হোম /খবর /পূর্ব বর্ধমান /
দামোদরের চরে বালি দিয়ে নিজের শিল্পীসত্তাকে তুলে ধরলেন পূর্ব বর্ধমানের রঙ্গাজীব

East Bardhaman News- দামোদরের চরে ৫০ মিটার দীর্ঘ বালি-শিল্প তৈরি করলেন রঙ্গাজীব

মানসিক অবসাদ যাতে না বাড়ে তার জন্য নিজের শিল্প কাজে ব্যস্ত পূর্ব বর্ধমানের রঙ্গাজীব রায়

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান : করোনা পরিস্থিতিতে নাজেহাল বিশ্ব তথা ভারতবর্ষ। ওয়ার্ক ফ্রম হোম করে হাপিয়ে উঠেছেন অনেকেই। মানসিক অবসাদে ভুগছেন বহু মানুষ। এই পরিস্থিতিতে মানসিক অবসাদ যাতে না বাড়ে তার জন্য নিজের শিল্পের কাজে ব্যস্ত পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীর একটি কলেজের ফাইন আর্টসের শিক্ষক রঙ্গাজীব রায় (East Bardhaman News)। দামোদর নদের বালির চরে শিল্পকর্ম (ভাস্কর্য) ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রায় ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি মডেল তৈরি করেন রঙ্গাজীব বাবু।

পুরী, দীঘা, গোয়ার মত সমুদ্র সৈকতে দেখা যায় বালি আর্ট বা ভাস্কর্য শিল্প। বালি দিয়ে শিল্পীরা তৈরি করে থাকেন নানা ধরণের ভাস্কর্য। এবার সেই একই চিত্র দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের দামোদর নদের তীরে (East Bardhaman News)। নিজের শিল্পকলাকে সকলের সামনে তুলে ধরতে, নদীর তীরে বালির দ্বারা শিল্প ফুটিয়ে তুললেন বিশিষ্ট শিল্পী রঙ্গাজীব রায়। আর সেই শিল্পকলা দেখতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন জায়গার মানুষ। লাল কাপড় সুত, দেশলাই কাঠি দিয়ে তৈরি করেছেন এই অভিনব টেম্পলটি। যদিও তৈরি করার পরে বৃষ্টির কারণে ভেঙে যায় বলে একটু মন খারাপও হয়েছিল শিল্পী রঙ্গাজীব বাবুর।

শিল্পী রঙ্গোজীব রায় জানান, তিনি একজন আর্ট পেন্টিংয়ের অধ্যাপক। ভয়াবহ করোনাকালে কার্যত ঘর বন্ধি হয়ে রয়েছেন তিনি। তাই বসে না থেকে বাড়ির পাশে দামোদর নদের তীরে প্রাচীন কালের নিদর্শন সভ্যতা তুলে ধরলেন (East Bardhaman News)। দুদিনে গোটা ভাস্কর্য নির্মাণ করেন তিনি। রঙ্গাজীব বাবুর দাবি, "অনেক ছাত্রছাত্রী, অভিভাবকদের দেখছি, করোনা-কালে মানসিক সমস্যায় পড়ছেন। অবসাদে ভুগছেন। অনেকেই নিজের শিল্প-সত্তাকে হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁদের এই শিল্পকর্মের ছবি পাঠিয়ে দিচ্ছেন"।

রঙ্গাজীবের সঙ্গী তথা ভাই কৃষ্ণ বলেন, "ছোট থেকেই দাদা শিল্প নিয়েই থাকে। দাদার কাজের সঙ্গে থাকতে পেরে ভাল লাগছে"।

Malobika Biswas

Published by:Samarpita Banerjee
First published:

Tags: Damodar River, East Bardhaman, Sand Art