নামছে গ্রাফ, সতর্ক প্রশাসন, দার্জিলিং সংলগ্ন ১৮টি এলাকাকে কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা

পাহাড়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে কড়া ব্য়বস্থা।

আগামী ৭ দিন অর্থাৎ ২৩ জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কড়াবিধি নিষেধ জারি থাকবে। প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হবে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: গ্রাফ অনেকটাই নেমেছে। তবুও সতর্ক এবং সাবধানতার সঙ্গেই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে চাইছে প্রশাসন। একেবারেই ঢিলেঢালা নয়, সংক্রমণের গ্রাফ আরো নামাতেই এবারে জেলাওয়ারি কনটেইনমেন্ট জোন করা হবে বলে গতকালই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কনটেইনমেন্ট জোনগুলোতে আরো বেশি কড়াকড়ি করবে প্রশাসন। বাডানো হবে নজরদারি। গতবার করোনার প্রথম ঢেউয়ের শুরুতে কনটেইনমেন্ট জোন চালু ছিল। ফের এবারে কনটেইনমেন্ট জোনের পথে হাঁটছে প্রশাসন। আজ দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এক নির্দেশিকায় জানিয়েছেন, পাহাড় ও সমতল মিলিয়ে ১৮টি কনটেইনমেন্ট জোন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিন অর্থাৎ ২৩ জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কড়াবিধি নিষেধ জারি থাকবে। প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হবে।

জেলার কোন কোন এলাকা এর আওতায় থাকছে? সমতলের শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৫ ও ৪৬ নং ওয়ার্ডের একাংশে। ৪৫ নং ওয়ার্ডের প্রধাননগরের বাঘাযতীন কলোনীর ৮ নং গলি এবং ৪৬ নং ওয়ার্ডের চম্পাসারির বিদ্যানগর কলোনীর ১০০ মিটার এলাকা। মাটিগাড়া ব্লকের ৪ জায়গাকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। মাটিগাড়ার কদমতলা (দূর্গা মন্দির সংলগ্ন), বিধান পল্লি, নারায়ন পল্লি, কাওয়াখালি, টুম্বা জোত এবং উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের  ১ নং গেট সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। অন্যদিকে দার্জিলিং, কার্শিয়ং এবং মিরিক মহকুমার ১২টি জায়গাকে কনটেইনমেন্ট জোন করা হয়েছে। জোরবাংলো-সুখিয়াপোখরি ব্লকের গোরাবাড়ি, রংলি রংলিয়েতের লাবধা, রংচং, রিশপ, রংলি, পুবং রামপুরিয়া, পুলবাজারের কেইনজল্লা বাজার, গোক ১ নং এলাকা এবং মিরিকের পহেলাগাঁও, কার্শিয়ংয়ের সিটং ৩ নং এলাকা এর আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

জেলাশাসক জানান, সংশ্লিষ্ট ১৮টি জোনে কড়া নজরদারি রাখা হবে। নতুন করে যাতে কোভিড সংক্রমণ না ছড়িয়ে পড়ে, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে প্রশাসন। কার্যত "কড়া লকডাউন" থাকবে এলাকাগুলোয়।এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলের শিলিগুড়ি পুরসভা এবং চারটি ব্লকে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৭৮ জন। এর মধ্যে পুর এলাকাতেই ৭৮ জন। পাহাড়ে সংক্রমিত ৪০ জন এবং সমতলের চার ব্লকে আক্রান্ত ৬০ জন। গতকালের চেয়ে কিছুটা কম। এদিন সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৮৬ জন! যা অনেকটাই স্বস্তির!

Published by:Arka Deb
First published: