Tangra Murder Update: খুনি কে, বাবা না কাকা? মুখ খুলল ট্যাংরার দে বাড়ির নাবালক, পুলিশের কাছে হাড় হিম করা বয়ান
- Reported by:PARADIP GHOSH
- news18 bangla
- Published by:Debamoy Ghosh
Last Updated:
তদন্তকারীদের কাছে ওই নাবালক দাবি করেছে, গত মঙ্গলবার রাতে ট্যাংরার বাড়ি থেকে বেরনোর পর আত্মঘাতী হওয়ার জন্য একাধিক উপায়ের কথা ভেবেছিলেন তাঁর বাবা এবং কাকা৷
কলকাতা: ট্যাংরা কাণ্ডে এবার তদন্তকারীদের সামনে মুখ খুলল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাবালক৷ ট্যাংরার দে বাড়ির দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ছেলে প্রণয়ের নাবালক পুত্রের এই বয়ান রহস্যের জট কাটাতে অনেকটাই সাহায্য করতে পারে বলে মত তদন্তকারীদের৷ এতদিন শারীরিক এবং মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ওই নাবালকের সঙ্গে সেভাবে কথা বলতে পারেনি পুলিশ৷ শারীরিক অবস্থা একটু স্থিতিশীল হওয়ার পরই নাবালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ৷
পুলিশ সূত্রে খবর, লালবাজারের হোমিসাইড শাখার অফিসাররা প্রণয় দে-র নাবালক পুত্রের সঙ্গে কথা বলেন৷ ওই নাবালক এবং তাঁর বাবার বয়ান মিলে যাচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে৷
advertisement
তদন্তকারীদের কাছে ওই নাবালক দাবি করেছে, গত মঙ্গলবার রাতে ট্যাংরার বাড়ি থেকে বেরনোর পর আত্মঘাতী হওয়ার জন্য একাধিক উপায়ের কথা ভেবেছিলেন তাঁর বাবা এবং কাকা৷ গাড়ি নিয়ে পিলারে ধাক্কা মারার পাশাপশি ট্রেনের সামনে অথবা গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছিল৷ এমন কী, হুগলি সেতুর উপরে পিলারে ধাক্কা মারা নয়তো কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে গিয়ে কোনও লরির সঙ্গে গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটানোর পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি করেছে ওই নাবালক৷ কিন্তু এ রকম দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে লরি চালকেরও ক্ষতি হতে পারে ভেবে তাঁরা নাকি সেই পরিকল্পনা বাতিল করেন৷
advertisement
তবে ওই নাবালক দাবি করেছে, বাড়িতে তাঁর মা, কাকিমা অথবা খুড়তুতো বোনের হত্যার ক্ষেত্রে কোনও তৃতীয় ব্যক্তি জড়িত নয়৷ তার কাকা অর্থাৎ প্রসূন দে সবার হাতের শিরা কাটেন বলেই দাবি করেছে ওই নাবালক৷
ওই কিশোরের আরও দাবি, হাতের শিরা কাটলে তাড়াতাড়ি রক্ত বেরিয়ে সবাই মারা যাবে ভেবেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছিল৷ তার পরেও বাবা, কাকা এবং সে প্রাণে বেঁচে যায়৷
advertisement
আজই প্রণয় দে এবং তাঁর ছেলেকে ই এম বাইপাসের ধারের ওই বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার কথা৷ কারণ টাকা না মেটানোয় ওই বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দে পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছে৷
দে বাড়ির ছোট ছেলে প্রসূন এখনও ওই বেসরকারি হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন৷ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রসূন দে সেভাবে মুখ খুলছেন না৷ ময়নাতদন্তে প্রসূনের নাবালিকা কন্যার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। তবে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও প্রসুন বা প্রণয় কেউ মুখ খোলেননি। বিষয়টা তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন। ফলে এখনও বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর অধরা রয়েছে। তবে তদন্তে সহযোগিতা করছে প্রণয়ের নাবালক পুত্র।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Feb 22, 2025 3:38 PM IST









