বাড়তে পারে ওয়েটিং পিরিয়ড, উৎসব-পরবর্তী মরশুমে ২ লক্ষ ইউনিটের বেশি ব্যাকলগ Maruti Suzuki-র!

বাড়তে পারে ওয়েটিং পিরিয়ড, উৎসব-পরবর্তী মরশুমে ২ লক্ষ ইউনিটের বেশি ব্যাকলগ Maruti Suzuki-র!
এক্ষেত্রে দাম নিয়ে বেশ সচেতন গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থা। জানুয়ারি মাসেই সামগ্রিক পোর্টফোলিওতে এক্স-শোরুম প্রাইসের বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করেছে Maruti Suzuki।

এক্ষেত্রে দাম নিয়ে বেশ সচেতন গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থা। জানুয়ারি মাসেই সামগ্রিক পোর্টফোলিওতে এক্স-শোরুম প্রাইসের বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করেছে Maruti Suzuki।

  • Share this:

#নয়া দিল্লি: করোনা-পরবর্তী সময়ে বিক্রি বাড়াতে কোমর বেঁধে নেমেছে গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। নানা ধরনের অফার, মডেল নিয়ে ক্রেতাদের আকর্ষণ করার প্রতিযোগিতায় একে অন্যকে এক ইঞ্চি ছাড়তেও নারাজ। এর মাঝে উৎসব পরবর্তী মরশুমে ২ লক্ষ ইউনিটের বেশি গাড়ির ব্যাকলগের দাবি করল Maruti Suzuki।

সূত্রে খবর, বাজারে ভালোই চাহিদা রয়েছে Maruti Suzuki গাড়ির। তবে প্রোডাকশন বাড়ানোর পথে হাঁটতে পারে এই সংস্থা। আর এর পিছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। বর্তমানে সংস্থার কাছে প্রায় ২১,০০০ ইউনিট গাড়ি রয়েছে। এর জেরে অনেকেই একটা বড় আশঙ্কায় ভুগছেন। অটো-এক্সপার্টদের মতে, চাহিদা অনুপাতে প্রোডাকশন নেই। তাই ওয়েটিং পিরিয়ড বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে গাড়ি পেতে ক্রেতাদের লম্বা অপেক্ষা করতে হবে।

এবার সংস্থার সেলস রিপোর্ট সম্পর্কে বিশদে জেনে নেওয়া যাক। সম্প্রতি গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে সেলস প্যার্টানের একটি বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। সেই সূত্রে ২০১৯ অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২০ অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ফার্স্ট টাইম বায়ারদের (যাঁরা প্রথমবার গাড়ি কিনছেন) পরিমাণ ৪৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৯ শতাংশ হয়েছে। কিন্তু ওই একই সময়কালে রিপ্লেসমেন্ট বায়ার শেয়ারের পরিমাণ ২৬ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশ এসে দাঁড়িয়েছে। করোনা পেরিয়ে গত পাঁচ মাসে ব্যবসা খানিকটা ছন্দে ফিরলেও প্যাসেঞ্জার গাড়ির চাহিদা এখনও প্রায় ৩০ শতাংশ কম।


এক্ষেত্রে দাম নিয়ে বেশ সচেতন গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থা। জানুয়ারি মাসেই সামগ্রিক পোর্টফোলিওতে এক্স-শোরুম প্রাইসের বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করেছে Maruti Suzuki। এক্ষেত্রে মডেলের ভিত্তিতে ১-৬ শতাংশ (৫,০০০-৩৪,০০০ টাকা) পর্যন্ত বাড়তে পারে দাম। অটো-এক্সপার্টদের কথা মাথায় রেখে এই দাম ক্রেতাদের উপরে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। তবে, সামগ্রিক বিক্রির উপরে অল্পবিস্তর প্রভাব পড়তে পারে।

ইতিমধ্যে Maruti Suzuki India-র তরফে প্রতিটি ত্রৈমাসিকে বিক্রির একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে একটু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। ২০২০- ২১ অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে নেট সেল ১৩.২ শতাংশ মতো বেড়েছিল। নেট প্রফিট বা লভ্যাংশ বেড়েছিল ২৪.১ শতাংশ। এক্ষেত্রে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে অর্থাৎ Q-তে সংস্থার তরফে ৪,৯৫, ৮৯৭টি গাড়ি বিক্রি করা হয়। যা গত বছরের তুলনায় ১৩.৪ শতাংশ বেশি। অন্তর্দেশীয় বাজারে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এই বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪,৬৭,৩৬৯ ইউনিট। যা গত বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। অন্য দিকে, রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৮,৫২৮ ইউনিট। যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ২০.৬ শতাংশ বেশি।

গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গত বছরের ঠিক একই সময়কালে যে পরিমাণ গাড়ি বিক্রি হয়েছিল, তার প্রায় ১৮ শতাংশ কমে গিয়েছে এই বছরে। এই বছরে Maruti Suzuki-র মোট ৯,৬৫,৬২৬টি গাড়ি বিক্রি হয়েছে। তবে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান চাহিদায় সেই ছবি খানিকটা বদলাতে শুরু করেছে।

Published by:Piya Banerjee
First published: