• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • লক ডাউনঃ মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়াল ফোরাম ফর দুর্গোৎসব

লক ডাউনঃ মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়াল ফোরাম ফর দুর্গোৎসব

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০।

  • Share this:

    #কলকাতাঃ তাঁরা শুধু পুজো করে না না। সমাজের দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। ডেঙ্গু সচেতনতায় অংশ  নেয়। নাট্যোৎসব, খাদ্যমেলা আয়োজন করে। আরতকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। বস্ত্রহীনদের বস্ত্র দেয়। পড়ুয়াদের বইপত্র।  এবার তাঁরাই করোনা মোকাবিলায় স্টেট এমারজেন্সি রিলিফ ফান্ডে অর্থ সাহায্য  তুলে দিল সাধারণ মানুষকে সাহায্যের জন্য। তাঁরা কলকাতার পুজো পাগলের দল।

    করোনা আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। কীভাবে তার ভয়াবহতা থেকে মুক্তি মিলবে, তা নিয়ে চলছে গবেষণা। ইতিমধ্যেই প্রায় ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বিশ্বে। ভাররে সেই সংখ্যা ৭০০ ছুঁয়েছে। এমনকি খোদ কলকাতাতেও আক্রান্তের সংখ্যা ১০। মৃত্যু হয়েছে দমদমের বাসিন্দা এক ব্যক্তির।

    এমতাবস্থায় করোনা মোকাবিলায় সদা সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। গোটা বিষয়ে নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। প্রায় প্রতিদিনই রাস্তায় নেমে সচেতন করছেন সাধারণ মানুষকে। পরিকাথাম খতিয়ে দেখতে ছুটে যাচ্ছেন এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে। এখানেই শেষ নয়। মানুষ কোনও বিপদে পরলেই যাতে  প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে পারে তার জন্য নবান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।  পাশাপাশি, কোনও ব্যক্তি বা কোনও সংগঠন লক ডাউনের জেরে অনাহাতে অর্ধাহারে থাকা মানুষদের সাহায্য করতে আগ্রহী হলে, তাঁদের জন্য দেওয়া হয়েছে অ্যাকাউন্ট নম্বর। সেখানেই এবার অর্থ সাহায্য করল পুজো পাগলের দল।  তাঁদের সংগঠন ফোরাম ফর দুর্গোৎসব, মুখ্যমন্ত্রীর মানবিক আবেদনে সাড়া দিয়ে ২ লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছেন রিলিফ ফান্ডে।

    ফোরামের সভাপতি কাজল সরকার বলেন, "সাড়া দেশের যা পরিস্থিতি , তাতে মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একমাএ কর্তব্য। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার যারা এই মুহূর্তে আমাদের সকলের কাছে ঈশ্বর স্বরুপ। কারণ তারাই  একমাএ সরকারের মাধ্যমেই আমরা প্রান বাঁচানোর রসদ টুকু দিয়ে পারে। যা  ইতিমধ্যেই আমরা পাচ্ছি বা, আগামী দিনেও পাবো। ঘরবন্দি হয়ে থাকাটাই যেখানে আমাদের একমাএ বাঁচার পথ।" 

    অন্যদিকে, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসু বলেন, "যদিও জানি এই অবস্থায় দু লক্ষ টাকা সমুদ্রে এক ঘটি জলের সমান। কিন্তু এটাও ঠিক বিন্দু বিন্দু জলেই সমুদ্র তৈরী হয়। আমরা না হয় এই বিশাল মানব সমাজের এই দুর্যোগে তাদের পাশে কয়েক বিন্দু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলাম। আগামীর এক সুন্দর, সোনালী, বিপদমুক্ত সকাল দেখার আশায়।"

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: