বায়না নেই কোনও, পুরুলিয়ার ঢাকি গ্রামে মায়ের আগমনেও জমাট অন্ধকার

বায়না নেই কোনও, পুরুলিয়ার ঢাকি গ্রামে মায়ের আগমনেও জমাট অন্ধকার
হাতেগোনা কয়েকজন সরকারি শিল্পী ভাতা পেলেও অধিকাংশ শিল্পীদেরই জোটে না শিল্পী ভাতা l তাই পুরুলিয়ার ঢাক শিল্পীদের উৎসবের রং যেন ফিকে l

হাতেগোনা কয়েকজন সরকারি শিল্পী ভাতা পেলেও অধিকাংশ শিল্পীদেরই জোটে না শিল্পী ভাতা l তাই পুরুলিয়ার ঢাক শিল্পীদের উৎসবের রং যেন ফিকে l

  • Share this:

    Indrajit Mandal

    #পুরুলিয়া: বাদ্যযন্ত্রে পড়েছে ধুলো l দীর্ঘদিন ডাক পাননি পুরুলিয়ার ঢাক শিল্পীরা l বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবেও বাজার মন্দা, পুরুলিয়া বিখ্যাত ঢাকি গ্রাম বলরামপুর থানার পাড়দ্যা গ্রামের ঢাক শিল্পীদের l এ বছর করোনার কারণেই সবকিছু উলোট পালোট হয়ে গিয়েছে l কলকাতা থেকে লন্ডন, আমেরিকা, প্যারিস থেকেও ডাক আসতো এই গ্রামের ঢাক শিল্পীদের l বছরের এই কয়েকটি দিন ভাল উপার্জন হতো তাঁদের l তবে এ বার মহামারী কেড়ে নিয়েছে সবকিছু l হাতেগোনা কয়েকজন শিল্পী জেলার কয়েকটি মন্ডপে ঢাক বাজানোর ডাক পেলেও পারিশ্রমিক একেবারেই কম l তা দিয়ে সংসার চলবে কি করে, তা নিয়ে চিন্তায় এই গ্রামের ৬০ টি পরিবার l

    জেলার ছোটোখাটো উৎসবেও ডাক পাননি শিল্পীরা l হাতেগোনা কয়েকজন সরকারি শিল্পী ভাতা পেলেও অধিকাংশ শিল্পীদেরই জোটে না শিল্পী ভাতা l তাই পুরুলিয়ার ঢাক শিল্পীদের উৎসবের রং যেন ফিকে l প্রতি বছর পুজোর মরশুমে জেলা ছাড়িয়ে ভিন জেলা ও ভিন রাজ্য থেকেও ডাক পান ঢাকিরা l কিন্তু এ বছর বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা l এ বছর ভিন জেলা থেকে ডাক পাননি তাঁরা l নিজের জেলাতেই ছোট দুর্গা পুজোর ডাক পেয়েছেন কয়েকজন l বাকিদের মাথায় হাত l সবে মিলিয়ে বংশ পরম্পরায় চলে আসা নিজেদের পেশা ধরে রাখতে সংকটে ঢাকি গ্রামের শিল্পীরা l


    কবে স্বাভাবিক হবে সেইদিকেই চেয়ে রয়েছে পুরুলিয়ার ঢাক শিল্পীরা l শারদীয়া উৎসবে এই গ্রামে কার্যত পুরুষশূন্য হয়ে যেত l শিল্পীরা জেলা ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিদেশ পাড়ি দিত কাঁধে ঢাক নিয়ে l উৎসব শেষে বাড়ি ফিরত একমুখ হাসি নিয়ে l শরতের আকাশ কাশফুলের সঙ্গে উমার আরাধনাও হবে করোনা আবহে l শুধু অন্ধকার হয়ে থাকবে ঢাক শিল্পীদের জীবন l

    Published by:Simli Raha
    First published:

    লেটেস্ট খবর