বিদ্যুতের বকেয়া ৫ কোটি টাকা, তাও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ভয় পাচ্ছে WBSEDCL !

গ্রেটার সমর্থকদের আন্দোলনে আরও এক সংযোজন বিদ্যুতের বিল না দিয়ে প্রতিবাদ

গ্রেটার সমর্থকদের আন্দোলনে আরও এক সংযোজন বিদ্যুতের বিল না দিয়ে প্রতিবাদ

  • Share this:

    #কোচবিহার: কয়েকহাজার গ্রেটার কোচবিহার সমর্থক বলছেন, তাঁরা বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও বিল দেবেন না। কোচবিহারের রাজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী তাঁদের দেখভালের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের। নোটিশ ধরিয়েও লাভ হয়নি। শুধুমাত্র মাথাভাঙা মহকুমাতেই বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ভয় পাচ্ছে WBSEDCL।

    কখনও অবরোধ। কখনও রক্ত। গ্রেটার কোচবিহার আন্দোলনে বারবার অশান্ত হয়েছে উত্তরবঙ্গ। এবার গ্রেটার সমর্থকদের আন্দোলনে আরও এক সংযোজন বিদ্যুতের বিল না দিয়ে প্রতিবাদ ৷

    ২০১৬ থেকে বিদ্যুতের বিল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে কয়েক হাজার গ্রেটার সমর্থক। মাথাভাঙা মহকুমার বেশিরভাগ অংশজুড়ে থাকেন গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা বংশীবদন বর্মনের অনুগামীরা। তাঁদের দাবি, তাঁরা বিদ্যুতের বিল দেবেন না। কোচবিহার জেলা প্রশাসনকে মিছিল করে তাঁরা সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ দফতর নোটিস ধরানোর পরও কাজ হয়নি। জেলাজুড়ে বিদ্যুতের বকেয়া বিল দাঁড়িয়েছে কয়েক কোটি টাকা।

    আরও পড়ুন 

    Atal Bihari Vajpayee : বাংলার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য যোগ, বাঙালি ছেলের সঙ্গেই একমাত্র মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন ‘অবিবাহিত’ বাজপেয়ী

    মাথাভাঙা মহকুমায় বিদ্যুতের বকেয়া বিল ৫ কোটি টাকা ৷ বিল দিতে নারাজ বাসিন্দারা ৷ গ্রেটার সমর্থকদের যুক্তি,

    - কোচবিহার একসময় ‘গ’ শ্রেণির রাজ্য ছিল - কোচবিহার রাজার সঙ্গে ভারত সরকারের চুক্তি হয় - সেইমত তাঁদের দেখভালের দায়িত্ব কেন্দ্রের - তাই গ্রেটার সমর্থকরা রাজ্যের বিদ্যুতের বিল দেবেন না - ১৯৫০ সালে পশ্চিমবঙ্গের জেলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় কোচবিহার

    মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে গ্রেটার নেতা বংশীবদন বর্মন রাজবংশী উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে বসলেও পরিস্থিতি বদলায়নি। গ্রেটার সমর্থকদের দাবি, রাজার সম্পত্তি থেকে বিল কেটে নেওয়া হোক। এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে বিদ্যুৎ দফতর।

    আরও পড়ুন 

    ড্রিম গার্ল হেমা মালিনীর ভক্ত ছিলেন বাজপেয়ী, ‘সীতা অউর গীতা’ দেখেছিলেন ২৫ বার

    কোচবিহার জেলার অন্য বাসিন্দাদের কথা মাথায় রেখে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারছে না বিদ্যুত দফতর। সমস্ত বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, এখন সেটাই দেখার।

    First published: