ধান খেয়ে ফেলায় অবলা ষাঁড়কে কুড়ুল দিয়ে কোপালেন জমির মালিক !

ধান খেয়ে ফেলায় অবলা ষাঁড়কে কুড়ুল দিয়ে কোপালেন জমির মালিক !
representative image

বাড়ি থেকে কুড়ুল নিয়ে এসে ষাঁড়টি পায়ে কোপ মারে। বুধবার রাতভর ওই জমির পাশে পড়ে কাতরাতে থাকে জখম ষাঁড়টি

  • Share this:

#দেগঙ্গা: বেশ কয়েক কাটা জমির ধানগাছ খেয়ে ফেলেছিল গ্রামের ভবঘুরে ষাঁড়। ক্ষোভে জমির মালিক প্রথমে তাঁকে লাঠিপেটা করে। পড়ে ষাঁড়টি পালাতে গেলে কুড়ুঁলের কোপ বসানো হয় তাঁর পায়ে।গভীর ক্ষত হয় ষাঁড়টির সামনের একটি পা। রক্তাক্ত অবস্থায় সে লুটিয়ে পড়ে জমিতে। রাতভর সেখানেই কাঁতরাতে থাকে ষাঁড়টি। অবলা পশুর অমানবিক মারের প্রতিবাদ জানায় স্থানীয় মানুষজন। তাদের চাপে পড়ে অবশেষে ভুল স্বীকার করে জমির মালিক। জমি থেকে তুলে বাড়ির সামনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সে। ঘটনাটি ঘটেছে দেগঙ্গার চৌরাশি বাসুদেবপুর মল্লিক পাড়ায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, সাত বছর আগে গ্রামের মধ্যে একটি ষাঁড় ছেড়ে দিয়ে যায় কে বা কারা। তারপর থেকে ওই গ্রামে বেড়ে ওঠা। একদিক ওদিক ঘুরলেও মাঝে মধ্যে কৃষি জমির ফসল থেকে সবজী খেয়ে নেয় সে। বুধবার সকাল জাহাঙ্গীর মল্লিকের ধানের জমিতে ঢোকে ষাঁড়টি। খেয়ে নেয় ধান গাছ। এ খবর পেয়ে ছুটে আসেন জাহাঙ্গীর ও তাঁর ছেলে। আবেদ আলি নামে এক বৃদ্ধ চাষি বলেন, ষাঁড়টি ধান গাছ খেয়েছে বলে লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে জাহাঙ্গীরের ছেলে। আর জাহাঙ্গীর বাড়ি থেকে কুড়ুল নিয়ে এসে ষাঁড়টি পায়ে কোপ মারে। বুধবার রাতভর ওই জমির পাশে পড়ে কাতরাতে থাকে জখম ষাঁড়টি। যা স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে ক্ষোভ জন্মায়। জখম ষাঁড়টি চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে জাহাঙ্গীরকে দাবি তোলে তাঁরা। অবশেষে বৃহস্পতিবার জমি থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে জাহাঙ্গীর। যদিও ওই ব্যক্তি স্বীকার করেননি কুড়ুল দিয়ে মারার কথা।

First published: August 8, 2019, 10:55 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर