Digha Famous Market: দিঘার 'প্রাণকেন্দ্র' এই মার্কেটের করুণ হাল, জলজট আর অন্ধকারে ভুগছে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ

Last Updated:

দিঘার সবচেয়ে বড় এই বাজারটির নামকরণ হয়েছিল ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর স্মৃতিতে। পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ এই নেহরু মার্কেট।

+
বেহাল

বেহাল অবস্থা দিঘার নেহেরু মার্কেটের

দিঘা, পূর্ব মেদিনীপুর, মদন মাইতি: দিঘার পর্যটন মানচিত্রে যেমন সমুদ্র সৈকত সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, তেমনই কেনাকাটার জন্য পরিচিত নেহরু মার্কেট। তিন দশকেরও বেশি পুরানো এই বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমায়। পর্যটক থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে ঝিনুকের সামগ্রী, সবকিছুই পান এখান থেকে। কিন্তু প্রচুর দোকানপাট ও মানুষের ভিড় সত্ত্বেও এই বিশাল বাজারে নিকাশি থেকে আলোর ব্যবস্থা, সব ক্ষেত্রেই রয়েছে গুরুতর সমস্যা। ভারী বৃষ্টি হলেই বাজারে হাঁটু সমান জল জমে যায়, আর সেই ভোগান্তির শিকার হন ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই।
আরও পড়ুনঃ দূষণ রোধে বড় ভূমিকা নেবে পুলিশ! ‘এই’ জেলার জন্যে ইন্ডিয়ান অয়েলের ৩৩ লক্ষ টাকার উদ্যোগ, ঠিক কী ঘটছে জানুন
দিঘার সবচেয়ে বড় এই বাজারটির নামকরণ হয়েছিল ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর স্মৃতিতে। জানা যায়, একসময় এই জায়গাটি ছিল খেলার মাঠ। নেহরু দিঘায় এসে জনসভা করেছিলেন, সেখান থেকেই মাঠটির নাম হয় ‘নেহরু ময়দান’। পরে ডিএসডিএ-র অধীনে এলাকা চলে আসার পর ময়দানে গড়ে ওঠে এই বাজার। বর্তমানে এখানে ডিএসডিএ কর্তৃক নির্মিত প্রায় ৩০০টি স্থায়ী স্টল রয়েছে। তার সঙ্গে আরও প্রায় ২০০টি দোকান ও পসরা প্রতিদিন বসে। যেখানে বিক্রি হয় সবজি, মাছ, মাংস-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। এছাড়া পর্যটকদের আকর্ষণ করে ঝিনুকের তৈরি নানারকম সামগ্রীও।
advertisement
আরও পড়ুনঃ কোটি কোটি টাকার কর আদায় বাকি ‘এই’ পৌরসভায়, পুজোর পর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি, বিরোধীদের চাঁচাছোলা কটাক্ষের মুখে তৃণমূল
তবে বাজারটিতে বহু সমস্যা রয়েছে। তিন দশক আগে বাজার চত্বরে ইট বিছিয়ে চাতাল তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এখন সেই চাতালের অনেক জায়গায় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সেই গর্তে জল জমে থাকে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। ভারী বৃষ্টি হলেই বাজারের মধ্যস্থলে হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়, যা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্য ভোগান্তির কারণ। ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েন কারণ অনেক সময় জল উঠে আসে দোকান ও পসরায়। নিজেদের মতো করে সমস্যা সমাধানে অনেক ব্যবসায়ী চৌকি পেতে তার উপর বাঁশের কাঠামো দিয়ে ত্রিপলের ছাউনি বানিয়েছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি, বরং ক্রেতাদের বাজারহাট করতে হয় প্রবল অসুবিধার মধ্যে।
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এছাড়াও, বাজারে আলোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। সন্ধ্যার পর অন্ধকারে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও কেনাবেচা দু’টোই কঠিন হয়ে ওঠে। অথচ প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এখানে আসেন। ফলে একদিকে, এই বাজার দিঘার ব্যবসা ও পর্যটনের প্রাণকেন্দ্র হলেও, অন্যদিকে অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে তার পরিচিতি ধীরে ধীরে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
advertisement
দিঘার অর্থনীতি ও পর্যটনের অন্যতম স্তম্ভ এই নেহরু মার্কেট। কিন্তু অব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত দুর্বলতা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের অভিজ্ঞতাকে নষ্ট করছে। স্থানীয় মানুষের দাবি, দ্রুত বাজারে আধুনিক নিকাশি ও আলোর ব্যবস্থা করা হোক। যাতে দিঘার পর্যটনশিল্পের সঙ্গে মানানসই হয়ে ওঠে এই ঐতিহ্যবাহী বাজার। উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নেওয়া গেলে নেহরু মার্কেট শুধু দিঘার নয়, সমগ্র পূর্ব মেদিনীপুরের একটি মডেল মার্কেট হয়ে উঠতে পারে।
Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে  ক্লিক করুন এখানে ৷ 
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
Digha Famous Market: দিঘার 'প্রাণকেন্দ্র' এই মার্কেটের করুণ হাল, জলজট আর অন্ধকারে ভুগছে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ
Next Article
advertisement
Burdwan News: বর্ধমান মাতালেন ব্যারেটো বাইচুং, ইস্ট মোহনের লড়াইয়ে জিতল কারা?
বর্ধমান মাতালেন ব্যারেটো বাইচুং, ইস্ট মোহনের লড়াইয়ে জিতল কারা?
  • বর্ধমান মাতালেন হোসে রামিরেজ ব্যারেটো এবং বাইচুং ভুটিয়া। তাঁদের নাম এখনও ফুটবল প্রেমীদের মুখে মুখে ফেরে। সেই কিংবদন্তি ফুটবলারদের অতীত দিনের ঝলক আবার দেখা গেল বর্ধমানে। মাঠভর্তি দর্শক উপভোগ করল তাঁদের উদ্যম, উদ্দীপনা।

VIEW MORE
advertisement
advertisement