corona virus btn
corona virus btn
Loading

রেললাইন ধরে হাঁটছেন শ্রমিকেরা, দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনের গতি কমাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল

রেললাইন ধরে হাঁটছেন শ্রমিকেরা, দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনের গতি কমাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল

পরিযায়ী শ্রমিকদের লাইনে হাঁটার জের তাই এই সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ পূর্ব রেল

  • Share this:

#কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কমানো হল রেলের গতি। অভিনব এই সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ পূর্ব রেল। দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনের খড়গপুর-ভদ্রক সেকশনে এই গতি কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা অবধি গতি কমিয়ে চলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘন্টায় ৪০ কিলোমিটার প্রতি বেগে চলবে রেল। প্রসঙ্গত, যাত্রীবাহী ট্রেন না চলায় পণ্যবাহী ট্রেন যথাসময়ে পৌছনোর জন্য ট্রেনের গতি ১০০ কিমি প্রতি ঘন্টায় ছিল। কিন্তু ঔরঙ্গবাদের ঘটনার পরে রেল তাদের বিভিন্ন জোনকে সাবধান হতে বলেছে। এরই মধ্যে গত তিনদিন ধরে সন্ধ্যার পরে খড়গপুর ডিভিশনের এই সেকশনে দেখা যাচ্ছে বহু পরিযায়ী শ্রমিক লাইন ধরে হেঁটে চলেছেন। কেউ উড়িষ্যা থেকে বাংলায় আসছেন। কেউ আবার বাংলা থেকে উড়িষ্যার দিকে যাচ্ছেন। তাই রেলের গতি ১২ ঘন্টার জন্য এক ধাক্কায় কমিয়ে ৪০ কিমি প্রতি ঘন্টায় নিয়ে আসা হল।

দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ জন পরিযায়ী শ্রমিক তাদের ব্যাগ পত্তর নিয়ে রেল লাইন ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন রবিবার সকালে। তারা যাচ্ছিলেন খড়গপুরের দিকে হেঁটে। শনিবার সন্ধ্যাতেও নজরে আসে বেলদার কাছে ১৪ জন পরিযায়ী শ্রমিক, তারাও হেঁটে যাচ্ছেন। রবিবার রাতেও প্রায় ৩৫ জনের একটি দলকে এই সেকশনে লাইন ধরে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। তিনিটি জায়গাতেই প্রথমে মনে করা হয়েছিল গ্রামবাসীরা যাতায়াত করছেন। পরে রেল কর্মীদের কাছাকাছি আসতেই নজরে আসে এরা বাইরে থেকে আসছেন। রেল রক্ষী বাহিনীকে দেখে প্রথমে ভয় পেলেও, আর পি এফ ও লাইনে নজরদারির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তাদের বুঝিয়ে লাইন থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, রাস্তা ধরে হাঁটলে পুলিশের নজরে পড়লে তারা বাড়ি ফিরতে পারবেন না এই আশংকা তৈরি হয়েছিল তাদের মধ্যে। তাই রেল লাইন ধরে তারা হাঁটা শুরু করেন। তারা ভেবেছিলেন এখানে কেউ তাদের দেখতে পাবেন না। যদিও শেষমেশ তাদের আটকে দেন রেল কর্মীরা।

রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রেল লাইন হাঁটা বা ঘুমানোর জায়গা নয়। এখন যাত্রীবাহী ট্রেন না চললেও, পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করছে। ফলে যে কোনও সময় দূঘটনা ঘটতে পারে। তাই সবাইকেই সচেতন করা হচ্ছে। নানা উপায়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। তার পরেও অনেকে যে ভাবে রাস্তার বদলে রেল লাইন ধরে হেঁটে যাচ্ছেন তাতে চিন্তায় রয়েছে রেল প্রশাসন। দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সঞ্জয় ঘোষ জানিয়েছেন, "শুধু গতি নিয়ন্ত্রণ করা নয়, আমরা গেটম্যান, ট্র‍্যাকম্যান ও আরপিএফ'দের আমরা নজরদারি বাড়াতে বলেছি।বহু জায়গায় তারা ফুট পেট্রোলিং করছেন। লোকো পাইলট দের বলা হয়েছে যেখানে রেল লাইনে প্রচুর বাঁক আছে সেখানে হুইশেল দিতে দিতে যেতে। লম্বা সময় ধরে যেন সেটা চলে।" রেল সাবধান হলেও পরিযায়ী শ্রমিকদের লাইন ধরে হাঁটা আটকানো যাচ্ছেনা। তাই গতি কমিয়ে রেল চালানোর সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ পূর্ব রেল।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: May 11, 2020, 5:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर