জাল নিয়ে রবীন্দ্র সরোবর পরিষ্কারে নামলেন স্থানীয়রা, দেখা নেই কেএমডিএ-র

জাল নিয়ে রবীন্দ্র সরোবর পরিষ্কারে নামলেন স্থানীয়রা, দেখা নেই কেএমডিএ-র
  • Share this:

#কলকাতা: অবশেষে নিজেরাই হাল ধরলেন পরিবেশ রক্ষার ৷ রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজো চলাকালীনই লেকের জল সাফাই অভিযানে নামলেন স্থানীয় মানুষরা ৷ জাল ফেলে জল থেকে তুলে আনলেন দূষিত পদার্থ ৷ ঝাড়ু হাতে রাস্তাও ঝাঁট দিতে দেখা গেল অনেককে ৷ এদিকে সেদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্যাকেট, ফুল, পুজোর সামগ্রী নিজেরাই তুলে নিয়ে ফেললেন নির্দিষ্ট স্থানে ৷ তবে কেএমডিএ-র কাউকে দেখা যায়নি রবিবার সকালেও ৷ শুধু ময়লা ফেলার কয়েকটা গাড়ি পাঠিয়েই দায় সারে কলকাতা পুরসভাও ৷ পরিবেশ নিয়ে যে শহরের প্রায় কোনও মাথাব্যথাই নেই, সেই শহরেই রবিবার দেখা গেল অন্য চিত্র ৷

নিয়ম ছিল ৷ ছিল নিষেধাজ্ঞাও ৷ আদালতের রায়ও পক্ষে ছিল ৷ কিন্তু তাতেও রক্ষা করা গেল না পরিবেশকে ৷ প্রতি বছরের মতোই এবারেও দূষিত হল রবীন্দ্র সরোবর ৷ রাতভর পুজো, ব্যান্ড পার্টি, শব্দবাজির মধ্যেই ধূমধাম করে পালিত হল ছট ৷

কিন্তু কেন গ্রিন বেঞ্চের রায় থাকা সত্ত্বেও আটকানো গেল না রবীন্দ্র সরোবরের ছট পুজো ? প্রশাসনের ব্যর্থতাই এর জন্য দায়ী, এমনই অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ থেকে পরিবেশকর্মী এমনকি বিরোধীরাও ৷

শনিবার সকাল থেকেই গেটে গেটে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন একদল মানুষ ৷ কেএমডিএ-র নোটিশ ছিঁড়ে, গেটের তালা ভেঙে সরোবরে প্রবেশ করেন তাঁরা ৷ বিক্ষোভকারীদের দাবি, প্রতি বছরের মতো রবীন্দ্র সরোবরেই করতে দিতে হবে ছট পুজো ৷ সেই মতোই গতকাল সারাদিন ধরে সরোবরের মধ্যে চলে পুজোর আয়োজন ৷

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও একালাকয় কোনও পুলিশকর্মী ছিলেন না ৷ শুধু কয়েকজন বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন মাত্র ৷ তাঁদের পক্ষে উত্তেজিত জনতাকে সামাল দেওয়া সম্ভবপর হয়নি ৷ ফলে যথারীতি শনিবার রাত ৩টের পর থেকে দলে দলে মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন লেকের ধারে ৷ নিয়ম মেনেই চলে পুজো ৷ শব্দবাজি, ব্যান্ডপার্টি কিছুই তাতে বাদ ছিল না ৷

Loading...

তবে প্রশাসনের এই ভূমিকা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ পরিবেশবিদরা ৷ ফের আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন তাঁরা ৷

First published: 11:41:59 AM Nov 03, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर