‘ধর্ষণকারীদের পিটিয়ে মেরে ফেলা উচিৎ, কঠোরতম শাস্তি হোক...!’: জয়া বচ্চন

‘ধর্ষণকারীদের পিটিয়ে মেরে ফেলা উচিৎ, কঠোরতম শাস্তি হোক...!’: জয়া বচ্চন
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: চিৎকার থামাতে চিকিৎসক তরুণীর মুখে ঢেলে দেওয়া হয়েছিল মদ। গণধর্ষণের পর নাক-মুখ চেপে শ্বাসরোধ করে খুন। কম্বলে জড়িয়ে দেহ পুড়িয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছিল। হায়দরাবাদের ঘটনায় পুলিশি তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিন দিন পর মুখ খুলেছেন তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রীও। হায়দরাবাদ থেকে দিল্লি, আজও দোষীদের ফাঁসির দাবিতে সরব গোটা দেশ। অপহরণ-গণধর্ষণ-খুন। প্রমাণ লোপাটের জন্য একের পর এক নৃশংস পরিকল্পনা। হায়দরাবাদের ঘটনায় অভিযুক্তদের জেরায় উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন তরুণী ৷ চিৎকার থামাতে জোর করে তরুণীর মুখে মদ ঢেলে দেয় অভিযুক্তরা ৷ তরুণীর মোবাইলও সুইচ অফ করে দেয় তারা ৷ এরপরই ট্রাকে তুলে গণধর্ষণ ৷ অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন তরুণী ৷ এরপর নাক-মুখ চেপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় তাঁকে ৷

হায়দরাবাদে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণের ঘটনার পর গোটা দেশ প্রতিবাদে উত্তাল। তার প্রভাব পড়েছে সংসদেও। এদিন সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভা সাংসদ জয়া বচ্চন বললেন, “ধর্ষণকারীদের জনসমক্ষে পিটিয়ে মেরে ফেলা উচিৎ। কারণ, এমন কঠোর শাস্তি দিতে হবে যা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে ৷ সরকার আইন পাশ করে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু প্রশ্ন হল, তার পরেও নিরীহ মেয়েরা কি সুবিচার পেয়েছে ? নির্ভয়াও কি সুবিচার পেয়েছিল ? এই সংসদে দাঁড়িয়ে এ ধরনের ঘটনা নিয়ে আমি কতবার যে বলেছি, ক্ষোভ প্রকাশ করেছি তার কোনও হিসেব নেই। সেটা নির্ভয়া কাণ্ড হোক, কাঠুয়া কাণ্ড আর এখন তেলেঙ্গানার ঘটনা। আমার মনে হয়, জনগণ এখন সরকারের থেকে একটা স্পষ্ট জবাব চাইছে। আর কতদিন এমন চলবে ? আর কত যন্ত্রণা, কত অত্যাচার সহ্য করতে হবে দেশের মেয়েদের ?”

জয়া বচ্চন এদিন আরও জানান, “হায়দরাবাদে যে দিন এই নারকীয় ঘটনা ঘটে, তার আগের দিনই প্রায় একই রকম কাণ্ড হয়েছিল। আমার প্রশ্ন হল, পুলিশ তথা নিরাপত্তা বাহিনীর কি কোনও দায়িত্ব নেই ? কেন তাঁদের দায়বদ্ধ করা হবে না। কেন ঘটনা ঘটার পরেই সবাই নড়ে চড়ে বসে ?”

First published: 01:52:13 PM Dec 02, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर