• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • কলকাতা থেকে সিয়াচেন পাড়ি! পরিবেশ রক্ষার বার্তায় 'রিকশাওয়ালা' সত্যেন

কলকাতা থেকে সিয়াচেন পাড়ি! পরিবেশ রক্ষার বার্তায় 'রিকশাওয়ালা' সত্যেন

৩০০০ কিমি'র বেশি রাস্তা পাড়ি দিতে ভরসা শুধু রিক্সা

৩০০০ কিমি'র বেশি রাস্তা পাড়ি দিতে ভরসা শুধু রিক্সা

রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন সিয়াচেনের পথে। উদ্দেশ্য একটাই, মানুষকে সচেতন করে পরিবেশ রক্ষা করা।

  • Share this:

    বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে দ্রুত বদল হচ্ছে জলবায়ুর। প্রভাব বিস্তার করছে নানান রোগ। বৃক্ষচ্ছেদন এর ফলে সমাজের ক্ষতি হচ্ছে বিস্তর। তাই পরিবেশ রক্ষা করতে রিকশাচালক বেরিয়ে পড়েছেন সিয়াচেনের পথে। উদ্দেশ্য একটাই, মানুষকে সচেতন করে পরিবেশ রক্ষা করা।দিন কয়েক আগে সেভ মাদার আর্থ  এবং সেফ ড্রাইভ,সেভ লাইফ এর প্রচার করতে দুই যুবক সাইকেল নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন খারদুংলার উদ্দেশ্যে। একই ভাবে এবার পরিবেশ রক্ষা করতে বেরিয়ে পড়েছেন সত্যেন দাস। তিনি কলকাতা থেকে দুই নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে পাড়ি দিয়েছেন সিয়াচেন এর দিকে। যাত্রাপথে সত্যেন দাস এসে থেমেছিলেন দুর্গাপুরে। সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুর মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে। সংবর্ধনা নেওয়ার সময় পরিবেশ রক্ষা ও পৃথিবীকে বাঁচানোর আওয়াজ তুলেছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষা করতে সত্যেন বাবুর এই লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন শহরবাসী।

    যদিও ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর ছাড়িয়ে তার গন্তব্যের দিকে আরও কিছুটা এগিয়ে গিয়েছেন সত্যেন দাস। সত্যেন দাস বলেছেন, পরিবেশ রক্ষা করতে এই লড়াইটা তিনি নিরন্তর চালিয়ে যাবেন। এর আগেও একবার রিক্সা নিয়ে তিনি লাদাখের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালে তিনি ৬৫ দিন ব্যয় করেছিলেন রিক্সা নিয়ে লাদাখ যাওয়ার জন্য। সেইসময়ও একই পন্থায় তিনি বিশ্ব উষ্ণায়ন থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা, সবুজ এবং জল বাঁচানোর প্রচার করেছেন। যদিও ২০১৪ সালে সত্যেন দাস গিয়েছিলেন লাদাখ পর্যন্ত। তিন হাজার কিলোমিটার রাস্তা তিনি রিকশা চালিয়ে গিয়েছিলেন। তবে এবারে লড়াইটা আরও কঠিন। কারণ তিনি ঠিক করেছেন, এবারে তার গন্তব্য হবে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের সিয়াচেন।সত্যেন দাস জানিয়েছেন, তার প্রথম লড়াইটা শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। সে সময় তিনি ঠিক করেছিলেন পুরী ঘুরতে যাবেন। কিন্তু অর্থ সংকটের জন্য তিনি যেতে পারছিলেন না। তাই খেয়ালের বশে সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন পুরীর উদ্দেশ্যে।

    উদ্দেশ্য সফল করে ফিরেছিলেন তিনি। প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন। আধুনিক সভ্যতা যে পরিবেশকে অনেকাংশে ধ্বংস করে তুলছে, সেটাও উপলব্ধি করেছিলেন। তখন থেকেই জেদ চেপে বসে তার মাথায়।পৃথিবীকে বাঁচাতে, পরিবেশ বাঁচাতে তিনি উদ্যোগী হয়েছেন বারবার। তবে নজরকাড়া সাফল্য তিনি প্রথমবার পেয়েছেন ২০১৪ সালের লাদাখ যাত্রায়। করোনা মহামারীর আবহে, এই বছর ফের তিনি সিয়াচেন এর উদ্দেশ্যে রিক্সা নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন।সত্যেন বাবুর আশা, এই যাত্রাতেও তিনি সফল হয়ে ফিরবেন। পরিবেশ রক্ষা করতে তার এই পরিশ্রম এবং  প্রচার কিছুটা হলেও মানুষকে সচেতন করবে। তাতেই তার উদ্যোগ সফল হবে।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: