মৃত্যুর পরের দুনিয়া দেখে এলেন এক মহিলা! ‘স্বর্গে’ মা-বাবার দেখা মেলেনি, শুধু এর সঙ্গেই দেখা হল
- Published by:Siddhartha Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
১৯৯০ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে প্যামেলা চার দিন ধরে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ছিলেন। তার শরীরে ইন্টারনাল ব্লিডিং হচ্ছিল, যার কথা তিনি জানতেন না। হঠাৎ তিনি বাড়িতে পড়ে যান এবং তাঁর শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।
মৃত্যুর পরে কী হয়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু নর্থ ক্যারোলিনা-র প্যামেলা ন্যান্স নিজেই এই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়ে একটা অদ্ভুত গল্প শুনিয়েছেন।
১৯৯০ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে প্যামেলা চার দিন ধরে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ছিলেন। তার শরীরে ইন্টারনাল ব্লিডিং হচ্ছিল, যার কথা তিনি জানতেন না। হঠাৎ তিনি বাড়িতে পড়ে যান এবং তাঁর শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। ডাক্তাররা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন, কিন্তু চার দিন পরে তিনি অলৌকিকভাবে ফিরে আসেন। তিনি এই চার দিনের অভিজ্ঞতা নেটিজেনদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন।
advertisement
advertisement
দ্বিতীয় দুনিয়ায় পৌঁছে গিয়েছিল:
প্যামেলা তাঁর ‘নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স’ (NDE) স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে শেয়ার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যেই মুহূর্তে তাঁর আত্মা শরীর থেকে আলাদা হল, তিনি এক সুন্দর উপত্যকায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেখানে ছিল এক বিশাল ‘ট্রি অফ লাইফ’। চারপাশে সবুজ গাছ, ফুল আর অসীম শান্তি ছিল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় ছিল, সেখানে তিনি তার কোনও পরিবারের আত্মীয়কে পাননি– না মা, না বাবা, না কোনও পরিবারের সদস্য। কিন্তু হঠাৎ করে কিছু জানোয়ারের একটা দল তাঁর সামনে এসে দাঁড়ায়। সব জানোয়ার ভালবাসা আর নিঃশর্ত স্নেহে ভরা ছিল। তারপর জানোয়ারগুলো রাস্তা ছেড়ে দেয় আর তার সামনে আসে তাঁর প্রিয় পোষ্য ‘হোলি’। হোলি কয়েক ঘণ্টা আগেই মারা গিয়েছিল। প্যামেলা বলেছিলেন, হোলিকে দেখে তিনি অপার খুশি পেয়েছিলেন। দু’জনের দেখা হওয়া ছিল খুবই আবেগপূর্ণ।
advertisement
ফিরে এলেন আবার:
এই অভিজ্ঞতা শুধু কিছু মুহূর্তের ছিল, কিন্তু প্যামেলা-র মনে হয়েছিল অনেক সময় কেটে গিয়েছে। পরে ডাক্তাররা ওনাকে আবার ফিরিয়ে আনেন। যখন উনি জ্ঞান ফিরে পান, তখন উনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের পরিবারকে বলেন যে, উনি স্বর্গের মতো জায়গায় শুধু হোলি-কে পেয়েছেন। মা-বাবা বা অন্য আত্মীয়স্বজন কেন দেখেননি, তার উত্তর ওঁর কাছেও নেই। প্যামেলার এই কাহিনি এখন ইউটিউব আর সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, পশুদের ভালবাসা মানুষের থেকে বেশি পবিত্র হয়, তাই মৃত্যুর পরও আগে ওরাই দেখা দেয়। আবার কেউ কেউ এটাকে শুধু ব্রেন-এর অ্যাক্টিভিটি বা হ্যালুসিনেশন বলছেন। ‘নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স’ নিয়ে রিসার্চ করা বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন অভিজ্ঞতা সারা পৃথিবীতে হাজার হাজার মানুষ জানিয়েছেন। কয়েকটিতে আলোর সুড়ঙ্গ, জীবনের অভিজ্ঞতার কথা বা প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা বলা হয়।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Apr 02, 2026 11:10 AM IST
বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
মৃত্যুর পরের দুনিয়া দেখে এলেন এক মহিলা! ‘স্বর্গে’ মা-বাবার দেখা মেলেনি, শুধু এর সঙ্গেই দেখা হল








