corona virus btn
corona virus btn
Loading

এ কেমন বিচারব্যবস্থা...! নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের বারবার শাস্তি পিছিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ

এ কেমন বিচারব্যবস্থা...! নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের বারবার শাস্তি পিছিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ

আইনের ফাঁকফোঁকর ব্যবহার করে বারবার চাল দিচ্ছে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্তরা। সব বুঝেই কিছু করা যাচ্ছে না। এর পুনরাবৃত্তি আটকাতে আইন বদলের দাবিতে সরব নাগরিক সমাজ ও আইনজীবীরা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নির্ভয়াকাণ্ডে ৪ অভিযুক্তের ফাঁসি মঙ্গলবার হচ্ছে না। কবে হবে, তাও বলা যাচ্ছে না। শেষ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছে পবন গুপ্ত। এই আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত আসার পর নতুন দিনক্ষণ ঠিক হবে। পরপর তিনবার ফাঁসি পিছিয়ে যাওয়ায় আইন বদলের দাবিতে সরব নাগরিক সমাজ। প্রচলিত আইনের দুর্বলতাগুলোই যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে মুকেশ, বিনয়,অক্ষয়,পবনরা। মঙ্গলবার নির্ভয়ায় ৪ অভিযুক্তের ফাঁসি হচ্ছে না। দিনক্ষণ, প্রস্তুতি সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও ফাঁসি পিছিয়ে গেল। এই নিয়ে তিনবার।

একেবারে শেষ মুহূর্তে আইনি চাল পবন গুপ্তর। রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আর্জি পবন গুপ্তর ৷ সোমবার বিকেলে পবনের আবেদন রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছয় ৷ রাষ্ট্রপতি এব্যাপারে সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত ফাঁসি কার্যকর হবে না ৷ অথচ দিনের শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দেয়, তাতে ফাঁসি কার্যকরে সব বাধা কেটে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছিল। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, পবন গুপ্তর রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ ৷ এরপরই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানাতে প্রস্তুতি শুরু করে নির্ভয়াকাণ্ডের অন্যতম এই অভিযুক্ত। নতুন আইনি প্যাঁচ কষে হাজির হয় পাতিয়ালা হাউস কোর্টে। আবেদন, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানানো হয়েছে। তাই মঙ্গলবার ফাঁসি কার্যকরে স্থগিতদেশ দেওয়া হোক ৷

পবনের আইনজীবী এপি সিংয়ের বক্তব্য শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন পাতিয়ালা হাউস কোর্টের বিচারপতি ৷ তিনি বলেন, ‘‘ আপনি আইনজীবী হয়ে আইনকে অসম্মান করছেন। আগুন নিয়ে বন্ধ করুন। এর ফল মারাত্মক হতে পারে। বারবার একই ঘটনা যেন গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে।’’

আইনের ফাঁকফোঁকর ব্যবহার করে বারবার চাল দিচ্ছে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্তরা। সব বুঝেই কিছু করা যাচ্ছে না। এর পুনরাবৃত্তি আটকাতে আইন বদলের দাবিতে সরব নাগরিক সমাজ ও আইনজীবীরা। জঘন্য অপরাধে দ্রুত সাজা কার্যকরে কঠোর আইনের দাবি তুলছেন তাঁরা।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: March 3, 2020, 12:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर