কৃষিঋণ মুকুবের নামে ‘ছেলে ভোলাচ্ছে’ কংগ্রেস : নরেন্দ্র মোদি

পেনশনহোল্ডারদের জন্য সুখবর । পেনশনের জন্য দৌড়ঝাঁপ করা থেকে অব্যাহতি দিতে নতুন এক পেনশন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । ২৯ ডিসেম্বরেই এই সফটওয়্যার চালু করেছেন মোদি । (ছবি: সংগৃহীত)

  • Share this:

    #গাজিপুর: সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ইউপিএ জোটের জেতার মূল মন্ত্রই ছিল কৃষিঋণ মুকুবের প্রতিশ্রুতি ৷ কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে কৃষিঋণ মুকুবের হার সামান্যই ৷ তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত কর্ণাটক ৷ কর্ণাটকে ক্ষমতায় রয়েছে জেডি(এস)-কংগ্রেস জোট ৷ কৃষিঋণ মুকুব নিয়ে একের পর এক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ৷ আদতে যোগফল শূন্য ৷ গাজিপুরের জনসভা থেকে কৃষিঋণ মুকুব ইস্যুতেই কংগ্রেসকে তুলোধনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷

    দোড়গোড়ায় লোকসভা নির্বাচন ৷ সেই নির্বাচনের আগে একের পর এক ইস্যুতে দুই যুযুধান রাজনৈতিক শিবির একে অপরকে কাঠগড়ায় তুলছে ৷ কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তেও নারাজ ৷ এহেন পরিস্থিতি কর্ণাটকের সাম্প্রতিক অবস্থাকেই হাতিয়ার করলেন মোদি ৷ তিনি বলেন, ‘দেশের কৃষকদের শোচনীয় অবস্থা নিয়ে কোনও মাথাব্যাথা নেই কংগ্রেসের ৷ তৎক্ষণিক লাভের লোভ দেখিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চায় তারা ৷ কিন্তু আদতে এই সমস্ত ঘোষণা করে দেশবাসীকে বোকা বানাচ্ছে কংগ্রেস ৷’

    কংগ্রসকে ‘ললিপপ কোম্পানি’ বলে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিঋণ মুকুবের পরিবর্তে চাষীদের হাতে ললিপপ তুলে দিচ্ছে কংগ্রেস ৷ কর্ণাটকে ক্ষমতায় আসার পর ৬-৭ মাস কেটে গিয়েছে ৷ কিন্তু মাত্র ৮০০ জন কৃষকের ঋণ মুকুব হয়েছে ৷’ তবে, সাধারণ মানুষের উপর ভরসা রয়েছে মোদির ৷ কংগ্রেসের এই ধরণের মনভোলানো কথায় যে চিঁড়ে ভিজবে না সেই বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী মোদি ৷

    ১৫ বছর পর মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস ৷ পাশাপাশি রাজস্থান এবং ছত্তীসগড়েও ধরাশাসী বিজেপি ৷ রাজনৈতিক মহলের মত, মোট ভোটের অর্দ্ধেকেরও বেশী ভোট আসে দেশের কৃষকদের হাত ধরে ৷ সেই কারণেই ধরাশায়ী অবস্থা বিজেপির ৷ কারণ দেশে কৃষকদের অবস্থা শোচনীয় ৷ ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়ার জেরে ঋণের বোঝায় আত্মহত্যার পথও বেছে নিচ্ছেন অনেকে ৷ এহেন পরিস্থিতিতে কৃষিঋণ মুকুবকে হাতিয়ার করেই ক্ষমতায় আসতে চাইছে কংগ্রেস ৷ কৃষিঋণ মুকুব-সহ একের পর এক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন কংগ্রেসের নেতা নেতৃত্বরা ৷ কিন্তু আদতে সেই সব কিছুই ভিত্তিহীন ৷ তার প্রমাণ কর্ণাটক ৷ এমনটাই দাবি করলেন নরেন্দ্র মোদি ৷

    First published: