• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • বন্যা রুখতে স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ ডিভিসির ! কমানো হচ্ছে জল ছাড়ার পরিমাণ

বন্যা রুখতে স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ ডিভিসির ! কমানো হচ্ছে জল ছাড়ার পরিমাণ

বানভাসি পরিস্থিতিতে স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ ডিভিসির

বানভাসি পরিস্থিতিতে স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ ডিভিসির

স্বস্তির খবর জানিয়েছে ডিভিসি। জল ছাড়ার পরিমান কমানো হয়েছে মাইথন, পাঞ্চেত থেকে।

  • Share this:

    #পশ্চিম বর্ধমান: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাজ্যের একাধিক জেলা। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে, মুখ্যমন্ত্রী চিঠি লিখে নালিশ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। এর মধ্যেই স্বস্তির খবর জানিয়েছে ডিভিসি। জল ছাড়ার পরিমাণ কমানো হয়েছে মাইথন, পাঞ্চেত থেকে। শুধুমাত্র জলবিদ্যুৎ চালানোর জন্য ২০০০০ হাজার কিউসেক করে জল ছাড়া হবে। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হলে জল ছাড়তে হবে বাঁধগুলি থেকে, এমনটাই খবর ডিভিসি সূত্রে।

    জেলায় বন্যা পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ডিভিসির বিরুদ্ধে। গত কয়েকদিন দামোদরের বাঁধগুলি থেকে প্রায় দুই লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। দামোদরের ছাড়া জলে প্লাবিত হয়েছে নদী উপকূলবর্তী এলাকাগুলি। তার মধ্যে বুধবার সকালেও মাইথন, পাঞ্চেত ড্যাম থেকে প্রায় ৫৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। যা চিন্তা বাড়িয়েছিল দক্ষিণবঙ্গের মানুষের। তবে রাত থেকেই জল ছাড়া কমিয়েছে ডিভিসি। ফলে আর ভারী বৃষ্টিপাত না হলে, বিপদ অনেকটা কমেছে বলে আশা করা হচ্ছে।এই বিষয়ে ডিভিসির জন সংযোগ আধিকারিক অপূর্ব সাহা বলেছেন, জল ছাড়ার পরিমান কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকা জলমগ্ন হওয়ায়, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জল এখন ড্যামে রেখে দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি চালানোর জন্য জল ছাড়া হচ্ছে।

    তবে ভারী বৃষ্টি হলে জল ছাড়তে হবে। কারণ ড্যাম সেজন্যই বানানো হয়েছে। প্রয়োজনে জল জমিয়ে রাখা অথবা জল ছাড়ার জন্যই ড্যাম বানানো হয়েছে।এই ব্যাপারে তিনি আরও বলেছেন, ড্যামগুলির জলধারণ ক্ষমতার বেশি জল এলে তখন তা ছাড়তেই হয়। না হলে বিপদ আরও বাড়বে। বানভাসি পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেছেন, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে এমনিতেই অনেক জায়গায় জল জমেছিল। তার মধ্যে ব্যারাজগুলি থেকে জল ছাড়ার ফলে লোকালয়ে জল একটু বেশি ঢুকেছে। কিন্তু বৃষ্টি কমে যাওয়ার পরেই জল ছাড়া কমানো হয়েছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে তো কিছু করার থাকে না। সেসময় জল ছাড়তে হয়।তবে পশ্চিম বর্ধমান বা ঝাড়খণ্ডে ভারী বৃষ্টিপাত হয়নি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। ফলে মাইথন বা পাঞ্চেত থেকে আর বেশি জল ছাড়া হয়নি। ফলে ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

    Nayan Ghosh

    Published by:Piya Banerjee
    First published: