শিশু জন্ম দিলেই হবে না, জানতে হবে সঠিক পরিচর্যার পদ্ধতি!

শিশু জন্ম দিলেই হবে না, জানতে হবে সঠিক পরিচর্যার পদ্ধতি!
Representative Photo

কিন্তু মা এর সেই কোলই কখনো কখনো ধীরে ধীরে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয় কোলের শিশুটিকে । নিজের শিশুর প্রতি অতিরিক্ত স্নেহ কখনো কখনো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে শিশুর জন্য ।

  • Share this:

#বাঁকুড়া: মা এর সামান্য অসচেতনতা ও অসতর্কতা ঘটিয়ে ফেলতে পারে কোলের শিশুর মারাত্মক অঘটন । কেড়ে নিতে পারে ফুলের মতো সেই শিশুর জীবনও । বহু ক্ষেত্রেই মা এর অজান্তেই তাঁর অজ্ঞানতা ক্ষতি করে ফেলে শিশুর ভবিষ্যৎকে । জানা অজানা সেই বিভিন্ন নিয়ম গুলি সম্পর্কে সদ্যজাত শিশুর মা’দের সচেতন করতে এগিয়ে এলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক পড়ুয়ারা । তাঁরা শুধু মা দের সচেতন করলেন তাই নয় হাতে তুলে দিলেন প্রয়োজনীয় খাবার ও পোষাকের প্যাকেটও ।

বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃকোড়ে । এই পৃথিবীতে শিশুদের সবথেকে নিরাপদ আশ্রয় তার মায়ের কোল । কিন্তু মা এর সেই কোলই কখনো কখনো ধীরে ধীরে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয় কোলের শিশুটিকে । নিজের শিশুর প্রতি অতিরিক্ত স্নেহ কখনো কখনো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে শিশুর জন্য । বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার জন্য দায়ী সচেতনতার অভাব । কি করনীয় আর কি করা উচিৎ নয় তা বহু ক্ষেত্রে সদ্যজাতর মা দের বুঝিয়ে দেন না চিকিৎসকরাও । অনেকে নিজে থেকে জানতে গেলে সরকারি হাসপাতালে শিকার হতে হয় চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীদের দুর্ব্যাবহারের । ফলে অনেকের ক্ষেত্রেই অজানা থেকে যায় বিষয়গুলি ।

আরও পড়ুনবুলবুলের ধাক্কায় বিপাকে পরীক্ষার্থীরা

সচেতনতার অভাবে অনেকে পুত্র সন্তানের অন্ধ বাসনায় কন্যা ভ্রুন হত্যা করতেও পিছপা হন না । ফলে সমাজে নারী পুরুষের আনুপাতিক ভারসাম্যে ঘটে বিপর্যয় । মাতৃত্ব জনিত এই সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির দায়ভার এবার তুলে নিলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের একদল পড়ুয়া । ডাক্তারি ও নার্সিং এর ছাত্র ছাত্রীরা এদিন হাসপাতালের পোস্ট নেটাল ওয়ার্ডে গিয়ে সন্তানের সদ্য জন্ম দেওয়া মা দের কাছে গিয়ে বুঝিয়ে বলেন সন্তানের মাতৃ দুগ্ধ পানের গুরুত্ব । বুঝিয়ে বলেন সয়াবিন বা সুজির মতো সহজলভ্য সস্তার খাবারের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে পুষ্টির ভান্ডার । জানিয়ে দেন শিশুকে সুস্থ রাখতে পরিচ্ছন্নতার সাত সতেরো । সন্তানের জন্ম দেওয়া মা দের হাতে তুলে দেন পুষ্টিকর খাবার , শিশুর পোষাক ও একটি করে মেহগনি গাছের চারা । এই উদ্যোগ কিছুটা হলেও চিকিৎসকদের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি করল সদ্য সন্তানের জন্ম দেওয়া মা দের ।

First published: 06:03:35 PM Nov 14, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर