• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • WEST BENGAL HEALTH COMMISSION CONVICTED 2 PRIVER NURSING HOMES SDG

WB Health Commission|| বৃদ্ধাশ্রমে বিলাসবহুল লাঞ্চের ব্যবস্থা! সেবা প্রতিষ্টানে ৫০,০০০ অনুদান! অভিনব শাস্তি ২ হাসপাতালকে

স্বাস্থ্য কমিশনের অভিনব শাস্তি ২ হাসপাতালকে।

Health Commission Order: কলকাতার (Kolkata) একটি নামী হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একটি বৃদ্ধাশ্রমের (Oldage Home) একদিনের বিলাসবহুল দ্বিপ্রাহরিক আহার বা লাঞ্চের (Lunch) ব্যবস্থার নির্দেশ।

  • Share this:

#কলকাতা: অভিনব রায় দিল  রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন (West Bengal Health Regulatory Commission)। কলকাতার (Kolkata) একটি নামী হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে নার্সদের দুর্ব্যবহারের অভিযোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একটি বৃদ্ধাশ্রমের (Oldage Home) একদিনের বিলাসবহুল দ্বিপ্রাহরিক আহার বা লাঞ্চের (Lunch) ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, করোনা পরীক্ষা (Corona Test) করার জন্য আধার কার্ড (Aadhar Card) না চাওয়ায় এবং পরীক্ষায় ঢিলেমির জেরে দুর্গাপুরের (Durgapur) একটি বেসরকারি হাসপাতালকে (Privet Nursing home) স্থানীয় কোনও সেবা প্রতিষ্ঠানে ৫০ হাজার টাকা অনুদান স্বরূপ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলভিউ হাসপাতালে (Bellevue Clinic) নার্সদের (Nurse) দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিলেন এক চিকিৎসক এবং তাঁর স্ত্রী। পাশাপাশি, ওই নার্সরা ঠিকমতো পরিষেবা দিতেন না বলেও অভিযোগ। ওই চিকিৎসক স্বাস্থ্য কমিশনে অভিযোগ করেন। শুনানিতে দুই পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়।গাফিলতি প্রমান হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকয়ে অভিনব শাস্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয় , তারা যেন বেলভিউ ক্লিনিকের পাশের একটি বৃদ্ধাশ্রমে একদিন বিলাসবহুল দ্বিপ্রাহরিক আহার বা লাঞ্চের ব্যবস্থা করেন। এবং সেই সময় যে সমস্ত নার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তারা প্রত্যেককে যেন সে দিন বৃদ্ধাশ্রমে লাঞ্চের সময়  উপস্থিত থাকেন।

অন্যদিকে, প্রায় একইরকম নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুর হেলথ ওয়ার্ল্ড (Durgapur Health World Privet Nursing home) হাসপাতালকেও। রোগীর নাম কস্তুরী ঘোষ। রোগীর অভিযোগ, করোনা পরীক্ষা করতে দেরি করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রিপোর্ট দিতেও অনেক দেরি করা হয়। এমনকি আধার কার্ড না থাকার অজুহাতও ছিল। যদিও রোগীর পরিবারের দাবি, কয়েকদিন আগেই রোগী ওই হাসপাতালে ভর্তি হন, তখন সমস্ত রকম ডকুমেন্টস সেখানে জমা ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ঘোষ পরিবার স্বাস্থ্য কমিশনে অভিযোগ জানায়। শুনানির পরে স্বাস্থ্য কমিশন দুর্গাপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতালকে, কোনও সেবা প্রতিষ্ঠানে ৫০ হাজার টাকা অনুদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ রোগীর পরিবার ক্ষতিপূরণ হিসেবে কোনও আর্থিক সহায়তা চায়নি।

AVIJIT CHANDA

Published by:Shubhagata Dey
First published: