• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • তিতকুটে সব রস কি সত্যিই ডিটক্স করে? চিকিত্সকরা বলছেন, মোটেও না

তিতকুটে সব রস কি সত্যিই ডিটক্স করে? চিকিত্সকরা বলছেন, মোটেও না

ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

ঠিক কোন ধরনের টক্সিন শরীরে পৌঁছয়, কী থেকে শরীরে টক্সিন আসে, কীভাবেই বা তা শরীর থেকে নির্গত হয় সে সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই ।

  • Share this:

    #কলকাতা: ডিটক্স ডায়েট । স্বাস্থ্য সচেতন নেটিজেনদের ফেভরিট শব্দবন্ধ । রোগা থাকতে নাকি শরীর থেকে বের করে দিতে হবে অপ্রয়োজনীয় সব ক্ষতিকারক টক্সিন । তাই একদা অবহেলিত করলা, লাউ, থোর, আমলকী, কুলেখাড়া, কালমেঘ, চিরোতাই এখন স্থান পেয়েছে মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় । চোখ বুজে, নাক টিপে দিব্যি গলাদ্ধকরণ করে ফেলছে তিতকুটে, বিস্বাদ সব রস । সত্যিই কি তাতে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাচ্ছে শরীরের সব বিষ ? বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, কিস্যু হয় না এতে !

    আরও পড়ুন: চা পাতার নির্যাস, দূর করবে ক্যানসার

    নিউ ইয়র্কের মিনেওলার উইনথ্রপ-ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, হেপাটোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনের গবেষক জেমস এইচ গ্রেনডেল জানাচ্ছেন, শরীর তার নিজস্ব শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অপ্রয়োজনীয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় । খাবারের মাধ্যমে যে পেস্টিসাইড, লেড বা অ্যান্টিফ্রিজ আমাদের শরীরে পৌঁছয় তা শরীর থেকে বের করে দিতে মূল ভূমিকা পালন করে লিভার ও কিডনি । ওষুধ বা অ্যালকোহলের অপ্রয়োজনীয় বিষ বর্জ্যের মাধ্যমে বের করে দিতেও এই দুই অঙ্গই মুখ্য ভূমিকা পালন করে । কিন্তু করলা বা লাউয়ের রস শরীর ডিটক্স করতে সাহায্য করে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি ।

    চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষেরই টক্সিন সম্পর্কে স্পষ্ট কোনও ধারণা নেই । ঠিক কোন ধরনের টক্সিন শরীরে পৌঁছয়, কী থেকে শরীরে টক্সিন আসে, কীভাবেই বা তা শরীর থেকে নির্গত হয় সে সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই । সম্পূর্ণ হুজুগের বশেই তারা এইসব জুস খেতে শুরু করে দেন ।

    আবার অনেক সময় সব্জি খাওয়ার অভ্যাস বাড়াতেও জুস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিত্সকরা । তাঁর বই 'দ্য ডিটক্স প্রেসক্রিপশন'-এ চিকিত্সক উডসন মেরেল লিখেছেন, নতুন প্রজন্মে সব্জি খাওয়ার প্রবণতা কমছে । অথচ শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিনের জোগান পেতে সব্জি খাওয়া প্রয়োজন । আর সব্জি খাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হল রস করে নেওয়া । চিবোতে একঘেয়ে লাগলে বা খেতে ইচ্ছা না হলে একঢোকে জুস খেয়ে নিতেই পছন্দ করেন অধিকাংশ মানুষ । তাই জুস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিত্সরা ।

    First published: