• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • মানুষের মস্তিষ্কের বিকাশ বহু বছর আগে শুরু হয়েছিল এই মহাদেশে! সময়ের সঙ্গে কী ভাবে বিবর্তন হল, জানুন বিশদে

মানুষের মস্তিষ্কের বিকাশ বহু বছর আগে শুরু হয়েছিল এই মহাদেশে! সময়ের সঙ্গে কী ভাবে বিবর্তন হল, জানুন বিশদে

আজকের মনুষের মস্তিষ্কের ক্রমবিকাশ ১.৭ মিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়েছিল আফ্রিকায়! কেমন ছিল এর জয়যাত্রা?

আজকের মনুষের মস্তিষ্কের ক্রমবিকাশ ১.৭ মিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়েছিল আফ্রিকায়! কেমন ছিল এর জয়যাত্রা?

সুইৎজারল্যান্ডের জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক আপাতত এই নিয়েই চর্চা করছেন।

  • Share this:

#জুরিখ: মানুষের বিবর্তন নিয়ে যত চর্চা হয়, তার মধ্যে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল এই যে আধুনিক মানুষের মস্তিষ্কের বিবর্তন কী ভাবে হয়েছে? হোমো জেনাসের প্রথম জনজাতি যারা আফ্রিকায় আজ থেকে ২.৫ লক্ষ বছর আগে বাস করত তাঁদের মস্তিষ্ক ছিল অপরিণত। যার আকার ছিল আমাদের মস্তিষ্কের চেয়ে অর্ধেক। সুইৎজারল্যান্ডের জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক আপাতত এই নিয়েই চর্চা করছেন।

তাঁদের মতে আধুনিক মানুষের মস্তিষ্ক তৈরি হতে শুরু করেছিল ১.৭ মিলিয়ন বছর আগে আফ্রিকায়। এটা সেই সময়ে হয়েছিল যখন হোমোইরেকটাস প্রজাতির মানুষ প্রথম আত্মপ্রকাশ করে এবং আফ্রিকার পাথুরে অস্ত্র তৈরি অনেক বেশি জটিল হয়ে যায়।

হোমোইরেকটাসরাই প্রথম দল যারা আফ্রিকা ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে এবং শিকার করা ও খাদ্য সংগ্রহ করা শুরু করে। গবেষকরা বলেছেন যে আধুনিক মস্তিষ্ক আফ্রিকা থেকেই এশিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে।

জার্নাল সায়েন্সে এই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ক্রিস্টফ জোলিকোফার এবং মারসিয়া প’দে লিয়। আফ্রিকা ও এশিয়াতে আজ থেকে ১ বা দু মিলিয়ন বছর আগে যারা থাকত সেই হোমো প্রজাতির মানুষের খুলি নিয়ে তাঁরা পরীক্ষা করে দেখেছেন।

জোলিফোকার বলেছেন যে আজকের দিনে আধুনিক মানুষের মস্তিষ্কের যে গঠন আমরা দেখছি তার শুরু হয়েছিল ১.৫ থেকে ১.৭ মিলিয়ন বছর আগে আফ্রিকায় হোমো প্রজাতির মানুষের মধ্যে।

নৃতত্ত্ববিদ মারসিয়া বলেছেন যে আধুনিক মানুষের ফ্রন্টাল লোবে কিছু বিশেষ পরিবর্তন দেখা যায়। যা ইঙ্গিত দেয় মানুষ পরিকল্পনা করতে, জটিল চিন্তাভাবনা করতে এবং নানা ভাষায় কথা বলতে সক্ষম।

গবেষকদের বিশ্বাস যে জৈব এবং সাংস্কৃতিক বিবর্তন পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। মারসিয়া বিশ্বাস করেন যে মানুষের ভাষার শুরুও ঠিক এই সময় থেকেই হয়েছিল।

গবেষকরা হোমো প্রজাতির মানুষের খুলি পরীক্ষা করার জন্য এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। একে টোমোগ্রাফি বলা হয়। এখানে তরঙ্গের মাধ্যমে ছবি তুলে সেটা পরীক্ষা করা হয়। খুলি পরীক্ষা করে সেই ডেটা মিলিয়ে দেখা হয়েছে অন্যান্য প্রজাতি ও বাঁদরের সঙ্গে।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: