• Home
  • »
  • News
  • »
  • off-beat
  • »
  • কী করে বুঝবেন আপনারা রাজযোজট ?

কী করে বুঝবেন আপনারা রাজযোজট ?

দাম্পত্য জীবনে নারী- পুরুষ উভয়েরই বিশেষ ভাবে প্রয়োজন। আর একেই যোটক বিচার বলে। মোট ৩৬টি গুনের মধ্যে ১৮টি গুনের ঊর্ধ্বে হলে বিবাহ সমর্থনযোগ্য হয়। যদি দম্পতির মধ্যে এই গুন ১৮টির বেশি থাকে তাহলে বুঝতে হবে সেই দম্পতি রাজযোটক ৷

দাম্পত্য জীবনে নারী- পুরুষ উভয়েরই বিশেষ ভাবে প্রয়োজন। আর একেই যোটক বিচার বলে। মোট ৩৬টি গুনের মধ্যে ১৮টি গুনের ঊর্ধ্বে হলে বিবাহ সমর্থনযোগ্য হয়। যদি দম্পতির মধ্যে এই গুন ১৮টির বেশি থাকে তাহলে বুঝতে হবে সেই দম্পতি রাজযোটক ৷

দাম্পত্য জীবনে নারী- পুরুষ উভয়েরই বিশেষ ভাবে প্রয়োজন। আর একেই যোটক বিচার বলে। মোট ৩৬টি গুনের মধ্যে ১৮টি গুনের ঊর্ধ্বে হলে বিবাহ সমর্থনযোগ্য হয়। যদি দম্পতির মধ্যে এই গুন ১৮টির বেশি থাকে তাহলে বুঝতে হবে সেই দম্পতি রাজযোটক ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: এমন দাম্পত্য দেখেও যেন দৃষ্টিসুখ হয় ৷ তাঁরাই হন রাজযোটক, যাঁদের মনের সুর থাকে এক তারে গাঁথা ৷ তাঁদের প্রেম-ভালবাসা হয় অত্যন্ত মধুর ৷ আজীবন সুখী হয় এমন দাম্পত্য ৷ এই যে মন নিয়ে এত কথা বলা হল, জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই মন চন্দ্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। রাশিচক্রে চন্দ্র কতটা ভালোভাবে অবস্থান করে তার ওপর নির্ভর করে সু-মনের সমস্ত চাবিকাঠি। এই অর্থে বলা উচিত দাম্পত্য জীবনে নারী- পুরুষ উভয়েরই বিশেষ ভাবে প্রয়োজন। আর একেই যোটক বিচার বলে। মোট ৩৬টি গুনের মধ্যে ১৮টি গুনের ঊর্ধ্বে হলে বিবাহ সমর্থনযোগ্য হয়। যদি দম্পতির মধ্যে এই গুন ১৮টির বেশি থাকে তাহলে বুঝতে হবে সেই দম্পতি রাজযোটক ৷ এই বিচারকে অষ্টকূট বিচারও বলে। এই অষ্টকূট নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে অষ্টকূট বিচারের ফল। যথা – • বর্নকূট • বশ্যকূট • তারাকূট • যোনিকূট • মৈত্রীকূট • গনমৈত্রীকূট • রাশিকূট • ত্রিনাড়ীকূট।

    আরও পড়ুন: বেডরুমে এই নিয়মগুলো মানুন, দাম্পত্য হবে প্রেমময়

    এই অষ্টকূট বিচার বিগত কয়েক হাজার বছর পুরনো। জ্যোতিষশাস্ত্রের মাধ্যমে সে যুগে (আনুমানিক ছয় থেকে সাড়ে সাত হাজার বছর আগে)পণ্ডিত ব্যক্তি বর্গ বিধান দিয়েছিলেন কিভাবে দাম্পত্যজীবন যাপন করা যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র কিন্তু মনুষ্য জীবনকে সম্পৃক্ত করেই এগিয়ে চলে। এখানে কোনও দ্বিমত নেই। তাই ভাগ্যকে তুড়ি মেরে উরিয়ে না দিয়ে জন্মসময় থেকে ভাগ্য কী কথা বলে তা জেনে সেইমতো পথে চললে বিশেষ উপকার হবে । অর্থাৎ সুখী দম্পতি হওয়া সম্ভব ও সুস্থ সুন্দর নতুন প্রজন্মকেও আহ্বান করা সম্ভব। স্বামী-স্ত্রী যদি দ্বিমত, দ্বিপথ, দ্বিচারিতায় ভরপুর থাকে তাহলে উৎপন্ন ফসল (সন্তান) হয় বড্ড তেতো। যা কিনা ভবিষ্যতে শুধু সংসার নয়, গোটা সমাজের শত্রু তথা অবাঞ্ছিত জীব হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রয়োজন শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ-সুন্দর সহাবস্থান। আর এই ব্যবস্থা একমাত্র জ্যোতিষের মাধ্যমেই সম্ভব। সুখী দাম্পত্যজীবনের জন্য প্রয়োজন একটা সুস্থ সুন্দর মন, এই মন থেকেই উৎপন্ন হয় সুস্থ সুন্দর মানসিকতা যা কিনা সাহায্য করে দাম্পত্যজীবনকে সুখে, আনন্দে, সোহাগে, পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

    First published: