Dilip Ghosh: দিলীপ ঘোষের মনে আছে 'হাজার দুয়ারিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী'! বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি নেতার
- Published by:Suman Biswas
- news18 bangla
Last Updated:
Dilip Ghosh: মীরা পাণ্ডে পাঁচ দফায় ভোট করেছিলেন। পরে স্বীকার করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হাজার দুয়ারি ঘুরতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
কলকাতা: নিয়ম করেই প্রতিদিন সকালে মর্নিং ওয়াকে বেরোন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্যথা হল না শুক্রবারও। এদিন ইকো পার্কে মর্নিং ওয়াকের শেষেও একাধিক বিষয়ে মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। আসুন, জেনে নেওয়া যাক কী কী বিষয়ে কী বললেন বিজেপি নেতা।
২০১৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটের স্মৃতি?
মীরা পাণ্ডে পাঁচ দফায় ভোট করেছিলেন। পরে স্বীকার করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হাজার দুয়ারি ঘুরতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কারণ তাদের পরিচালক ছিল স্থানীয় পুলিশ। কিন্তু তবুও সাধারণ মানুষকে রোজ যেভাবে বোমা বন্দুক দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে, রাস্তায় মাঠে বোমা পড়ে আছে, এর একটা উদ্দেশ্য আছে। সাধারণ মানুষের সাহস বাড়ানোর জন্যই সেন্ট্রাল ফোর্সের দরকার আছে।
advertisement
advertisement
রাজ্যপালের মাস্টার মুভ
এখন এটা চলন হয়ে গেছে, যে রাজ্যপাল আসবে, তার বিরোধিতা করো। এ রাজ্যে এটা খুব হয়। দু'পক্ষ ভাগ হয়ে যায়। আমি প্রথমেই বলেছি, রাজ্যপাল নিরপেক্ষ ভাবে সংবিধানের পক্ষে কাজ করবেন। নতুন এসেছেন। তার মতো এফিসিয়েন্ট মানুষ খুব কম এসেছেন। সময় লাগবে। উনি ডান দিকে পা রাখলে ওরা চেঁচাচ্ছে। বাঁদিকে পা রাখলে এরা চেঁচাচ্ছে। তিনি যেটা শুরু করেছেন, অন্যরা যখন রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ব্যস্ত, তখন ট্যুর কাঁটছাঁট করে উপদ্রুত জায়গায় গেছেন। ব্যক্তিগত ভাবে খোঁজখবর নিয়েছেন। কাল পুজো দিয়েছেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি দেখেছেন। প্রশাসক এরকমই হওয়া উচিৎ। কান দিয়ে নয়। চোখ দিয়ে দেখা উচিৎ।
advertisement
বিজেপির যে কোনো কর্মসূচিতেই বাধা
এটা নতুন না। যেই বিজেপি শক্তিশালী হল, ভোটে জিততে শুরু করল, তখনই টনক নড়ল। তাকে আটকানোর চেষ্টা হল। এইভাবে আটকানোর চেষ্টা হলে বিজেপি গণতান্ত্রিক ভাবে মোকাবিলা করবে। এ রাজ্যে সব কিছু কোর্ট নির্ণয় করে। চাকরি পাবে কিনা, ডিএ পাবে কিনা। এই সরকার আছে কেন? লোকে কেন ভোট দিয়ে জিতিয়েছে? এরা তো কোনও নির্ণয় নেবে না। কোর্ট নেবে। সেন্ট্রাল ফোর্স কোর্ট দিল। সিবিআই কোর্ট দিল। সরকারের কোনো অস্তিত্ব নেই। এটা সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ নয়।
advertisement
ডিএ ইস্যুতে ১৭ এপ্রিলের মধ্যে বৈঠকের নির্দেশ আদালতের
আমি বারবার বলেছি আলোচনায় বসুন। দিল্লিতে কৃষি আন্দোলন হল। সরকার দশ বার আলোচনায় বসেছে। ওরা মানেনি সেটা আলাদা কথা। পরে দেশের স্বার্থে সরকার সেই আইন তুলে নিয়েছে। এখানে তো কথা বলতেই রাজি না। তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে। চোর ডাকাত বলছে। এদের ঘাড়ে কাঁঠাল ভেঙে আপনি সরকার চালাচ্ছেন। এরা আপনাকে ব্যালটে ৬০ শতাংশ ভোট দিয়েছে। এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর মুখের ভাষা? পারবেন কি পারবেন না, পরের কথা। আলোচনা তো করুন।
advertisement
শুভেন্দু অধিকারী সশরীরে হাজিরা
কিছু মানুষের সম্পত্তি হঠাৎ বেড়েছে। আগে ঝুপড়িতে ছিল, এখন রাজপ্রাসাদে থাকে। তবে কিছু অভিযোগ করলে তো তার তথ্যপ্রমাণ তো দিতে হবে আদালতে।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Apr 07, 2023 10:12 AM IST










