'ভুঁইফোড়' আইএসএফ-এর সঙ্গে হাত মেলানো ভুল ছিল, মানছেন সিপিএম নেতারা

ভুল স্বীকার আলিমুদ্দিনে!

জোটসঙ্গীরা কেউ বেরিয়ে যেতে চাইলে বেরিয়ে যেতে পারেন, এমনই বার্তা দিচ্ছে সিপিএম।

  • Share this:

    #কলকাতা: ভোটে মুখ থুবড়ে পড়েছে দল। বরং জোটসঙ্গী আইএসএফ কার্যত ভুইফোঁড় দল হয়েও একটি আসন অন্তত দখল করতে পেরেছে। সিপিএম-এর ঝুলি শূন্য। এই অবস্থায় ভোটের পরে প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠকে তোপ দাগলেন একাধিক নেতা। রাজ্যকমিটিতে পর্যালোচনা না করে আইএসএফ-এর সঙ্গে জোটে যাওয়াটা ভুল হয়েছিল মানলেন অনেকেই। দলের অধিকাংশ নেতার মতে দলের যে ধর্মনিরপেক্ষ ইমেজ তিলে তিলে গড়া হয়েছিল কয়েক দশকে তাতেই ঘা লেগেছে এই জোটে। যদিও অসৌজন্যের রাজনীতি করে এখনই তারা জোট ভাঙছেন না, তবে জোটসঙ্গীরা কেউ বেরিয়ে যেতে চাইলে বেরিয়ে যেতে পারেন, এমনই বার্তা দিচ্ছে সিপিএম।

    আজকে সিপিএম-এর বৈঠকটি হয় ভার্চুয়ালি। রাজ্যকমিটিতে তোপ দাগেন বহু নেতা। তাঁরা দলীয় নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, রাজ্যকমিটিতে আলোচনাই হয়নি আইএসএফ নিয়ে। নবাগত এই দলটির সঙ্গে হাত মেলানোর আগে পর্যালোচনা জরুরি ছিল। এরই পাশাপাশি আলোচনা হয় তৃণমূল সমালোচনার ধারা নিয়ে। এমন বহু প্রকল্প শাসকদল চালু করেছে যা মানুষ পছন্দ করেছে। অথচ সিপিএম সেই প্রকল্পগুলি নিয়ে নানা সময়ে নানা টিকাটিপ্পনী রেখেছে সমাজমাধ্যমে, মঞ্চে। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়েছে এই সমালোচনা খুব ভালো ভাবে নেয়নি সাধারণ মানুষ, কাজেই আগামীদিনে সমালোচনার ধারা পাল্টাতে হবে বলেই মত প্রকাশ করেন দলের অনেকে।

    এই বৈঠকেই তন্ময় ভট্টাচার্যকে আগামী তিনমাস প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নিষেধ করেছে দল। এমনকি প্রবীন নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গেও মতপ্রকাশের জন্য কাল সূর্যকান্ত মিশ্রের একচোট বিতর্ক হয়েছে।

    আইএসএফ-এর একমাত্র জয়ী সদস্য, ভাঙরের বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর যুক্তি এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি সিপিএম। বিবৃতি পেলে পদক্ষেপ করবেন তাঁরা।

    Published by:Arka Deb
    First published: