corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাংলায় পরিযায়ীদের ফেরাতে প্রতিদিন ১০৫টি ট্রেনের দরকার, ট্যুইটারে মমতাকে আক্রমণ রেলমন্ত্রীর

বাংলায় পরিযায়ীদের ফেরাতে প্রতিদিন ১০৫টি ট্রেনের দরকার, ট্যুইটারে মমতাকে আক্রমণ রেলমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল

রেলমন্ত্রীর বক্তব্য, পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে পশ্চিমবঙ্গের যেখানে প্রতিদিন ১০৫টি করে ট্রেন দরকার, সেখানে ৩০ দিনেরও বেশি সময়ের জন্য মাত্র ১০৫টি ট্রেনের আয়োজন করল রাজ্য৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ভিনরাজ্যে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরাতে ১০৫টি ট্রেনের আয়োজন করেছে রাজ্য সরকার৷ সকালেই ট্যুইট করে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মমতার এই ঘোষণার পরেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করে ট্যুইট করলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল৷ রেলমন্ত্রীর বক্তব্য, পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে পশ্চিমবঙ্গের যেখানে প্রতিদিন ১০৫টি করে ট্রেন দরকার, সেখানে ৩০ দিনেরও বেশি সময়ের জন্য মাত্র ১০৫টি ট্রেনের আয়োজন করল রাজ্য৷

ট্যুইটারে রেলমন্ত্রী লিখেছেন, 'আমার মনে হয়, পশ্চিমবঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে যেখানে প্রতিদিন ১০৫টি ট্রেনের দরকার, সেখানে ৩০ দিনেরও বেশি সময়ের জন্য মাত্র ১০৫টি ট্রেনের বন্দোবস্ত করল রাজ্য সরকার৷ আমি আশা করছি, দেশের নানা প্রান্তের বাঙালি ভাই-বোনদের কথা ভেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের দরাজ ভাবে ফিরিয়ে আনবে৷'

পরিযায়ীদের ফেরানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের সংঘাত চলছেই৷ কয়েকদিন আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেনের ব্যবস্থা করতে বলেন৷ অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ট্রেনের ব্যবস্থা করছে না৷ রাজ্য সরকারও পাল্টা জানায়, অনেক আগে থেকেই রেল মন্ত্রকের কাছে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ট্রেনের আবেদন করেছে পশ্চিমবঙ্গ।

বৃহস্পতিবার সকালে মমতা টুইট করেন, ‌'আমাদের ‌দেওয়া কথা মতো, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়া পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের ফেরাতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাজ্যের বাসিন্দাদের ফেরাতে আমরা মোট ১০৫ টি ট্রেন আয়োজন করতে পেরেছি। আগামী বেশ কয়েকদিন ধরে এই ট্রেনগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আটকে পড়া রাজ্যের বাসিন্দাদের নিজের শহরে ফিরিয়ে আনবে।'‌

Published by: Arindam Gupta
First published: May 14, 2020, 9:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर