সাত রাজ্যে ফের করোনার দাপাদাপি, ১৫ হাজার নতুন সংক্রমণ শুধু মহারাষ্ট্রেই

সাত রাজ্যে ফের করোনার দাপাদাপি, ১৫ হাজার নতুন সংক্রমণ শুধু মহারাষ্ট্রেই

দেড় মাসের মধ্যে গত রবিবার সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।

দেড় মাসের মধ্যে গত রবিবার সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।

  • Share this:
    #মুম্বই: ফের দেশে করোনার দাপাদাপি বাড়ছে। মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব ও কেরল সমেত সাতটি রাজ্যে ইতিমধ্যে সংক্রমণের হার বেড়েছে লাফিয়ে। গত ৮৪ দিনের মধ্যে প্রথমবার এক দিনে ২৫ হাজারের বেশি নতুন সংক্রমণের কেস সামনে এসেছে। দেড় মাসের মধ্যে গত রবিবার সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। সক্রিয় কেস ২.১০ লাখ পেরিয়েছে। মহারাষ্ট্রের একাধিক জায়গায় আজ থেকে আংশিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। আর এবার কেরলের সরকারও লকডাউনের পথে হাঁটতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। মহারাষ্ট্রের অবস্থা সব থেকে উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র সেখানেই ১৫,৬০২টি নতুন সংক্রমণের তথ্য প্রশাসনের হাতে এসেছে। কেরলে ২,০৩৫ ও পাঞ্জাবে ১৫১৫টি কেস রয়েছে। এছাড়া দিল্লি, হরিয়ানা, গুজরাত, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশেও নতুন সংক্রমণ হয়েছে। কর্ণাটকেও লাগাতার বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা ইতিমধ্যে রাজ্যবাসীকে করোনাবিধি মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যবাসী সহায়তা না করলে প্রশাসন লকডাউনের পথে হাঁটতে পারে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার ১৬১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। মহারাষ্ট্রে ৮৮, পাঞ্জাবে ২২ ও কেরলে ১২ জন মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন পাঞ্জাবে করোনা নতুন স্ট্রেনে দুজন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১৬১৬টি নতুন সংক্রমণ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। গত বছর ২০ ডিসেম্বর একদিনে ২৬, ৬২৪ নতুন সংক্রমণের কেস সামনে এসেছিল। তার পর একদিনে আর এতসংখ্যক সংক্রমঁণের খবর পাওয়া যায়নি। চলতি বছর ২৮ জানুয়ারি ১৬২ জন মারা গিয়েছিলেন। একদিনে মৃতদের সংখ্যা সেদিনই ছিল সব থেকে বেশি। স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে, দেশে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ১৩ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি। সেরে উঠেছেন এক কোটি নলাখ ৮৯ হাজার মানুষ। প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার মানুষ।
    Published by:Suman Majumder
    First published: