কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্মার্ট কার্ড রিচার্জ সহজ করতে একাধিক স্টেশনে রাখা হচ্ছে ভেন্ডিং মেশিন    

স্মার্ট কার্ড রিচার্জ সহজ করতে একাধিক স্টেশনে রাখা হচ্ছে ভেন্ডিং মেশিন    

এমনকি যাঁরা অলাইন স্মার্টকার্ড রিচার্জ করতে পারবেন না, তাঁরাও এই মেশিনের সাহায্যেই স্মার্টকার্ড রিচার্জ করে নিতে পারবেন।

  • Share this:

#কলকাতা: নিজেরাই নিজেদের স্মার্টকার্ড ইস্যু করতে পারবেন যাত্রীরা। গতকাল সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে সাধারণ যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে মেট্রো পরিষেবা। আর তার আগেই এমনটা জানালো মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে যাত্রীদের টিকিট কাউন্টারে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। এসপ্ল্যানেড, পার্কস্ট্রিট, রবীন্দ্র সদন, কালীঘাট, রবীন্দ্র সরোবর, টালিগঞ্জ এই ছটি স্টেশনে থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। থাকবে বিশেষ মেশিন। সেখান থেকেই যাত্রীরা নিজেদের নতুন স্মার্টকার্ড ইস্যু করতে পারবেন। এমনকি যাঁরা অলাইন স্মার্টকার্ড রিচার্জ করতে পারবেন না, তাঁরাও এই মেশিনের সাহায্যেই স্মার্টকার্ড রিচার্জ করে নিতে পারবেন।

তবে যাত্রীদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করলেও ব্যালেন্স জানা যাচ্ছে না। অনেকে আবার বলছেন স্মার্ট কার্ড ইলেকট্রনিক গেটে ছোঁয়ালেও তারা প্রবেশ করতে পারছেন না। মেট্রো সূত্রে খবর, CRIS এর সাথে তারা কথা বলছেন। যে ব্যাঙ্ক মুলত এই অর্থনৈতিক দিক দেখাশোনা করে তাদের সাথেও কথা বলছে মেট্রো। যাতে সমস্যার সমাধান দ্রুত করা যায়৷ মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, "আমাদের আধিকারিকরা এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন।" একই সাথে মেট্রোর কর্মাশিয়াল বিভাগের অফিসাররা খতিয়ে দেখেছেন স্টেশনের এটিভিএম মেশিন গুলো। কেন সেখানে রিচার্জ বোঝা যাচ্ছে না। তা বোঝার চেষ্টা করছেন। অপরদিকে, গোটা দিন জুড়ে ই-পাস নিয়ে সাধারণ মানুষের বিভ্রান্তি থেকেই গেল। স্টেশনের মধ্যে প্রবেশের অনুমতি হিসেবে ই-পাস প্রয়োজনীয়। যদিও আর পি এফ ও মেট্রো রেল পুলিশকে দেখা গিয়েছে সাহায্য করতে।

বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের বাইরে বহু আর পি এফ যাত্রীদের সাহায্য করতে নিজেরাই পথদিশা বা মেট্রো অ্যাপ ডাউনলোড করে দিয়েছেন। এমনকি ই-পাস অবধি বুক করে দিয়েছেন। পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনের বাইরে দেখা গেছে  প্রতি ঘন্টার ই-পাসের ডেমো প্রিন্ট আউট নিয়ে যাত্রীদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার মনোজ যোশী জানিয়েছেন, "আশা করছি ধীরে ধীরে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সবাই ধীরে ধীরে সড়গড় হয়ে যাবেন।"

ABIR GHOSHAL

Published by: Debalina Datta
First published: September 15, 2020, 9:45 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर