• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • শ্মশান নয়! শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য অর্থের দাবিতে ব্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হল মৃতদেহ

শ্মশান নয়! শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য অর্থের দাবিতে ব্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হল মৃতদেহ

শাহজানপুরের বাসিন্দা মহেশ যাদবের শেষকৃত্য করার সিদ্ধান্ত নেয় গ্রামবাসীরা। টাকার অভাব হওয়ার জন্য মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে ব্যাঙ্কে নিয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দারা।

শাহজানপুরের বাসিন্দা মহেশ যাদবের শেষকৃত্য করার সিদ্ধান্ত নেয় গ্রামবাসীরা। টাকার অভাব হওয়ার জন্য মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে ব্যাঙ্কে নিয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দারা।

শাহজানপুরের বাসিন্দা মহেশ যাদবের শেষকৃত্য করার সিদ্ধান্ত নেয় গ্রামবাসীরা। টাকার অভাব হওয়ার জন্য মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে ব্যাঙ্কে নিয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • Share this:

    #পাটনা: কখনও শুনেছেন মৃত্যুর পর মৃতদেহ দাহ না করে ব্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে? হ্যাঁ ঠিকই, সম্প্রতি এমনই এক ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের শাহজানপুরে। এর আগে এরকম ঘটনা কখনও ঘটেনি, তবে নিরুপায় ছিল গ্রামবাসীরা। শাহজানপুরের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী মহেশ যাদব হঠাৎই মারা যান। তাঁর কোনও পরিবার বা উত্তরাধিকারী নেই। তাঁর মৃত্যুর পরে শেষকৃত্য করার সিদ্ধান্ত নেয় গ্রামবাসীরা। কিন্তু তাঁদের সেই সামর্থ্য ছিল না। টাকার অভাব হওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা মহেশের মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে ব্যাঙ্কে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় তাজ্জব সকলে।

    মহেশের কোনও আইনি উত্তরাধিকারী বা পরিবার ছিল না। তিনি একা থাকতেন। গ্রামবাসীরাই তাঁর আপনজন। তাই তাঁর মৃত্যুর পরে স্থানীয় লোকেরাই শেষকৃত্যের দায়িত্ব নেয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁরা দাবি করেন, মহেশের অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ দেওয়ার জন্য। ওই অর্থ দিয়েই তাঁর শেষকৃত্য সুন্দর ভাবে করা হবে। সেই জন্য গ্রামবাসীরা মরদেহ নিয়ে হাজির হয় ক্যানারা ব্যাঙ্কে। ব্যাঙ্কের কর্তৃপক্ষ তাঁদের এই দাবি অস্বীকার করে। তাঁরা বলেন, ব্যাঙ্কের নিজস্ব কিছু নিয়মাবলী রয়েছে, যেগুলো লঙ্ঘন করা সম্ভব নয় কোনওভাবেই। অনেকক্ষণ কথা কাটাকাটি হওয়ার পর গ্রামবাসীরা মহেশের মৃত দেহ ব্যাঙ্কের ভিতর রেখে চলে যায়। তারপরে বাইরে গিয়ে তাঁরা ব্যাঙ্কের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। এই গোলযোগের কারণে ঘটনাস্থলে গ্রাম পঞ্চায়েত, স্থানীয় পুলিশ এবং অন্যান্যরা জড়ো হয়েছিল।

    অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে দেখে ক্যানারা ব্যাঙ্কের কর্তৃপক্ষ অন্যান্য ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের থেকে চাঁদা তোলেন। প্রায় ১০ হাজার টাকা গ্রামবাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই টাকা দিয়েই মহেশের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। তবে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সন্দীপ কুমার জানিয়েছেন, ‘’নিহত মহেশ যাদবের অ্যাকাউন্টে এক লক্ষ ১৮ হাজার টাকা রয়েছে। কিন্তু কোনও মনোনয়নের নাম উল্লেখ করা হয়নি। মহেশের উত্তরসূরিদের মধ্যে কেউ ওই টাকার দাবি না করা পর্যন্ত, ব্যাঙ্ক থেকে কোনও টাকা দেওয়া হবে না’’।

    Published by:Somosree Das
    First published: