বিজেপির উত্থান দিবসকে কেন্দ্র করে আবারও ফাটল রাজ্য বিজেপিতে

বিজেপির উত্থান দিবসকে কেন্দ্র করে আবারও ফাটল রাজ্য বিজেপিতে

প্রাক্তন বনাম বর্তমান। বিজেপির উত্থান দিবসকে কেন্দ্র করে আবারও ফাটল রাজ্য বিজেপিতে।

  • Share this:

#কলকাতাঃ   প্রাক্তন বনাম বর্তমান। বিজেপির উত্থান দিবসকে কেন্দ্র করে আবারও ফাটল রাজ্য বিজেপিতে। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ৩০ নভেম্বর দলের উত্থান দিবসে আর কলকাতায় বড় সমাবেশ নয়। বরং ব্লক স্তরে সভা করে সংগঠন মজবুত করাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের এই ঘোষণায় না-খুশ রাহুল সিনহা গোষ্ঠী। অভিযোগ, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির সাফল্যকে মুছে দিতেই এই পরিকল্পনা।

উত্থান দিবসে শক্তি প্রদর্শন নয়। বরং সংগঠন মজবুত করাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। উপনির্বাচনে ভালো ফলের পর ব্লকস্তরে সংগঠনকেই পাখির চোখ করছেন দীলিপ ঘোষরা। আর তাই ৩০ নভেম্বর অর্থাৎ উত্থান দিবসকে সামনে রেখে একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত রাজ্য নেতৃত্বের। বদলে ফেলা হচ্ছে পুরনো প্রথাও।

-অন্যবারের মতো কলকাতায় কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে সমাবেশ নয়

-রাজ্যের সবস্তরে বুথ ভিত্তিক প্রচার সভা করবে বিজেপি

-রাজ্যে ৫০০টি এলাকায় বেশি গুরুত্ব দিয়ে প্রচার

-দলের উপস্থিতি বোঝাতে যত বেশি সম্ভব এলাকায় ছোট সভা-সমাবেশের আয়োজন

বুথ স্তরে পর্যন্ত সংগঠন যেখানে ছড়িয়ে দেওয়া্ গিয়েছে, সেখানেই এসেছে সাফল্য। উপনির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত বিজেপি নেতৃত্বের।

উত্থান দি্বসে কলকাতায় বড় সমাবেশ করতে একসময় আদালত পর্যন্ত ছুটেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। অমিত শাহ থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা যোগ দিয়েছিলেন। রাতারাতি সেই সিদ্ধান্ত বদলে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি।

মাত্র ৭ বছর আগে এক সাধারণ ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে রাজ্যে বিজেপির গুরুত্ব অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিলেন রাহুল সিনহা। প্রচুর ক্যাডার নামিয়ে রাজ্যে বনধ সফল করার জন্য রাহুলকে ঢালাও কৃতিত্ব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই সাফল্য পালনেই উত্থান দিবস। তা রাতারাতি মুছে ফেলতে চাইলে প্রাক্তনই বা মেনে নেন কিভাবে?

 

First published: 08:05:59 PM Nov 24, 2016
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर