Burj Khalifa : পৃথিবীর সব থেকে উঁচু ইমারত! বুর্জ খলিফার ভিতরে আছেটা কী? কেন দুবাই বিশাল এই টাওয়ার বানিয়েছিল? চমকে যাবেন শুনে
- Published by:Suman Majumder
Last Updated:
বুর্জ খলিফা দুবাইয়ের পরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে এটি। প্রায় ৮২৮ মিটার উঁচু এই টাওয়ার শুধু অসাধারণ স্থাপত্যের উদাহরণই নয়, বরং এটি দুবাইয়ের অর্থনীতির উন্নয়নের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়। ২০১০ সালে উদ্বোধনের পর থেকে এই ইমারত সারা বিশ্বের পর্যটকদের বড় আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। তবে খুব কম মানুষই জানেন, এটি নির্মাণের আসল উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর ভেতরে কী কী রয়েছে!
নয়াদিল্লি : বুর্জ খলিফা পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ইমারত। দুবাই-এর পরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে এটি। প্রায় ৮২৮ মিটার উঁচু এই টাওয়ার শুধু অসাধারণ স্থাপত্যের উদাহরণই নয়, বরং এটি দুবাইয়ের অর্থনীতির উন্নয়নের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়। ২০১০ সালে উদ্বোধনের পর থেকে এই ইমারত সারা বিশ্বের পর্যটকদের বড় আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। তবে খুব কম মানুষই জানেন, এটি নির্মাণের আসল উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর ভেতরে কী কী রয়েছে!
বুর্জ খলিফা নির্মাণের সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য ছিল ডাউনটাউন দুবাই-কে একটি বিশ্বব্যাপী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। সরকার চেয়েছিল এখানে এমন একটি ল্যান্ডমার্ক তৈরি হোক যা সারা বিশ্বের পর্যটক, বিনিয়োগকারী ও কোম্পানিগুলিকে আকর্ষণ করবে। আসলে দুবাই-এর অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে তেলের উপর নির্ভরশীল ছিল। তাই সরকার এমন একটি প্রকল্প তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়, যা রিয়েল এস্টেট, পর্যটন ও বাণিজ্যকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
advertisement
advertisement
বুর্জ খলিফাকে একটি “ভার্টিক্যাল সিটি” বা উল্লম্ব শহর হিসেবে তৈরি করা হয়—যেখানে একই ভবনের ভেতরে হোটেল, বাসস্থান, অফিস, রেস্তোরাঁ এবং পর্যটন আকর্ষণ সবকিছুই একসঙ্গে রয়েছে।
বুর্জ খলিফা-এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৪ সালে। এটি ডিজাইন করেছিল বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান Skidmore, Owings & Merrill। এর প্রধান স্থপতি ছিলেন এড্রিয়ান স্মিথ এবং কাঠামো তৈরির দায়িত্বে ছিলেন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার বিল বেকার। প্রায় ৫.৫ বছরে এই বিশাল ভবনের নির্মাণ সম্পন্ন হয়। অক্টোবর ২০০৯-এ এটি প্রস্তুত হয়।
advertisement
এই ইমারতের বাইরের অংশে প্রায় ২৬,০০০টি গ্লাস প্যানেল লাগানো হয়েছে। প্রতিটি প্যানেলের ওজন প্রায় ৩৬২ কেজি। ৫১২ মিটার উচ্চতায় অ্যালুমিনিয়াম ও গ্লাস বসানোর মাধ্যমে একটি বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়। ভবনের উপরের টেলিস্কোপিক স্পায়ার প্রায় ৪০০০ টন স্টিল দিয়ে তৈরি।
আরও পড়ুন- ভারতের কোন শহরকে বিশ্বের পাটের রাজধানী বলা হয়? চট করে বলতে পারবেন না অনেকেই
ভবনটিতে প্রতিদিন প্রায় ৯.৪৬ লক্ষ লিটার জল সরবরাহ করা হয়। এখানে রয়েছে ৫৭টি লিফট এবং ৮টি এস্কেলেটর রয়েছে। এই সব আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশাল পরিকাঠামোর কারণে বুর্জ খলিফা আজ শুধু একটি ইমারত নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তি ও স্থাপত্যের এক বিস্ময়।
advertisement
রিপোর্ট অনুযায়ী, বুর্জ খলিফা নির্মাণে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল। ইমারতের নাম রাখা হয়েছে খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সম্মানে। শুধুমাত্র প্রবেশ টিকিট থেকেই প্রতি বছর প্রায় ৬২১ মিলিয়ন ডলার আয় হয়।
২০১০ সালের পর থেকে এখানকার আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি করে প্রায় ২.১৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। ভবনের ভেতরে থাকা ৭৬%-এর বেশি বাড়ির দাম ১ মিলিয়ন ডলারের বেশি। প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক এখানে ঘুরতে আসেন, যার ফলে দুবাইয়ের পর্যটন ও ব্যবসা—দুটো ক্ষেত্রই লাভবান হয়।
advertisement
বুর্জ খলিফার ভিতরে রয়েছে নানা ধরনের লাক্সারি সুবিধা। আর্মানি হোটেল দুবাই (Armani Hotel Dubai) – ১ম থেকে ৮ম তলা পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রায় ৯০০+ লাক্সারি অ্যাপার্টমেন্ট – ব্যক্তিগত এবং প্রাইভেট লাইফের জন্য। কর্পোরেট অফিস ও বিজনেস স্যুট – বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য। স্পা, জিম, সুইমিং পুল – বিনোদন ও স্বাস্থ্যের জন্য। অবজার্ভেশন ডেক – ১২৪, ১২৫ এবং ১৪৮ তলা থেকে শহরের দৃশ্য দেখার সুযোগ।
advertisement
এই সমস্ত সুবিধার কারণে বুর্জ খলিফা শুধু একটি ভবন নয়, এটি একটি স্বপ্নের লাক্সারি কমিউনিটি ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। বার্জ খলিফা শুধুমাত্র একটি ইমারত নয়, এটি একটি সম্পূর্ণ ভার্টিকাল শহর। At.mosphere রেস্টুরেন্ট ১২২তম তলায় অবস্থিত, এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা রেস্টুরেন্ট। এখানে বসে মানুষ দুবাইয়ের অসাধারণ দৃশ্যের সঙ্গে খাবারের অভিজ্ঞতা উপভোগ করে।
advertisement
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Mar 11, 2026 5:10 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
Burj Khalifa : পৃথিবীর সব থেকে উঁচু ইমারত! বুর্জ খলিফার ভিতরে আছেটা কী? কেন দুবাই বিশাল এই টাওয়ার বানিয়েছিল? চমকে যাবেন শুনে











