পুণ্যার্থী ও পর্যটকেরা নিশ্চিন্তে যাতায়াত করতে পারবেন, জুড়বে হাওড়া-তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর
- Reported by:ABIR GHOSHAL
- local18
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
ওই স্বল্প অংশের কাজ শেষ হলেই হাওড়া-তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর জুড়ে যাবে এক লাইনেই।
বিষ্ণপুর: মায়ের বাড়ি পর্যন্ত অবশেষে চালু হল ট্রেন চলাচল। পুণ্যার্থী ও পর্যটকেরা নিশ্চিন্তে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে এখনও কাঁটার মতো বিঁধে আছে ভাবাদিঘী। ওই স্বল্প অংশের কাজ শেষ হলেই হাওড়া-তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর জুড়ে যাবে এক লাইনেই।
লোককথা অনুসারে মা সারদা কলকাতা যাতায়াতের জন্য ট্রেন ধরতেন বিষ্ণুপুর স্টেশন থেকে। সে জন্য জয়রামবাটি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা তাঁকে যেতে হত গরুর গাড়িতে। সেই জয়রামবাটিকে রেলপথে যুক্ত করার দাবি ছিল দীর্ঘ দিনের। ২০০০-০১ অর্থবর্ষে সারদাদেবীর পবিত্র জন্মভূমি জয়রামবাটি হয়ে বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর রেলপথ নির্মাণের প্রকল্পের সূচনা করেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ২০১০ সালে বিষ্ণুপুর থেকে গোকুলনগর এবং ২০১২ সালে বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়। কিন্তু কিছুদিন পরে ভাবাদিঘির জমিজটের কারণে থমকে যায় বাকি রেলপথ নির্মাণের কাজ। শেষমেশ গত বছরের মার্চে জয়রামবাটি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ২৭ মার্চ জয়রামবাটি পর্যন্ত পরীক্ষামূলক ভাবে ট্রেন চালিয়ে ওই লাইনে যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচলে সবুজ সঙ্কেত দেয় কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি। অবশেষে রবিবার প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরের সভা থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের সূচনা করলেন।
advertisement
advertisement
বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, ‘আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই সারদা দেবীর জন্মভূমি জয়রামবাটীতে রেলপথের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হল। একসময় যে যাত্রা ছিল কষ্টসাধ্য, আজ তা ইতিহাস। স্বামী বিবেকানন্দ যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেই স্বপ্ন পূরণ করলেন। ভাবাদিঘি জট কাটাতে বারবার সোচ্চার হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর করা প্রকল্পের কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন। এই অবস্থায় কত দ্রুত সেই জট কেটে ট্রেন চালানো যায় সেদিকেই সকলের নজর।’
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Jan 19, 2026 12:37 PM IST









