Pohela Boishakh| Halkhata|| পয়লা বৈশাখে দোকানে দোকানে প্রচলিত হালখাতা উৎসব, কেন হয় এই অনুষ্ঠান? জানুন
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Pohela Boishakh Bengali traditional festival: চৈত্রের বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। বৈশাখ আসছে। বাংলা নববর্ষকে আগমন জানানোর উদ্দ্যেশ্যে হালখাতা আয়োজন একটি অংশ, এতে ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে হৃদ্যতার সম্পর্কও গড়ে ওঠে।
জলপাইগুড়ি: চৈত্রের বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। বৈশাখ আসছে। কত রকমারি আয়োজন থাকে বাংলা নববর্ষকে শুভেচ্ছা জানানোর উদ্দ্যেশ্যে। হালখাতা সেসব আয়োজনেরই একটি অংশ। নিছক হিসেবের খাতা হালনগদ করার আনুষ্ঠানিকতাই নয়, পয়লা বৈশাখে ব্যবসায়ীরা আয়োজন করেন হালখাতা। দোকানপাটে থাকে পরিপাটি সাজ। ফুল, মালা দিয়ে সাজিয়ে এ দিন দোকানে দোকানে গণেশের পুজো করা হয়। নতুন খাতার প্রথম পাতায় নতুন কিছুর সূচনার প্রতীক হিসেবে স্বস্তিক এঁকে শুরু হয় নতুন বছরের হিসেব নিকেশ।
নতুন বছরে যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো চলে, সিদ্ধিদাতা গণেশের কাছে ব্যবসায়ীরা তারই প্রার্থনা করেন। কিন্তু ডিজিটাল যুগে সবকিছুই এখন কম্পিউটার নির্ভর। তাই স্বাভাবিক ভাবেই কমে গিয়েছে হিসেব রাখার খাতার ব্যবহারও। আগের থেকে অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে পয়লা বৈশাখের এই হালখাতার উত্সব।
advertisement
advertisement
প্রায় চার দশক ধরে এই হাল খাতা বা জাবেদা খাতা নিয়ে বিহার থেকে জলপাইগুড়ি পাড়ি দেন আবির হোসেন। আসন্ন বাংলার নববর্ষ, এই ডিজিটাল যুগেও ঐতিহ্য রক্ষার্থে ও ব্যবসার মঙ্গল কামনায় কম বেশি প্রায় প্রতিটি ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে হাল খাতার প্রচলন। আর এই সুযোগে যাতে কিছু কেনা বেচা হয় তাই নতুন হাল খাতা নিয়ে সুদূর বিহার থেকে এ বারেও জলপাইগুড়িতে পা রেখেছেন আবির হোসেন।
advertisement
হাল খাতার ব্যবসায়ী বিগত প্রায় চার দশক ধরে এভাবেই বাংলা নববর্ষের আগে পৌঁছে যান শহরে জাবেদা খাতা প্রস্তুত করতে। শহরের ব্যবসায়ী অরূপ মালাকার এ প্রসঙ্গে বলেন, "ছোটো থেকেই ওনার কাছ থেকে হালখাতা কেনার রেওয়াজ দেখে এসেছি। দামে কম এবং ভাল বাঁধাইয়ের জন্য ওনার এই জিনিসের চাহিদা রয়েছে শহরে।" হালখাতার ব্যবহার ক্রমেই হারাতে বসলেও আবির হোসেনের মতো মানুষেরা নতুন হালখাতা নিয়ে এ দিক-ও দিক ঘুরে বেড়ান খানিক অর্থ লাভের আশায়।
advertisement
সুরজিৎ দে
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Mar 30, 2023 10:04 PM IST






