• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • এবারের পুজোয় দুদিনের জন্য বেরিয়ে আসুন মায়াপুর ইসকন মন্দির থেকে

এবারের পুজোয় দুদিনের জন্য বেরিয়ে আসুন মায়াপুর ইসকন মন্দির থেকে

ইসকন মন্দির

ইসকন মন্দির

কম বাজেট থেকে শুরু করে লাক্সারি হোটেল সমস্তই পেয়ে যাবেন আপনি মায়াপুরে। রয়েছে পার্কিং এর সুব্যবস্থাও

  • Share this:

    বৈশিষ্ট্য: নদিয়া জেলার সব থেকে জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত টুরিস্ট স্পট বর্তমানে মায়াপুর ইসকন মন্দির। ভাগীরথী নদীর পূর্বপাড়ে অবস্থিত মায়াপুর ইসকন মন্দির। পূর্বে এটির নাম ছিল মিঞাপুর। বর্তমানে এখানেই গড়ে উঠেছে বিশাল আকার চন্দ্রোদয় মন্দির। এই মন্দিরে দেশ-বিদেশের অনেক সেবকই বর্তমানে রয়েছেন। মায়াপুরের প্রধান উৎসব গুলি হল চন্দনযাত্রা, স্নানযাত্রা, ঝুলনযাত্রা, জন্মাষ্টমী, রাধাষ্টমী, দোলযাত্রা ইত্যাদি। চন্দ্রোদয় মন্দির ছাড়াও আশেপাশে রয়েছে অনেক ছোট বড় মঠ মন্দির। এছাড়াও চন্দ্রোদয় মন্দির পেরোলে যাওয়া যাবে নিমাইয়ের জন্মস্থানে।

    কিভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে মায়াপুর ইসকন মন্দির। কলকাতা থেকে সড়কপথে ৩৪ নং জাতীয় সড়ক দিয়ে আসতে হবে আপনাকে ধুবুলিয়া পর্যন্ত। সেখান থেকে বাঁদিকে একটি রাস্তা চলে যায় মায়াপুর ইসকন মন্দিরের দিকে। এছাড়াও শিয়ালদহ থেকে লালগোলাগামী যে কোন ট্রেনে বা কৃষ্ণনগর লোকাল উঠে আপনাকে আসতে হবে কৃষ্ণনগর স্টেশনে। সেখান থেকে অটো করে চলে যেতে পারবেন মায়াপুর ঘাট পর্যন্ত। ছোট জলঙ্গি নদী পেরোলেই পৌঁছে যাবেন মায়াপুর ইসকন মন্দিরে।

    কি খাবেন: বিশেষ কোন খাবার এখানকার তেমন প্রসিদ্ধ নয়। তবে রকমারি খাবারে ভরপুর মায়াপুর। বিশেষত এখানকার ঢাকাই পরোটা। লুচির থেকে আকারে তিন গুণ বড় এবং খাস্তা সকালের জলখাবার এর জন্য আদর্শ। এছাড়াও এখানকার খাজা, বিভিন্ন প্রকারের আচার, ফুচকা, ঝালমুড়ি, ভেলপুরি, ঘুগনি, ইত্যাদি খাবারের জনপ্রিয়তা রয়েছে।

    কোথায় থাকবেন: থাকার ব্যবস্থা রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে। গঙ্গার ঘাট থেকে শুরু করে মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দির পর্যন্ত রয়েছে শতাধিক হোটেল এবং লজ। কম বাজেট থেকে শুরু করে লাক্সারি হোটেল সমস্তই পেয়ে যাবেন আপনি মায়াপুরে। হোটেল গুলোতে নিজস্ব গাড়ী পার্কিং এর সুব্যবস্থা রয়েছে।

    তাহলে আর দেরি কিসের, এবারের পূজোতে ব্যাগ পত্র গুছিয়ে চলে আসুন নদীয়া জেলার তথা ভারতবর্ষের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থস্থান মায়াপুর ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দির দেখতে।

    Mainak Debnath

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: