরিকেও না কি কেউ পুরোপুরি যুধিষ্ঠির ভাবতে চান না। কে জানে, কখন কোন প্ল্যান লিক হয়ে যায়। সত্যি বা গল্প যাই হোক, শ্রীনির নিরঞ্জন কিন্তু একসময়ের শিষ্যের হাত দিয়েই হয়ে গেল তাঁর সাধের সাম্রাজ্য থেকে।

First published: 04:20:49 PM Jul 27, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर