• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • HUGE RACKET IN KOLKATA MEDICAL COLLEGE INVOLVED IN REUSING DISPOSABLE SURGICAL THINGS ONCE ALREADY USED DC

পরিষ্কার করে ফের চিকিৎসার সরঞ্জাম ব্যবহার? মেডিক্যাল কলেজে বড়সড় চক্রের হদিশ

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল হাসপাতালে ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে ধুয়েমুছে বাজারে বিক্রির কাজ।

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল হাসপাতালে ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে ধুয়েমুছে বাজারে বিক্রির কাজ।

  • Share this:

#কলকাতা: রমরমিয়ে চলছে বড়সড় অসাধু চক্র মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, এই হাসপাতালে ব্যবহৃত জিনিস অর্থাৎ ব্যবহৃত সার্জিক্যাল গ্লাভস থেকে আরম্ভ করে ইনজেকশনের সিরিঞ্জ,স্যালাইনের নল সমস্ত কিছু বেছে আলাদা আলাদা করে নিয়ে যায় ওরা। সাধারণ মানুষের পথ চলার রাস্তার মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে সংক্রামিত জিনিসপত্র। যারা বাছছিল,তাদের মধ্যে একজনকে জিজ্ঞাসা করলে, সে জানায় ওগুলো আবার অফিসে যাবে। ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে আবার ব্যবহার হবে। কে নিয়ে যাবে? সেটা সম্বন্ধে তেমন কিছু বলতে চায়নি তিনি। তবে বারবার উঠে আসছিল দেবাদার কথা। দেবাদা বলতে, দেবাশিস বাবু, এক নম্বর গেটের সামনে ভ্যাটের অপারেটরের কথা। তারই তত্ত্বাবধানে চলে সমস্ত কিছু। পাশে ট্যাক্সি ড্রাইভাররা বলেন এটা প্রতিবাদ করতে গেলে মারধোর খেতে হবে।

ভ্যাটের অপারেটরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন,এর পিছনে বড় মাথা রয়েছে। সব ট্যাংরাতে যায়। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আশপাশে বস্তিগুলোতে এই গ্লাভস ধোয়া মোছার কাজ চলে।অভিযোগ, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত আছে হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়েরা। হাসপাতালের ব্যবহৃত বর্জ্য সোজা ভ্যাটে ফেলার নিয়ম। কিন্তু ওই ব্যবহৃত প্যাকেট গুলো ওখানেই দিয়ে যায় তারা। পথ চলতি মানুষেরা ওখান দিয়েই দিনের পর দিন যায়।সবাই বিরক্ত ওই চক্রের কাজ নিয়ে। এখনও প্যানডেমিক পরিস্থিতি চলছে।তারমধ্যে হাসপাতাল থেকে করোনা রোগীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে আরম্ভ করে সমস্ত কিছু ফুটপাতের ওপর পড়ে রয়েছে। সংক্রমণ ছড়ানোর প্রবল সম্ভাবনা। এই ব্যবহৃত গ্লাভস ও সিরিঞ্জ পরিষ্কার করে যদি অসাধু ভাবে বাজারে আবার ফিরে আসে, তাহলে বড়ো বিপদ। এই বিষয়ে হাসপাতাল সুপারকে জানালে,তিনি সঙ্গে সঙ্গে ডেপুটি সুপার ও সিকিউরিটি ইনচার্জকে নিয়ে এসে দেখে ,পুলিশকে ডেকে ব্যবস্থা নিতে বলেন। পুলিশ ওই দেবাশীষকে বউবাজার থানাতে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে গিয়েছে ৷ মালপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: