দীপাবলির আগে চা বলয়ের শ্রমিক মহল্লায় নতুন পোশাক নিয়ে হাজির ওরা, হাসি ফুটেছে শ্রমিক পরিবারের মুখে

দীপাবলির আগে চা বলয়ের শ্রমিক মহল্লায় নতুন পোশাক নিয়ে হাজির ওরা, হাসি ফুটেছে শ্রমিক পরিবারের মুখে

আলোর উৎসবে ওদের মুখেও হাসি ফোটাতে এগিয়ে এল মাটিগাড়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সদস্যরা।

আলোর উৎসবে ওদের মুখেও হাসি ফোটাতে এগিয়ে এল মাটিগাড়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সদস্যরা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। এবার আর দীপাবলি মানে আতস বাজি বা শব্দ বাজি নয়। করোনা আক্রান্তদের কথা মাথায় রেখেই সব ধরনের বাজি নিষিদ্ধ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যও বাজি পোড়াতে মানা করেছে। রাজ্যের কোনও জেলাতেই আর বাজি বাজার বসছে না। রাজ্যজুড়ে এই বছর আলোর রোশনাইয়ের মধ্য দিয়ে উৎসব পালিত হবে। দীপাবলির আলো, ঘরে ঘরে জ্বালো। এটাই এবারে উৎসবের মূল মন্ত্র। এতে বাঁচবে প্রকৃতি। ঝুঁকি কমবে করোনা আক্রান্তদেরও।

আলোর উৎসবে ওদের মুখেও হাসি ফোটাতে এগিয়ে এল মাটিগাড়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সদস্যরা। শারোদৎসবে হয়নি তো কী হয়েছে, কালী পুজায় ওদের গায়েও উঠবে নতুন জামা। আজ, বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির মেরিভিউ চা বাগানের লোহা সিং ডিভিশনে পৌঁছে যান ওয়েলফেয়ারের সদস্যরা। সঙ্গে নতুন পোশাকের ডালি নিয়ে। কোভিড বিধি মেনে চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের লোকেদের হাতে তুলে দেওয়া হয় কালী পুজার আগে নতুন জামা, কাপড়। যা পেয়ে আনন্দের হাসি ফুটেছে শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের মুখে।

শারোদৎসবে ওদের গায়ে ওঠেনি নতুন পোশাক। তাই কালী পুজায় অন্য আনন্দে মেতে ওঠার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে ওরা। শুধু নতুন পোশাকই নয়, আজ শ্রমিক পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় মাটির প্রদীপও। দীপাবলির সন্ধ্যেয় শ্রমিক পরিবারের ঘরেও জ্বলে উঠুক প্রদীপের আলো। কোভিড মোকাবিলায় লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই রাস্তায় ছিল সংগঠনের সদস্যরা। আজ এক চা বাগান তো অন্যদিন আর এক চা বাগানে গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিয়ে এসছেন। কঠিন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছিলেন রাস্তায়। মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন। পরবর্তীতে রক্তের সংকট সৃষ্টি হওয়ায় রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করে এসছে। মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। আজ, বৃহস্পতিবার আবার নতুন উপহার নিয়ে হাজির তারা। সংগঠনের অন্যতম সদস্য  বাগচী জানান, সাধ্যমতো অসহায় মানুষদের পাশে থাকার এটি প্রয়াস মাত্র। উৎসবের দিন যেন ওরাও আনন্দে কাটাতে পারে, তাই এই আয়োজন।

পার্থপ্রতিম সরকার

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: