corona virus btn
corona virus btn
Loading

একবার চার্জেই ১০০ কিমি! চেনা ঢাউস গাড়ি ছেড়ে নতুন গাড়িতে দফতরে মন্ত্রীমশাই

একবার চার্জেই ১০০ কিমি! চেনা ঢাউস গাড়ি ছেড়ে নতুন গাড়িতে দফতরে মন্ত্রীমশাই
শোভনদেবের বৈদ্যুতিন গাড়ি

রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানালেন, পেট্রোল-ডিজেলের ক্রমাগত ব্যবহার বাড়ায় দূষণের মাত্রা বাড়ছিল লাফিয়ে লাফিয়ে।

  • Share this:

#কলকাতা: ঢাউস ভিআইপি গাড়ি ছেড়ে সবুজ নম্বর প্লেট লাগানো গাড়িতে দফতরে ঢুকছেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই চর্চা শুরু। হঠাৎ এই পরিবর্তন কেন? গাড়ি থেকে নেমে বিদ্যুৎ মন্ত্রী নিজেই দাঁড়িয়ে পড়লেন উৎসুক জনতার সামনে। যা বললেন, তা রীতিমতো তাক লাগানো। রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানালেন, পেট্রোল-ডিজেলের ক্রমাগত ব্যবহার বাড়ায় দূষণের মাত্রা বাড়ছিল লাফিয়ে লাফিয়ে। পরিবেশ দূষণ কমাতে এখন থেকে ব্যাটারি চালিত বৈদ্যুতিন গাড়ি ব্যবহার করবেন তিনি।

শুধু বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নন। তাঁর দফতর এমন পাঁচটি গাড়ি লিজে নিয়েছে। মন্ত্রী ছাড়াও পাঁচটি গাড়ির একটি বরাদ্দ করা হয়েছে রাজ‍্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও অন্যটি মুখ্যসচিবের জন্য। আরও একটি গাড়ি ব্যবহার করবেন বিদ্যুৎ দফতরের বিভাগীয় সচিব। দফতরের আনুষঙ্গিক কাজকর্মের জন্য একটি গাড়ি সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে। মন্ত্রীর নিজের কথায় এটি গ্রিন কার। ছেলে সায়নদেব চট্টোপাধ্যায়কে পাশে বসিয়ে গাড়িতে প্রথম চড়ার অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন,"ডিজেল ও পেট্রোলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরিবেশ দূষণের মাত্রা বাড়ে। তাই গ্রিন কার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত। গাড়ির ব্যাটারি ঘণ্টা চারেক চার্জ দিয়ে নিলে একশো কিলোমিটার যাতায়াত কোনও ব্যাপারই নয় এই গাড়িতে।"

কিন্তু অসুবিধে হল কলকাতায় এখনও সে ভাবে গ্রিন কারের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়নি। গাড়ির ব্যাটারি চার্জ করার ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিন পয়েন্টও শহরে নিতান্ত হাতে গোনা। সমস্যার কথা মেনে নিয়ে মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলছিলেন,"আপাতত দফতরেই গাড়ির ব্যাটারি চার্জের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ধর্মতলায় সিইএসসি-র দফতরেও একটি চার্জ পয়েন্ট রয়েছে। খুব শীঘ্রই শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে একাধিক চার্জ পয়েন্ট তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

সাধারণত পেট্রোল বা ডিজেল গাড়ির ক্ষেত্রে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ গ্রিন কারের ক্ষেত্রে অন্তত কুড়ি থেকে পঁচিশ শতাংশ কম হবে বলেই দাবি মন্ত্রীর দফতর আধিকারিকদের।

PARADIP GHOSH

Published by: Arindam Gupta
First published: August 19, 2020, 1:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर