দিনমজুরের বাড়িতে আচমকা হাজির আয়কর দফতরের আধিকারিকরা ! হাতে ধরালেন ১৭ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার নোটিস !
- Published by:Siddhartha Sarkar
- local18
Last Updated:
Mirzapur News: ওই দিনমজুর শিবধনি লোকাল18-এর সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন যে, সোনভদ্রর ঘোরাওয়ালে ব্যাটারি লোডিং আর আনলোডিং-এর কাজ তিনি করতেন। মালিক তাঁদের বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন আর ৮ বছর পর্যন্ত কাজ করিয়েছেন। সেখানে কাজ করার সময় মালিক তাঁদের বলেছিলেন যে বেতন অ্যাকাউন্টে আসবে ৷ এই কথা বলেই অ্যাকাউন্ট খুলিয়েছিলেন।
মুকেশ পাণ্ডে, মির্জাপুর: উত্তর প্রদেশের মির্জাপুর জেলায় একজন দিনমজুরের কাছে ১৭ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার আয়কর নোটিস এসেছে। একজন দিনমজুরের কাছে এই বিশাল অঙ্কের ইনকাম ট্যাক্সের নোটিস আসার পরে স্বভাবতই এলাকায় হইচই পড়ে গিয়েছে। মির্জাপুরের সন্তনগরের কানহাইপুরের বাসিন্দা শিবধনি ঘোরাওয়ালের ব্যাটারি শপে মজদুরি করতেন তিনি। অভিযোগ, মালিক বলেছিলেন স্যালারি অ্যাকাউন্টে পাঠাবেন বলে অ্যাকাউন্ট খুলিয়েছিলেন। যদিও, অ্যাকাউন্ট খোলার পরও স্যালারি পাঠাননি। কয়েক বছর পর ইনকাম ট্যাক্সের নোটিস আসে। যখন অফিসাররা বাড়িতে আসেন, তখন জানা যায় অ্যাকাউন্ট থেকে ১৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে !
ওই দিনমজুর শিবধনি লোকাল18-এর সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন যে, সোনভদ্রর ঘোরাওয়ালে ব্যাটারি লোডিং আর আনলোডিং-এর কাজ তিনি করতেন। মালিক তাঁদের বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন আর ৮ বছর পর্যন্ত কাজ করিয়েছেন। সেখানে কাজ করার সময় মালিক তাঁদের বলেছিলেন যে বেতন অ্যাকাউন্টে আসবে ৷ এই কথা বলেই অ্যাকাউন্ট খুলিয়েছিলেন। একটা অ্যাকাউন্ট কোটাক মহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের আর আরেকটা অ্যাকাউন্ট উৎকর্ষ ব্যাঙ্কে খোলা হয়েছিল। অ্যাকাউন্ট খোলার পর তাঁরা আবার গিয়ে কাজ করতে থাকেন।
advertisement
advertisement
মন্দার কথা বলে বের করে দিল
শিবধনি আরও জানিয়েছেন, ‘‘৮ বছর কেটে যাওয়ার পর মালিক কাজের মধ্যে মন্দার কথা বলে বের তাঁদের বের করে দেন। আমরা মুম্বই চলে গিয়েছি। প্রায় ৬ মাস ধরে আমাদের বাড়িতে নোটিস আসছে। যখন নোটিস নিয়ে মালিকের কাছে গিয়েছিলাম, তখন তিনি নোটিস নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন এবং দেখে নেওয়ার কথা বলেছেন। তবে, নোটিসের উত্তর না দেওয়ায় কিছুদিন আগে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা এসে জানান আমাদের অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে !’’
advertisement
শিবধনির কথায়, ‘‘মোট ১৭ কোটি ৪০ লাখ ১২ হাজার ২০৭ টাকার নোটিস এসেছে। আমরা এসপি-র কাছে এসেছি এবং চিঠি দিয়েছি। আমার কাঁচা বাড়ি আছে এবং জমিও নেই। ৮ হাজার টাকা মাসে চাকরি করে পরিবার চালাতাম।এখন আমরা খুবই বিপদে আছি এবং আইনি ঝামেলার জন্য কোর্ট থেকে বাড়ি আর বাড়ি থেকে আদালত দৌড়তে। যেখানে কাজ করতাম, সেখানেই মালিকের বাড়িতে থাকতাম। এখন মালিক কিছুই বলছেন না এবং সাহায্য করতেও রাজি নন। আপাতত পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে।’’
দেশের সব লেটেস্ট খবর ( National News in Bengali ) এবং বিদেশের সব খবর ( World News in Bengali ) পান নিউজ 18 বাংলায় ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইন নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Location :
Mirzapur,Uttar Pradesh
First Published :
Feb 18, 2026 8:04 AM IST









