• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • Oxygen Shortage: দিল্লির গোল্ডেন জয়পুর হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ করোনা রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু!

Oxygen Shortage: দিল্লির গোল্ডেন জয়পুর হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ করোনা রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু!

অক্সিজেনের অভাবে ২০ করোনা রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু!

অক্সিজেনের অভাবে ২০ করোনা রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু!

এমনই ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে রাজধানী দিল্লির জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালে (Jaipur Golden Hospital Delhi) শুক্রবার রাতে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: এর থেকে খারাপ আর কী-ই বা হতে পারে! হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুয়ে অক্সিজেনের অভাবে (Oxygen Shortage) প্রাণ যাচ্ছে একের পর এক করোনা রোগীর (Coronavirus Positive)। এমনই ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে রাজধানী দিল্লির জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালে (Jaipur Golden Hospital Delhi) শুক্রবার রাতে। অক্সিজেনের অভাবে একাধিক রোগীর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তাঁদের মধ্যে অতি সংকটজনক ২৫ জনের প্রাণ গিয়েছে।

    দেশের রাজধানী দিল্লিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (Coronavirus 2nd Wave) শুরু হওয়ার পর থেকেই অক্সিজেনের অভাব দেখা দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও একাধিক বার এ নিয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছেন। শুক্রবারের মর্মান্তিক এই ঘটনার পর জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালের মেডিক্যাল ডিরেক্টর, ডক্টর ডি কে বালুজা জানিয়েছেন, 'গতকাল রাতে ২৫ জন অতি সংকটজনক রোগীর অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়েছে। একেবারে অক্সিজেন শূন্য হয়ে গিয়েছিল তা নয়, তবে অক্সিজেনের ঘাটতি থাকায় অক্সিজেনের চাপ কম ছিল।'

    তিনি আরও জানিয়েছেন, হাসপাতালে ২১০ জন করোনা রোগী রয়েছেন এবং তাঁদের কাছে যে পরিমাণ অক্সিজেন রয়েছে তাতে শনিবার সকাল ১০.৪৫ পর্যন্তই চলবে। তাঁর কথায়, 'শুক্রবার বিকেল ৫টায় আমাদের ৩,৬০০ লিটার অক্সিজেন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা রাত ১২টায় ১,৫০০ লিটার পেয়েছি। প্রায় ৭ ঘণ্টার এই দেরিতে অক্সিজেনের চাপ কমিয়ে রাখতে হয়েছিল। রিফিল করার পরও বেশ কিছুটা সময় লাগে নতুন করে অক্সিজেনের চাপ তৈরি হতে।'

    অন্যদিকে, দিল্লির বাতরা হাসপাতালে অক্সিজেন ফুরিয়ে আসার পর জরুরি ভিত্তিতে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করেছে দিল্লি সরকার। দিল্লির তুঘলকাবাদে অবস্থিত এই হাসপাতাল। এদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ওই হাসপাতাল থেকে জানানো হয় যে, অক্সিজেন একেবারেই ফুরিয়ে এসেছে। সরকার তারপরই সেখানে অক্সিজেন পৌঁছে দিয়েছে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: