• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • FORCING HUSBAND TO SEPARATE FROM PARENTS IS GROUND FOR DIVORCE UB

‌শ্বশুর–শাশুড়ির থেকে আলাদা হয়ে সংসার ভাগ করতে চাইছে‌ন স্ত্রী?‌ ডিভোর্সের মামলা করতে পারেন স্বামী

‘‌আবেদনকারীর স্ত্রী যা জানিয়েছেন, তাতে বোঝা যাচ্ছে তিনি শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে চান না। ওঁদের মধ্যে যে মাঝে মাঝেই ঝামেলা হত, সেটাও স্পষ্ট। তাই বিবাহিত জীবনে তিনি শাশুড়িকে চাইছেন না। কিন্তু এর মাঝে বলির পাঁঠা হচ্ছেন আবেদনকারী পুরুষটি।

‘‌আবেদনকারীর স্ত্রী যা জানিয়েছেন, তাতে বোঝা যাচ্ছে তিনি শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে চান না। ওঁদের মধ্যে যে মাঝে মাঝেই ঝামেলা হত, সেটাও স্পষ্ট। তাই বিবাহিত জীবনে তিনি শাশুড়িকে চাইছেন না। কিন্তু এর মাঝে বলির পাঁঠা হচ্ছেন আবেদনকারী পুরুষটি।

  • Share this:

    #‌নয়াদিল্লি:‌ বৃদ্ধ মা বাবাকে ছেড়ে আলাদা সংসার পাততে স্ত্রী চাপ দিলে, স্বামী সেই কারণে ডিভোর্স দিতেই পারেন, জানাল কেরল হাইকোর্ট। বিচারপতি এএম শফিক ও মেরি জোসেফের বেঞ্চ জানিয়েছে, একজন পুরুষের পক্ষে একদিকে তাঁর বৃদ্ধ মা বাবা আর অন্যদিকে স্ত্রী, সন্তানের মধ্যে টানাপোড়ের সহ্য করা অসম্ভব। এই ধরনের জটিলতায় যদি দেখা যায় স্ত্রী-র দাবির কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই, তাহলে স্বামী এই কারণ দেখিয়েই ডিভোর্স ফাইল করতে পারেন, জানাল কেরল হাইকোর্ট।

    সাম্প্রতিক অতীতে কেরল হাইকোর্টে এক ব্যক্তি একটি মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় তিনি জানান, তাঁর পক্ষে বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, তাঁর স্ত্রী চাইছেন শাশুড়িকে ছাড়া একটি বাড়ি ও সংসার। জল এতদূর গড়িয়েছে যে স্ত্রী হুমকি দিয়েছেন তিনি আত্মহত্যা করবেন এবং শাশুড়িকে দায়ী করে যাবেন। অন্যদিকে স্ত্রী আদালতে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন। মদ খেয়ে মারধর করছেন। আর এসবই হচ্ছে শাশুড়ির ইন্ধনে। তাই বাধ্য হয়ে তিনি শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে এসে আছেন। ওই মহিলা আরও জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর স্বামীর কাছে ফিরতে ইচ্ছুক, কিন্তু একটি শর্তে। মায়ের সঙ্গে থাকতে পারবেন না স্বামী। তার একাধিক কারণও আছে।

    আদালত জানায়, ‘‌আবেদনকারীর স্ত্রী যা জানিয়েছেন, তাতে বোঝা যাচ্ছে তিনি শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে চান না। ওঁদের মধ্যে যে মাঝে মাঝেই ঝামেলা হত, সেটাও স্পষ্ট। তাই বিবাহিত জীবনে তিনি শাশুড়িকে চাইছেন না। কিন্তু এর মাঝে বলির পাঁঠা হচ্ছেন আবেদনকারী পুরুষটি। ফলে স্ত্রী যদি ক্রমাগত সেই পুরুষটিকে তাঁর বর্তমান পরিবার থেকে আলাদা হতে বলেন, তাহলে তা যন্ত্রণার হয়ে দাঁড়ায়।

    স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, তাঁর স্বামী মদ্যপ হয়ে পড়েছেন। আদালত বলেছে, যে মানসিক চাপে স্বামী রয়েছেন, তাতে তাঁর মদ্যপ হয়ে পড়া স্বাভাবিক। এত মানসিক চাপ হয়ত আবেদনকারীর পক্ষে ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। আদালত এও বলেছে কোনও পরিবারই ঝগড়াঝাঁটি ছাড়া চলে না। আর এটাও সত্য, শাশুড়ি যদি বাড়ির কাজ করতে বলেও থাকেন, সেটাই স্বাভাবিক। সাধারণত পরিবারের সদস্যদেরই বাড়ির কাজ ভাগ করে করতে হয়। আর সেই কারণেই আদালত মনে করছে, এভাবে পরিবার ভাগ করে, ছেলের মাকে আলাদা করে স্বামীকে নিয়ে একটি আলাদা বাড়িতে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঠিক নয়। আর ২০১৬ সালের হিন্দু বিবাহ আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের নিরিখে এটিকে দণ্ডনীয় অপরাধ বলা চলে। কোনও কারণ ছাড়া এভাবে তিনি ঘর ভাঙতে পারেন না।

    এরপরেই আদালত জানিয়ে দেয়, সমস্ত তথ্য প্রমাণ বিচার করে আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে গিয়েছে যে আবেদনকারী পুরুষটির প্রতি তাঁর স্ত্রী নির্মম আচরণ করেছেন। আর সেই আচরণের জন্য বিবাহের পুরুষ সঙ্গী তাঁর স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে পারেন। বিবাহ আইনত বাতিল করা যেতে পারে।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: