• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • রাস্তায় পড়ে থাকা মা ও সদ্যোজাতকে গ্রিন করিডর করে হাসপাতালে পৌঁছল কলকাতা পুলিশ

রাস্তায় পড়ে থাকা মা ও সদ্যোজাতকে গ্রিন করিডর করে হাসপাতালে পৌঁছল কলকাতা পুলিশ

হাসপাতালে পৌঁছনোর পরে নির্দিষ্ট বিভাগে মনোয়ারাকে ভর্তির ব্যবস্থা করেন তিনি

হাসপাতালে পৌঁছনোর পরে নির্দিষ্ট বিভাগে মনোয়ারাকে ভর্তির ব্যবস্থা করেন তিনি

হাসপাতালে পৌঁছনোর পরে নির্দিষ্ট বিভাগে মনোয়ারাকে ভর্তির ব্যবস্থা করেন তিনি

  • Share this:

    #কলকাতা: মঙ্গলবার, দুপুরে এলাকায় টহল দেওয়ার বাসন্তী হাইওয়ের ওপর চৌবাগার কাছে স্থানীয়দের জটলা দেখে থেমে যান তিলজলা ট্র‌্যাফিক গার্ডের অ্যাডিশনাল ওসি সৌভিক চক্রবর্তী। কাছে গিয়ে দেখতে পান রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে এক মহিলা। অসহ্য গর্ভযন্ত্রণায় ছটফট করছেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলেই একটি পুত্রসন্তানকে জন্ম দেন তিনি।

    এই দেখে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে মা-সন্তানকে হাসপাতালে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করেন তিনি। গাড়িতে তুলে চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের দিকে ছোটেন পুলিশ আধিকারিক সৌভিক। সেই সঙ্গে ট্র‌্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ও লালবাজারে সব জানান। গ্রিন করিডর করে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয় মহিলা ও তাঁর সন্তানকে। রাস্তায় যেতে যেতেই পুলিশ আধিকারিক যোগাযোগ করেন মহিলার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘটকপুকুরের বাসিন্দা মনোয়ারা বিবি এদিন রক্ত পরীক্ষা করাতে কলকাতায় এসেছিলেন। কাজ শেষ হওয়ার পরে আত্মীয়র সঙ্গে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এমন সময় আচমকাই তাঁর প্রসবযন্ত্রণা শুরু হয়। রাস্তাতেই পুত্রসন্তানের জন্ম দেন তিনি, পুলিশ সূত্রের খবর।

    হাসপাতালে পৌঁছনোর পরে নির্দিষ্ট বিভাগে মনোয়ারাকে ভর্তির ব্যবস্থা করেন মনোয়ারা। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও কিনে দিন। মা-ছেলে দু'জনেই এখন সম্পূর্ণ সুস্থ।

    এই ঘটনাটিকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন কলকাতা পুলিশ।

    কিছুদিন আগেই দশ বছর আগে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে ঘরে ফেরাল কলকাতা পুলিশ। ২৯ অক্টোবর কলেজ স্ট্রিটে বর্ণপরিচয় মার্কেটের এক নম্বর গেটের সামনে অচৈতন্য হয়ে পড়ে ছিল অজ্ঞাত এক ব্যক্তি৷ কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার অর্থাৎ জোড়াসাঁকো থানার ডিউটি অফিসার, সাব ইন্সপেক্টর তপন কুমার দাস তাকে দেখতে পান৷ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তাকে বাড়ি পৌঁছে দেন তিনি ৷

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: