Mamata Banerjee on Cyclone Yaas: নিভল কলকাতার সব রাস্তার আলো, সারারাত জায়ান্ট স্ক্রিনে চোখ মমতার

সারারাত জায়ান্ট স্ক্রিনে চোখ রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Mamata Banerjee on Cyclone Yaas: ইয়াসের হানাদারির প্রাকমুহূর্তে জায়ান্ট স্ক্রিনে চোখ রেখেই কাটালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

    #কলকাতা: আগেই জানিয়েছিলেন ২৫ এবং ২৬ মে রাতদিন তিনি নবান্নেই কাটাবেন। হলও তেমনটা। ইয়াসের হানাদারির প্রাকমুহূর্তে জায়ান্ট স্ক্রিনে চোখ রেখেই কাটালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুঙ্খানুপুঙ্খ আপডেট নিলেন প্রতিটি জেলার। ব্লকে ব্লকে কন্ট্রোল রুম খোলা হল তাঁর নির্দেশেই। একই সঙ্গে জোড়া কাঁটার মুখোমুখি রাজ্য। সাইক্লোন যেহেতু ওড়িশা হয়ে ঝাড়খণ্ড অভিমুখী, তাই লাগোয়া জেলাগুলিতে বন্যার সতর্কতাও জারি করতে হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যশ ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করার কথা। রাজ্যে আসন্ন দুর্যোগের আবহে তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনে সেনা নামানো হবে।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই দিঘাতে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় নামানো হয় সেনাবাহিনীকে । রাত বাড়লে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কলকাতার স্ট্রিট লাইটগুলির বিদ্যুৎ সংযোগ নিভিয়ে দেওয়া হয়।

    মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সবাইকে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, “কেউ চিন্তা করবেন না। প্রশাসন আপনাদের সঙ্গে আছে। করোও কোনও ক্ষতি হলেও প্রশাসন আপনাদের পাশেই আছে। বিপর্যয় কেটে গেলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

    মঙ্গলবার রাতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১১ লক্ষর বেশি মানুষকে রাজ্যের তরফে ত্রাণ শিবিরে আনা হয়েছে। তাঁর কথায়, "আমরা তৈরি আছি। রাতটা সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে। বুধবার সকাল থেকে ১২ টার বধ্যে ইয়াস আছড়ে পড়বে। এই সময় সাবধানে থাকবেন। আমাদের ৩ লক্ষ প্রশাসনের কর্মী কাজ করছেন।"

    আতঙ্ক না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে মমতা বলেন,"আজে ঝাড়টা চলে যেতে দিন। করোও কাজ থাকলে বাইরে না গিয়ে ফোনে কাজটা করে নিন। আমি বলছি ক্ষয় ক্ষতির বিষয়টা প্রশাসন দেখে নেবে। আমি রাতে নবান্নে থাকবো। খোঁজ খবর রাখছি। এখানে ওয়ার রুম করে আমরা কাজ করছি। সবাই সাবধানে থাকবেন। " সব মিলিয়ে বিপদে যে তিনি রাজ্যের অভিভাবক, তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    Published by:Arka Deb
    First published: